ফেলনা সুতায় চাদর, গামছা

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ছোট্ট একটি গ্রাম শাওইল। দেশের বিভিন্ন গার্মেন্টস থেকে ফেলনা ঝুট কাপড় ও সুতা এনে এই গ্রামে পরিষ্কার ও প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এর পর সেসব সুতা থেকে বানানো হয় চাদর, গামছা, কম্বলসহ বিভিন্ন পণ্য। পরে তা শাওইল হাটে বিক্রি করেন স্থানীয় ব্যক্তিরা। শুধু দেশে বিকিকিনি নয়, এসব পণ্য রপ্তানি হয় বিদেশেও। গ্রামীণ এই হাটকে কেন্দ্র করে আশপাশের গ্রামগুলোয় বিকাশ ঘটেছে তাঁতশিল্পের। শাওইল গ্রাম ও হাট ঘুরে ছবিগুলো তোলা।
গার্মেন্টস থেকে আনা ফেলনা সুতা বের করে কোণে ভরছেন একজন নারী।
গার্মেন্টস থেকে আনা ফেলনা সুতা বের করে কোণে ভরছেন একজন নারী।
চরকা থেকে সুতা প্রস্তুত করছেন এক নারী।
গার্মেন্টস থেকে আনা ফেলনা সুতা বাছাই চলছে। এরপর সেগুলো পাঠানো হবে পরিষ্কার ও প্রক্রিয়াজাত করার জন্য।
গার্মেন্টসের ফেলনা ঝুট কাপড় ও সুতা বেছে আয় করেন শাওইল গ্রামের অনেকেই। সেসব সুতা দিয়ে বানানো হয় কম্বল, চাদর, গামছা, টুপিসহ নানা পণ্য।
বাড়িতেই বসানো হয়েছে মেশিনের তাঁত। তাতে কম্বল বুনছেন এক কারিগর।
গার্মেন্টসের ফেলনা ঝুট কাপড় থেকে বের করা সুতা কোণে ভরা হয়েছে।
বোনা হবে গামছা। এ জন্য চরকায় সুতা ভরছেন এক নারী।
গার্মেন্টসের ফেলনা কাপড়ের সুতা দিয়ে বানানো চাদর। হাটে পাইকারি বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে।