মে, জুন ও জুলাই মাস এলেই ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাস করা মানুষ। ঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয় উপকূলবর্তী এলাকা। খুলনার কয়রা উপজেলায় জলোচ্ছ্বাসের হাত থেকে বসতি রক্ষার জন্য বাঁধ তৈরি করা হয়েছিল কপোতাক্ষ নদের পাড়ে। ঝড়ের আঘাতে বাঁধের বেশ কয়েকটি স্থানে ভাঙন দেখা দেয়। এর মধ্যে কয়রার হরিণখোলা অন্যতম। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে বাঁধ ভেঙে গেলে এলাকাবাসীর প্রচেষ্টায় রিং বাঁধ দেওয়া হয়েছিল অস্থায়ীভাবে। পরে তা পূর্ণিমার জোয়ারে আবার ভেঙে যায়। শেষে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আবারও তৈরি করা হয় বাঁধের এই অংশ।
