আরাকুলের মঠে পাখিদের ঘরদোর

পুরোনো জরাজীর্ণ মঠ। দেয়ালের ছোট ছোট গর্ত আর কুলুঙ্গিতে পাখিদের নীড়। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আরাকুল মঠে এভাবেই টিকে আছে শালিক, টিয়াসহ নানা পাখির সংসার। কয়েক বছর আগেও যেখানে ঝাঁকে ঝাঁকে টিয়া দেখা যেত, এখন সেখানে তাদের দেখা মেলা কঠিন। আশপাশের জলাশয় ভরাট, নগরায়ণ ও পরিবেশের পরিবর্তনে সংকুচিত হচ্ছে পাখিদের আবাস। তবু পুরোনো মঠের ইটের গায়ে আজও আছে পাখিদের ঘরদোর। তবে সেই আশ্রয়ও কত দিন টিকবে, তা অনিশ্চিত।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আরাকুল মঠের পুরোনো ইটের স্থাপত্যে এখনো টিকে আছে অতীতের ছাপ। দেয়ালের কুলুঙ্গি ও গর্তে গড়ে উঠেছে পাখিদের নীড়
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আরাকুল মঠের পুরোনো ইটের স্থাপত্যে এখনো টিকে আছে অতীতের ছাপ। দেয়ালের কুলুঙ্গি ও গর্তে গড়ে উঠেছে পাখিদের নীড়
আরাকুল মঠের পুরোনো ইটের দেয়ালে বসে আছে কয়েকটি টিয়া। দেয়ালের গর্ত ও ফাঁকই তাদের নিরাপদ আশ্রয়
পুরোনো দেয়ালে নতুন জীবনের স্পন্দন। মঠের একটি গর্তে আশ্রয় নিয়েছে জোড়া শালিক
এ যেন টিয়া পাখির পাড়া। কেউ নীড় থেকে বের হচ্ছে, কেউ বসে আছে পুরোনো ইটের গায়ে
মঠের চূড়ার পাশ দিয়ে উড়ে যাচ্ছে একটি ঘুঘু
পুরোনো স্থাপনাটির আশপাশে এখনো দেখা মেলে নানা প্রজাতির পাখির
মঠের পাশের জলাশয়ে খাবারের সন্ধানে বিচরণ করছে একটি সাদা কানিবক
জরাজীর্ণ মঠের গায়ে সারি সারি ছোট গর্ত। বছরের পর বছর ধরে এসব গর্তে বাসা বাঁধছে টিয়াসহ নানা পাখি
আরাকুল মঠের আশপাশে দেখা মেলে কয়েকটি চিলেরও। চিলের উপস্থিতি টের পেলে অন্য পাখিরা আশ্রয় নেয় দেয়ালের গর্তে
কয়েক বছর আগেও আরাকুল মঠে ঝাঁকে ঝাঁকে টিয়া দেখা যেত। এখন একসঙ্গে কয়েকটি টিয়া দেখাও যেন বিরল দৃশ্য
কৃষিজমিতে কীটনাশকের ব্যবহার, জলাশয় ভরাট, গাছপালা কমে যাওয়া এবং নগরায়ণে সংকুচিত হচ্ছে পাখিদের আবাসস্থল।
মঠের দেয়ালে পাখিদের নীড় এখনো টিকে আছে। তবে আশপাশের মাটি ভরাট ও নগরায়ণ অব্যাহত থাকলে এই পুরোনো আশ্রয়ও হারিয়ে যেতে পারে।