‘আলো’ শোনাচ্ছে পুনর্জাগরণের গল্প

সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের হামলার শিকার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো ভবন নিয়ে শৈল্পিক আয়োজন দিচ্ছে পুনর্জাগরণের বার্তা। ‘আলো’ শিরোনামের ব্যতিক্রমী এ প্রদর্শনী সোমবার ষষ্ঠ দিনের মতো চলে। প্রথম আলোর আক্রান্ত ও অগ্নিদগ্ধ ভবন নিয়ে এই শিল্প-আয়োজন দেখতে বিভিন্ন স্থান থেকে এদিনও আসেন দর্শনার্থীরা। পুড়ে যাওয়া কম্পিউটার, যন্ত্রাংশ, ভাঙা আসবাব ও বইপত্রের ধ্বংসাবশেষ দেখে অনেকেই আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। শিল্পী মাহ্‌বুবুর রহমানের তৈরি এ প্রদর্শনী শুরু হয় ১৮ ফেব্রুয়ারি। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে ১টা এবং বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত। এ প্রদর্শনী চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

প্রদর্শনীতে ঢোকার আগে নিবন্ধন খাতায় নাম লেখান দর্শনার্থীরা।
প্রদর্শনীতে ঢোকার আগে নিবন্ধন খাতায় নাম লেখান দর্শনার্থীরা।
দর্শনার্থীরা ঘুরে দেখেন প্রদর্শনীর বিভিন্ন কাজ।
ধ্বংসযজ্ঞ দেখে থমকে যেতে হয় দর্শনার্থীদের।
আগুনে পুড়ে যাওয়ার বিভিন্ন চিত্র দেখছেন দর্শনার্থী।
‘আলো’ প্রদর্শনী দেখতে আসেন বাংলাদেশে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির আইন, বিচার ও মানবাধিকারবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা রোমানা শোয়েগার।
পুড়ে যাওয়া বিভিন্ন সামগ্রী দেখছেন দর্শনার্থী।
পরিবার নিয়ে প্রদর্শনীতে সংস্কৃতিকর্মী সাইফুল জার্নাল।
প্রথম আলোতে আক্রমণের ভয়াবহতা মূর্ত হয়ে উঠেছে শিল্পী মাহ্‌বুবুর রহমানের শিল্প–ভাবনায়।
পুড়ে যাওয়া কম্পিউটার, যন্ত্রাংশ, ভাঙা আসবাব ও বইপত্রের ধ্বংসাবশেষ দেখছেন দর্শনার্থীরা।
প্রদর্শনী দেখতে আসা ইউল্যাব ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী কথা বলছেন প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও কথাসাহিত্যিক আনিসুল হকের সঙ্গে।