মোমবাতির কারখানায় শ্রমিকদের ব্যস্ততা

প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগেও লোডশেডিংয়ের অন্ধকার কাটাতে মোমবাতি অন্যতম সহজ ও সুলভ উপকরণ। ঘনঘন বিদ্যুৎ–বিভ্রাটে বিকল্প আলোর উৎস হিসেবে মোমবাতির চাহিদা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। সেই চাহিদা মেটাতে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের আশরাফাবাদ এলাকায় গড়ে উঠেছে ছোট-বড় অনেক কারখানা। সেখানে গলিত প্যারাফিন, সুতা ও ধাতব ছাঁচের সমন্বয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মোমবাতি তৈরি করছেন শ্রমিকেরা। প্রযুক্তির ভিড়েও সংকটের সময়ে সাধারণ মানুষের অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছে এই সাশ্রয়ী বাতি।

মোমবাতি তৈরিতে ব্যস্ত শ্রমিকেরা। লোডশেডিং বাড়ায় কারখানায় দিনরাত চলছে উৎপাদন
মোমবাতি তৈরিতে ব্যস্ত শ্রমিকেরা। লোডশেডিং বাড়ায় কারখানায় দিনরাত চলছে উৎপাদন
ধাতব ছাঁচে ঢাকার জন্য নিতে গলিত প্যারাফিন জগে ভরছেন তিনি। মোমবাতি তৈরির প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপেই প্রয়োজন নিপুণ দক্ষতা ও শ্রম
ঘনঘন বিদ্যুৎ–বিভ্রাটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মোমবাতির উৎপাদন
ধাতব ছাঁচে ঢালা হচ্ছে গলিত প্যারাফিন। কারিগরদের দক্ষ হাতে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে হাজার হাজার মোমবাতি
নির্দিষ্ট তাপমাত্রার গলিত প্যারাফিন ছাঁচে ঢালা হচ্ছে। এই ধাপের ওপরই নির্ভর করে মোমবাতির মান ও নিখুঁত গঠন
ধাতব ছাঁচের মাঝখানে বসানো হচ্ছে সুতা। এটিই পরে মোমবাতির সলতে হিসেবে কাজ করে
ছাঁচ থেকে বের করার পর চলছে মোমবাতি বাছাই। এরপর প্যাকেটজাত করার জন্য বক্সে রাখা হচ্ছে
ছাঁচ থেকে সদ্য বের করা মোমবাতির মান যাচাই করছেন এক শ্রমিক। বাজারজাত করার আগে চলে চুলচেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা
দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানোর জন্য প্যাকেটজাত করা হচ্ছে মোমবাতি। লোডশেডিং বাড়ায় মোমবাতির চাহিদা বেড়েছে