জাতীয় পর্যায়ে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতা

শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে চলছে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জেলা ও মহানগর পর্যায় থেকে বাছাই করা সেরা ১০১টি দলকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত অনুষ্ঠান। সোমবার হবে চূড়ান্ত প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ। তার আগে রোববার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে চলে প্রদর্শনী ও বিচার কার্যক্রম। সেখানে জেলা ও মহানগর পর্যায়ে নির্বাচিত ১০১টি দল তাদের উদ্ভাবনী ধারণা, বিজ্ঞান প্রকল্প ও স্টার্টআপ উপস্থাপন করছে বিচারকদের সামনে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিমের আওতায় প্রথমবারের মতো এ আয়োজন করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণা বিচারকদের সামনে উপস্থাপন করছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণা বিচারকদের সামনে উপস্থাপন করছে।
শরীয়তপুরের নড়িয়ার মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা তাদের প্রকল্প দেখাচ্ছে।
নিজেদের প্রকল্প সাজিয়ে উপস্থাপনের অপেক্ষায় চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা।
চূড়ান্ত পর্বে নিজেদের প্রকল্প প্রদর্শন করেছে কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের শিক্ষার্থীরা।
নিজেদের প্রকল্প তুলে ধরছে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার আসিয়া বারি আদর্শ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রকল্প দেখছেন একজন।
নরসিংদীর রায়পুরার গোবিন্দপুর উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রকল্প দেখাচ্ছে।
নিজেদের উদ্ভাবন কীভাবে কাজ করে, তা দেখাচ্ছে রাজধানীর হলি ক্রস উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
স্মার্ট ইকো সিটির পরিকল্পনা তুলে ধরছে চট্টগ্রামের ফিরোজ শাহ্ সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
‘বর্জ্য থেকে সম্পদ’ তৈরি প্রকল্পে প্রস্তুত করা বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্য প্রদর্শন করছে কুমিল্লার চৌয়ারা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।