বান্দরবানের গ্রামে গ্রামে রয়ে গেছে সাংগ্রাইংয়ের রেশ

নতুন বছরকে বরণ করতে মৈত্রী বর্ষণ বা জলকেলি উৎসব করে মারমা সম্প্রদায়। শিশু-কিশোর থেকে তরুণ-তরুণী—সব বয়সী মানুষ একে অপরের শরীরে পানি ছিটিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন এদিন। বান্দরবান জেলা শহরে ১৩ থেকে ১৬ এপ্রিল সাংগ্রাইং উৎসবের আনুষ্ঠানিক আয়োজন শেষ হলেও বিভিন্ন উপজেলায় এখনো চলছে ঐতিহ্যবাহী মৈত্রী পানি বর্ষণ বা জলকেলি উৎসব। উৎসবের এই প্রাণচাঞ্চল্যে আনন্দ-উদ্দীপনা আর সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে বর্ণিল হয়ে উঠেছে রোয়াংছড়ি ও রুমা উপজেলা। দুই জনপদ ঘুরে মানুষের মিলন ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া এই উৎসবের ছবিগুলো পাওয়া গেছে:

ওয়াটার গান জলকেলির আধুনিক এক উপকরণ। সেই গান হাতে এক শিশু। পলিকাপাড়া, রুমা
ওয়াটার গান জলকেলির আধুনিক এক উপকরণ। সেই গান হাতে এক শিশু। পলিকাপাড়া, রুমা
জলকেলিতে মেতেছেন তরুণ-তরুণীরা। পলিকাপাড়া, রুমা
জলকেলিতে মেতেছেন এক মারমা তরুণী। পলিকাপাড়া, রুমা
ফটো ফ্রেমে দাঁড়িয়ে তরুণীকে ছবি তুলে দিচ্ছেন এক তরুণ। পলিকাপাড়া, রুমা
নৌকায় বসে সেলফি তুলছেন তিন বান্ধবী। পলিকাপাড়া, রুমা
উৎসবের আনন্দে মেতে উঠেছেন মারমা তরুণ–তরুণীরা। পলিকাপাড়া, রুমা
একে অপরের শরীরে পানি ঢেলে আনন্দ ভাগাভাগি করছেন তাঁরা। পলিকাপাড়া, রুমা
আনন্দে মেতেছে শিশুরাও। রোয়াংছড়ি
একে অপরের শরীরে পানি ছিটাচ্ছে দুই বন্ধু। রোয়াংছড়ি
জলকেলিতে এসে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা, তারপর সেলফির আয়োজন। রোয়াংছড়ি
জলকেলিতে মেতেছেন মারমা যুবক–যুবতীরা। রোয়াংছড়ি
জলকেলি উৎসবে অংশ নিয়েছেন দুই নারী পর্যটক। রোয়াংছড়ি
মারমাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে ছাতা নৃত্য করছেন কয়েকজন মারমা তরুণী। রোয়াংছড়ি
সাংগ্রাইংয়ের রঙিন মুহূর্তে বুদ্‌বুদ খেলার আনন্দে মগ্ন এক শিশু। রোয়াংছড়ি
তৈলাক্ত বাঁশ আরোহণে ব্যস্ত প্রতিযোগীরা। রোয়াংছড়ি