বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় ইছামতী নদীর তীরে মহিষাবান গ্রাম। সেখানে বংশপরম্পরায় পাল সম্প্রদায়ের প্রায় শতাধিক পরিবার বাস করে। বেশির ভাগ পরিবার দইয়ের হাঁড়ি তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করে। ছবিতে মহিষাবান গ্রামের দইয়ের হাঁড়ি তৈরির গল্প।
সোয়েল রানা বগুড়া
বাড়ির উঠানে বসে দইয়ের হাঁড়ি তৈরি করছেন দেবী রানী পাল
বিজ্ঞাপন
রোদে শুকাতে দেওয়া হচ্ছে দইয়ের হাঁড়ি
বিজ্ঞাপন
দইয়ের হাঁড়িতে রং দেওয়া হচ্ছেসারি সারি দইয়ের হাঁড়ি ও কাপরোদে শুকাতে দেওয়া হয়েছে দইয়ের হাঁড়িহাঁড়িগুলো পোড়ানোর জন্য প্রয়োজন হয় কাঠের গুঁড়ারভারে ভরে দইয়ের হাঁড়ি অন্যত্র শুকাতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছেভাটায় পোড়ানোর পর দইয়ের হাঁড়িহাঁড়িগুলো বিক্রির জন্য ক্রেতা আকর্ষণের জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছেবাড়ি থেকেই বিক্রি হচ্ছে দইয়ের হাঁড়ি