আগুন নেভাতে সহযোগিতা করেন অনেক মানুষ।এখানকার প্রায় সব ঘর ছিল টিনশেডের।প্রায় ২০০ ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখানে কোনো ঘর ছিল, তা বোঝার উপায় নেই। পড়ে আছে শুধু টিনগুলো।খতিজা বেগমের ঘরের সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বিউটি বেগমের আলমারিতে রাখা ছিল টাকা। আগুন নেভার পর তিনি সেই ড্রয়ার খুলেছিলেন, যদি কিছু থাকে সেই আশায়। কিন্তু সবই ছাই হয়ে গেছে। পাশে থাকা ভবনও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ট্রাংকের ভেতর থাকা সব জিনিস পুড়ে ছাই। ঘর পুড়ে যাওয়ার খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে ছুটে আসেন অর্পিতা দাশ।পুড়ে যাওয়া ঘরের ছাই ঘেঁটে দেখছেন, যদি কিছু মেলে।