তেল-বিদ্যুৎসংকটের মধ্যে গরমে হাঁসফাঁস

একদিকে জ্বালানি তেলের সংকট। ফিলিং স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষার পরও প্রয়োজন মতো মিলছে না তেল। ফলে যানবাহন চলাচল ও সেচের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে বৈশাখের এই তীব্র গরমের মধ্যে লোডশেডিংয়ে জনজীবন হয়ে উঠেছে অতিষ্ঠ। পাবনা সদর উপজেলার বিভিন্ন জায়গা ঘুরে জনভোগান্তির ছবিগুলো সম্প্রতি তোলা।

ফিলিং স্টেশনের সামনে তেলের জন্য দীর্ঘ সারি। প্রখর রোদে মোটরসাইকেল রেখে ছায়ায় অপেক্ষায় চালকেরা।
ফিলিং স্টেশনের সামনে তেলের জন্য দীর্ঘ সারি। প্রখর রোদে মোটরসাইকেল রেখে ছায়ায় অপেক্ষায় চালকেরা।
দীর্ঘ সময় সারিতে দাঁড়িয়ে মোটরসাইকেলের চালকেরা। হঠাৎ হাতমাইকে ঘোষণা ‘তেল ফুরিয়ে গেছে’।
দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে মোটরসাইকেলের চালকদের কেউ কেউ বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান।
তেলসংকটে অলস পড়ে আছে ইছামতী নদী পুনঃখনন প্রকল্পের খননযন্ত্রগুলো।
তেলসংকটে ডিজেলচালিত শ্যালো ইঞ্জিনের যানবাহন চলাচল কমে গেছে। ঘোড়ার গাড়িতে করে খেত থেকে ফসল নেওয়া হচ্ছে বাড়িতে।
তীব্র তাপপ্রবাহ আর বারবার লোডশেডিংয়ে বেড়েছে হাতপাখার বেচাকেনা।
গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েছে শিশু। আনা হয়েছে হাসপাতালে। সেখানেও লোডশেডিং। শিশুকে বাতাস করার জন্য হাতপাখা ভরসা।
প্রয়োজনের চেয়ে কম জ্বালানি তেল মিলেছে। তার পরও ফসল বাঁচাতে সেচপাম্প চালানোর চেষ্টা কৃষকের।
সোলার প্যানেল বসিয়ে ফসলের জমিতে সেচ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন এক কৃষক।