নূরলদীনের বসতভিটায়

‘আবার নূরলদীন একদিন কাল পূর্ণিমায় দিবে ডাক, জাগো, বাহে, কোনঠে সবায়?’ সৈয়দ শামসুল হকের ‘নুরলদীনের সারাজীবন’ কবিতার সেই নূরলদীনের স্মৃতি এখনো আছে রংপুরের মিঠাপুকুরের ফুলচৌকিতে। কবর, পুরোনো মসজিদ, পরিত্যক্ত বসতভিটার ইট আর বংশধরদের ঘরবাড়ি—সব মিলিয়ে সেখানে ছড়িয়ে আছে ব্রিটিশবিরোধী কৃষক বিদ্রোহের নেতা নূরউদ্দীন মোহাম্মদ বাকের জংয়ের স্মৃতি। সেই স্মৃতির পথে হাঁটলে ইতিহাসের এক বিদ্রোহী সময় যেন চোখের সামনে ভেসে ওঠে।

নূরলদীনের কবরকে ঘিরেই ১৮২২ সালে নির্মাণ করা হয় ফুলচৌকি মসজিদ।
নূরলদীনের কবরকে ঘিরেই ১৮২২ সালে নির্মাণ করা হয় ফুলচৌকি মসজিদ।
মসজিদের প্রধান ফটকের সামনে নূরলদীনের কবর। কবরের জায়গাটি আলাদা করে সংরক্ষণ করা হয়েছে
মসজিদের প্রধান ফটকের সামনে সাইনবোর্ডে লেখা আছে নূরউদ্দীন মোহাম্মদ বাকের জংয়ের সংক্ষিপ্ত জীবনী
ফুলচৌকি মসজিদটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত। প্রধান ফটকের সামনে অধিদপ্তর ও জাদুঘর বিভাগের নোটিশ সাঁটানো আছে
পারিবারিক কবরস্থানে ১৮৫৭ সালের স্বাধীনতাসংগ্রামে নিহত পরিবারের অন্য সদস্যদের নামের তালিকাও দেওয়া আছে
মসজিদের উত্তর পাশে এখনো টিকে আছে নূরলদীনের বসতভিটার কিছু অংশ। সময়ের সাক্ষী হয়ে পড়ে আছে পুরোনো স্থাপনার চিহ্ন
নূরলদীনের আবাসস্থলের বিস্তৃত এলাকা হাত দেখিয়ে দেখাচ্ছেন স্থানীয় এক বয়স্ক ব্যক্তি
নূরলদীনের বসতভিটার জায়গায় মাটির নিচ থেকে কোথাও কোথাও বেরিয়ে আছে পুরোনো ইট
নূরলদীন ছিলেন মোগল সম্রাট জাহান্দার শাহর বংশধর। পরিত্যক্ত বসতভিটায় রাখা সাইনবোর্ডে তুলে ধরা হয়েছে সেই বংশপরম্পরা
ফুলচৌকি মসজিদে নিয়মিত নামাজ পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা
নূরউদ্দীন মোহাম্মদ বাকের জংয়ের সপ্তম বংশধরেরা এখনো বসবাস করেন ফুলচৌকির এই ঘরবাড়িতে