উন্নয়নকাজের ধকলে বেহাল ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করার লক্ষ্যে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলছে ধীরগতিতে। এই মহাসড়ক ভবিষ্যতে ঢাকা ও সিলেট বিভাগের যোগাযোগব্যবস্থায় গতি আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে উন্নয়নকাজের জন্য এখন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এই মহাসড়ক ব্যবহারকারীদের। ঢাকার ডেমরার সুলতানা কামাল সেতু পার হয়ে নারায়ণগঞ্জের তারাব, রূপসী বাসস্ট্যান্ড থেকে বরপা পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে তৈরি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। ভাঙাচোরা সড়ক, ধুলাবালু ও ধীরগতির যান চলাচলের কারণে প্রায় প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। কোথাও কোথাও গর্তে আটকে যাচ্ছে যানবাহন, ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে সড়কে চলাচল।

মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে যানবাহন। বাড়ছে উল্টে গিয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।
মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে যানবাহন। বাড়ছে উল্টে গিয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।
বেহাল সড়কে আটকে আছে যানবাহন। তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। রূপসী বাসস্ট্যান্ড–সংলগ্ন এলাকা।
তীব্র যানজটের কারণে অনেক চালক মূল সড়কের সম্প্রসারিত অংশ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছেন।
ভাঙাচোরা সড়কের কারণে চলাচল উপযোগী অংশ সংকুচিত হয়ে পড়েছে।
মহাসড়কজুড়ে উড়ছে ধুলাবালু। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন সড়ক ব্যবহারকারীরা।
বরপা মোড়–সংলগ্ন এলাকায় বড় বড় গর্তের কারণে কার্যত যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে মহাসড়কের বেশ কিছু অংশ।
ধীরগতিতে চলছে মহাসড়কের উন্নয়নকাজ, বাড়ছে জনদুর্ভোগ।
ভাঙাচোরা মহাসড়ক যেন ধুলার রাজ্যে পরিণত হয়েছে।
বেহাল সড়কে দীর্ঘ যানজটের কারণে পায়ে হেঁটেই গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন আশপাশের গার্মেন্টসের কর্মীরা।
তারাব চৌরাস্তা এলাকায় দীর্ঘ যানজটে স্থবির হয়ে পড়েছে যান চলাচল।