তাপপ্রবাহে হাঁসফাঁস জনজীবন

রাজধানীসহ দেশের ৪৮টি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তাপপ্রবাহ। প্রখর রোদ, ভ্যাপসা গরম আর মৌসুমি বায়ুর বিলম্বিত আগমনে জনজীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ, পথচারী ও খেটে খাওয়া মানুষ। গরম থেকে সামান্য স্বস্তি পেতে কেউ আশ্রয় নিচ্ছেন গাছের ছায়ায়, কেউ আবার ছুটছেন পানির কাছে। তীব্র তাপপ্রবাহে মানুষের জীবনযাত্রার নানা চিত্র উঠে এসেছে এই ছবিগুলোতে।

প্রখর রোদ থেকে একটু স্বস্তি পেতে মাথার ওপর ব্যাগ রেখে চলেছেন এক ব্যক্তি। গুলিস্তান এলাকায়
ছবি: দীপু মালাকার
প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরম থেকে রেহাই পেতে হাতপাখাকেই অস্থায়ী ছাতার মতো ব্যবহার করছেন এক নারী। গুলিস্তান
প্রচণ্ড গরমে শিশুকে স্বস্তি দিতে মাথার ওপর কাগজ ধরে ছায়া দিচ্ছেন এক অভিভাবক, আরেকজন দিচ্ছেন চার্জার ফ্যানের বাতাস। বাবুবাজার, ঢাকা
তপ্ত দুপুরে বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা এক বয়োজ্যেষ্ঠ নারী চার্জার ফ্যানের হালকা বাতাসে স্বস্তি খুঁজছেন। গুলিস্তান এলাকা
রাজধানীতে চলমান গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার মধ্যে ক্লান্ত হয়ে মায়ের কোলেই ঘুমিয়ে পড়েছে এক শিশু। মালিবাগ এলাকায়
প্রচণ্ড গরমে ক্লান্ত মানুষ। দুপুরের প্রখর রোদ এড়িয়ে হাতিরঝিলের পাশে গাছতলায় বিশ্রাম নিচ্ছেন অনেকে
প্রচণ্ড রোদ ও গরমের মধ্যে পরম মমতায় কোলে থাকা তিন মাসের সন্তানের মাথায় হাত রেখে সূর্যের তাপ থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন এক বাবা। বাবুবাজার এলাকা
প্রচণ্ড গরমে স্বস্তির খোঁজে নদীর জলে ফুটবল খেলায় মেতেছে শিশু–কিশোরেরা। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের তেলঘাটে
প্রপেলার তৈরির কারখানায় তপ্ত পরিবেশে চোখে–মুখে পানির ঝাপটা দিয়ে স্বস্তি খুঁজছেন এক শ্রমিক। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ডকইয়ার্ডে
প্রচণ্ড গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে পানিতে নেমেছে কিশোরেরা। তাদের সঙ্গে পানিতে খেলায় মেতেছে দুটি কুকুরও। রাজধানীর ক্রিসেন্ট লেকে