সেন্ট মার্টিনের হালচাল

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তর ১৯৯৯ সালে দ্বীপটিকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করে। সর্বশেষ গত ৪ জানুয়ারি বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী সেন্ট মার্টিন দ্বীপসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। অবশ্য অবৈধভাবে হোটেল-রিসোর্ট নির্মাণ এবং অনিয়ন্ত্রিত পর্যটনের কারণে দ্বীপটির জীববৈচিত্র্যের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে, যা বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে।

সেন্ট মার্টিন যাওয়ার সময় গাঙচিলদের চিপস ও বিস্কুট খাওয়ান পর্যটকেরা।
সেন্ট মার্টিন যাওয়ার সময় গাঙচিলদের চিপস ও বিস্কুট খাওয়ান পর্যটকেরা।
সেন্ট মার্টিনের বেশির ভাগ জাহাজ থেকে কালো ধোঁয়া বের হয়।
স্বচ্ছ নীল জলের টানে ছুটে আসেন পর্যটকেরা।
সেন্ট মার্টিন দ্বীপে বেসরকারি অনেক কটেজ গড়ে উঠেছে, উঠছে।
সৈকতের খুব কাছে আটলান্টিক রিসোর্ট। তাই জোয়ার-ভাটার পানি থেকে ভাঙন ঠেকাতে দেওয়া হয়েছে বালুর বস্তা।
বেসরকারির পাশাপাশি সরকারি রিসোর্ট গড়ে উঠেছে সৈকতের পাশে।
প্রবাল পাথর দিয়ে ঘরের ভিটা রক্ষার চেষ্টা।
সৈকতের কাছে নোঙর করে রাখা মাছ ধরার নৌকা।
প্রবাল দ্বীপে স্বচ্ছ জলরাশিতে পর্যটকেরা।
রিসোর্ট তৈরি করতে গিয়ে প্রায়ই কাটা পড়ে গাছ। সৈকতে রয়ে যায় গাছের গুঁড়ি।
সৈকতে ঘুরে বেড়াতে বাইসাইকেল ভাড়া পাওয়া যায়।
সেন্ট মার্টিনে কুকুরের উপদ্রব বেড়েছে। কুকুর কচ্ছপের ডিম খেয়ে ফেলে, যা জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর। এ ছাড়া পর্যটকদের বিরক্তির কারণ হচ্ছে কুকুর।
পর্যটকদের ফেলে যাওয়া প্লাস্টিক পণ্য।