বাঁশের ফালিতে গাথা জীবনের গল্প

আঁকাবাঁকা পথে বয়ে গেছে বাঙালি নদী। নদীর তীরঘেঁষা বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের ছোট্ট গ্রাম বিনোদপুর। এই গ্রামে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাঁশের চাটাই তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন পাঁচ শ থেকে সাত শ পরিবার। বাঁশ কাটা, পাতি (তেমাল) তোলা, শুকানো, বোনা—সব কাজেই অংশ নেন পরিবারের সদস্যরা। ছবিতে এই গ্রামের বাসিন্দাদের পরিশ্রম, দক্ষতা ও জীবনসংগ্রামের গল্প:

বাড়ির উঠানে কেটে টুকরা করে রাখা হয়েছে বাঁশ।
বাড়ির উঠানে কেটে টুকরা করে রাখা হয়েছে বাঁশ।
বাঁশের ফালি থেকে পাতি (তেমাল) তুলছেন এক নারী।
প্রস্তুত করা পাতি রোদে শুকাতে দিচ্ছেন মনিকা বেগম।
শুকানো পাতি বেঁধে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
শুকানো পাতি তৈরি হচ্ছে বাঁশের চাটাই (মাদুর)।
একসময় কঠিন মনে হলেও এখন দক্ষ হাতে চাটাই বুনছেন মনিকা বেগম।
চাটাই রোদে শুকিয়ে নিচ্ছেন রবিউল ইসলাম।
চাটাই শুকানো শেষে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি।
বাঙালি নদীর তীরঘেঁষা পথ ধরে বাঁশের তৈরি চাটাই নিয়ে ফিরছেন এক নারী।
খানাখন্দে আটকে যাওয়া চাটাইভর্তি গাড়ি ঠেলে পার করার চেষ্টা।