বাঁশির গ্রাম শ্রীমদ্দী

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দী গ্রামে বাঁশি তৈরির ঐতিহ্য শত বছরের। বংশপরম্পরায় ধরে রেখেছে পূর্বপুরুষদের সৃষ্টিশীল কাজটি। তৈরি করা এসব বাঁশি সরবরাহ করা হবে সারা দেশে। সারা বছর কিছুটা চাহিদা থাকলেও বৈশাখে এর চাহিদা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। দিন কয়েক পরে বাঙালিদের প্রাণের উৎসব পয়লা বৈশাখ। এ উপলক্ষে দেশব্যাপী বসে মেলা। সেই মেলার প্রাণ হলো বাঁশের বাঁশি। এখন বাঁশি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নারী-পুরুষ সব বয়সের কারিগরেরা।

বাঁশি তৈরির জন্য বাঁশ বাছাই করছেন এক ব্যক্তি।
বাঁশি তৈরির জন্য বাঁশ বাছাই করছেন এক ব্যক্তি।
বাঁশির আকার অনুযায়ী বাঁশ কাটা হচ্ছে।
বাঁশ কাটার পর পানি দিয়ে ধুয়ে নেওয়া হচ্ছে।
ধোয়ার পর বাঁশিগুলো উঠানে শুকিয়ে নিচ্ছেন এক নারী।
আগুনের তাপের সাহায্যে বাঁশির গায়ে নকশার কাজ চলছে।
কারিগরদের নিপুণ হাতে বসানো হচ্ছে নকশা।
পরিবারের সবাই নিয়োজিত থাকে বাঁশি তৈরিতে।
বাঁশি বানানো শেষে সুর পরীক্ষা করে নিচ্ছেন একজন।
বাঁশি বানানোর শেষে শেষবারের মতো ধুয়ে নেওয়া হচ্ছে।
ধোয়া শেষে শুকানোর জন্য সারি বেঁধে রাখা হচ্ছে। এরপর চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করা হবে দেশের বিভিন্ন স্থানে।