ভোরে ভাটার সময়ে কপোতাক্ষ নদ

‘সতত, হে নদ তুমি পড় মোর মনে
সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে।
সতত যেমনি লোক নিশার স্বপনে
শোনে মায়া যন্ত্র ধ্বনি তব কলকলে
জুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে। ’

মাইকেল মধুসূধন দত্তের ‘কপোতাক্ষে নদ’ কবিতার এ নদ। চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, সাতক্ষীরা ও খুলনার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ২৩৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের কপোতাক্ষ নদ। উপকূল অঞ্চলে এ নদের রূপ একেক সময় একেক রকম। কখনো ভয়াল উত্তাল, কখনো শান্ত, আবার কখনো স্বল্প পানির। ছবির গল্পে তুলে ধরা হলো ভোরের আলোয় ভাটার সময় কপোতাক্ষ নদের রূপ। ছবিগুলো খুলনার কয়রা এলাকা থেকে তোলা।

ভাটায় চিংড়ির রেণু ধরছেন এক নারী।
ভাটার স্বল্প পানিতে খেয়া পারাপারে নদেই নামতে হয় যাত্রীদের।
বাঁধের তলদেশ থেকে নোনা পানি জোয়ারে চিংড়ির ঘেরে প্রবেশ করে আর ভাটায় বের হয়।
চিংড়ির রেণু ধরতে চলেছে একজন।
ভোরে কাজে নামার প্রস্তুতি শ্রমজীবীদের।
কুঁচি ধরতে টুকরি নিয়ে রওনা দিয়েছে একজন।
পাড় দিয়ে রেণু ধরছেন একজন।
মাছ ধরে নৌকায় তুলছেন জেলেরা।
পার থেকে নদীর প্রায় শেষ গভীরতায় পৌঁছেছে পানি। পুরো জোয়ারে আবার প্লাবিত হয় জনবসতি।
সাদা থালায় চিংড়ির রেণু গুনছেন একজন।
ভাটায় নদের মধ্যে জেগেছে চর। তাতে ফুটবল খেলছে তরুণেরা।
নদের প্রায় তলদেশে স্বল্প পানিতে মানুষের জীবনযাত্রার খণ্ডচিত্র।
বাঁধ বাঁধার শ্রমিকেরা সকালের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিচ্ছেন। তাঁদের কাজ শুরু হয় ভোরে।