
নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন তাসনিম জারা। আবেদন করার পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে তিনি আইনি প্রক্রিয়ার লড়াইটা চালিয়ে যাবেন।
আজ বিকেল চারটার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে এসে তাসনিম জারা আপিল আবেদন জমা দেন। এ সময় সঙ্গে তাঁর আইনজীবী আরমান হোসেনসহ অন্যরা ছিলেন।
তাসনিম জারা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি তাসনিম জারা, ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলাম। সেটা আপাতত গৃহীত হয়নি। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আমরা আপিল করেছি।’
তাসনিম জারা বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, রিপোর্ট করেছেন যে একদম দেড় দিনের মাথায় প্রায় ৫ হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের স্বাক্ষর দিয়েছেন, অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন। নিজেরাই স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বুথ করেছেন, ভলান্টিয়ারিং করেছেন। তো এটার প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা আমাদের আইনি লড়াইটা চালিয়ে যাব। ওনারা চান—যাঁরা স্বাক্ষর করেছেন, এই প্রায় ৫ হাজার মানুষ এত অল্প সময়ে—ওনারা চান আমি যাতে নির্বাচনে কনটেস্ট (প্রতিদ্বন্দ্বিতা) করতে পারি। তো সে জন্য আমরা আপিল করেছি এবং আমরা আইনি প্রক্রিয়ার লড়াইটা চালিয়ে যাব।’
পরে তাসনিম জারার আইনজীবী আরমান হোসেন বলেন, প্রার্থিতার বিষয়ে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা এবং সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী ১ শতাংশ ভোটারের যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে সেটা শতভাগ সঠিক আছে। কিন্তু ভোটার ও প্রস্তাবকদের তালিকা সংগ্রহ করার সময় নির্বাচন কমিশনের কোনো ওয়েবসাইট কাজ করছিল না। সে কারণে প্রস্তাবক হিসেবে যিনি স্বাক্ষর করেছেন, তিনি প্রকৃত ঢাকা–৯ আসনের ভোটার কি না সেটা যাচাই করার সুযোগ ছিল না। যদিও স্বাক্ষরদাতারা এই আসনের ভোটার হিসেবে স্বাক্ষর করেছিলেন।
‘কিন্তু যেহেতু ওটা আমাদের ভেরিফাই করার সুযোগ ছিল না, সেই জায়গা থেকে আমাদের এই প্রবলেম ফেস করতে হচ্ছে। আমরা আশাবাদী খুব দ্রুতই এই আপিলের মাধ্যমে প্রবলেমটা সলভ করতে পারব।’
এই আপিলে জয়ী হওয়ার শতভাগ সম্ভাবনা আছে জানিয়ে এই আইনজীবী বলেন, ‘আমরা আইনগতভাবে আশা রাখতে পারি, আমাদের সে আত্মবিশ্বাস আছে যে এই আপিলে আমরা জয়ী হয়ে আসব। আপিলে জয়ী হওয়ার মাধ্যমে ডা. তাসনিম জারা আবার জনগণের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসনে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে।’