জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় গেটসংলগ্ন পদচারী–সেতুতে শাখা ছাত্রলীগের টানানো সেই ব্যানার। সকালে ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা এটি নামিয়ে পুড়িয়ে দেন। ছবি: ১৪ আগস্ট ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় গেটসংলগ্ন পদচারী–সেতুতে শাখা ছাত্রলীগের টানানো সেই ব্যানার। সকালে ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা এটি নামিয়ে পুড়িয়ে দেন। ছবি: ১৪ আগস্ট ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ব্যানার, পুড়িয়ে দিল ছাত্রদল

আগামীকাল ১৫ আগস্ট উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের টানানো একটি ব্যানার পুড়িয়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। আজ শুক্রবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় গেটসংলগ্ন বিশ্বজিৎ চত্বরের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বিশ্বজিৎ চত্বরের কাছে পদচারী–সেতুতে সকালে ‘শোক থেকে জাগরণ, জাগরণ থেকে প্রত্যাবর্তন’ স্লোগানসংবলিত একটি ব্যানার টানান শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক–ই–আতাহার মেসবাহ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান। খবর পেয়ে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল আউয়ালের নেতৃত্বে নেতা–কর্মীরা ব্যানারটি নামিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।

ব্যানার টানানোর বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা মেসবাহ বলেন, ‘১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গভীর শোকের দিন। এই দিন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ইতিহাস কখনো ভুলে যাওয়ার বিষয় নয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ পরিবারের সদস্যদের নির্মম হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গভীরতম ক্ষত হয়ে আছে। এই দিনে শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করার প্রত্যাশা করি।’

ব্যানার পুড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ‘ছাত্রলীগ বর্তমানে নিষিদ্ধঘোষিত একটি সংগঠন। নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো ধরনের কার্যক্রম বা প্রচার–প্রচারণা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মেনে নেওয়া হবে না। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এভাবে ব্যানার টানিয়ে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তা প্রতিহত করা হবে।’

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আজম খান বলেন, ‘নিষিদ্ধঘোষিত কোনো সংগঠনের ব্যানার বা প্রচার–প্রচারণা ক্যাম্পাসে করার সুযোগ নেই। বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ক্যাম্পাসে কোনো পক্ষই যেন এমন কোনো কর্মকাণ্ড না করে, যাতে শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হয় বা উত্তেজনা তৈরি হয়। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’