ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নুরুল হক। ২৯ আগস্ট
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নুরুল হক। ২৯ আগস্ট

গণ অধিকার পরিষদের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

গণ অধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান জি এম কাদেরসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলার আবেদন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরের পর ঢাকার রমনা থানায় এ মামলার আবেদন করেন ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তারুজ্জামান সম্রাট মাঝি।

মামলার আবেদনে জি এম কাদেরসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করার কথা বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ফারুক প্রথম আলোকে বলেন, ওই হামলার ঘটনাটি রমনা থানায় ঘটেনি। তারপরও মামলার আবেদনটি নেওয়া হয়েছে। আবেদনটি পর্যালোচনার পাশাপাশি ঘটনার ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছেও আবেদনটি পাঠানো হয়েছে। সবকিছু পর্যালোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গত ২৯ আগস্ট সন্ধ্যায় কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণ অধিকার পরিষদের একটি মিছিল যাওয়ার সময় সংঘর্ষে জড়ান দুই দলের নেতা-কর্মীরা। এ ঘটনার পর গণ অধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সামনে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা দলটির নেতা-কর্মীদের লাঠিপেটা করেন। তখন দলের সভাপতি নুরুল হক গুরুতর আহত হন।

ওই দিনের হামলা নিয়ে ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তারুজ্জামান সম্রাট মামলার আবেদনে বলেছেন, আওয়ামী লীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসী আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে জি এম কাদেরসহ অপর আসামিদের নেতৃত্বে হকিস্টিক, লাঠি, ইটপাটকেল এবং দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁকে এবং তাঁর সংগঠন ছাত্র অধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ এবং গণ অধিকার পরিষদের প্রায় ২০-৩০ জন নেতা-কর্মীকে গুরুতর আহত করে। তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে আসামিরা তাঁর মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করতে উদ্যত হলে তিনি ডান হাত দিয়ে প্রতিহত করেন। এতে তিনি ডান হাতের কবজিতে আঘাত পান।