জুরাইনে ঢাকা-৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জুরাইনে ঢাকা-৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বিকাশ নম্বর বা আইডি নম্বর চাইলে সতর্ক থাকবেন: তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘একটি দলের সদস্যরা আমাদের মা–বোনদের বিভ্রান্ত করছে। তাদের কাছে বিকাশ নম্বর চাইছে, আইডি (পরিচয়পত্র) নম্বর চাইছে…। এই সকল ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে।’

আজ সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর জুরাইনে ঢাকা-৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিনের নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, গত এক যুগের বেশি সময় ধরে শুধু জনগণের ভোটের অধিকারই নয়, তাদের গণতান্ত্রিক স্বাধীনতাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আবারও গণতন্ত্রের বিপক্ষে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।’

নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘১২ তারিখের নির্বাচনে আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে, চোখ-কান খোলা রাখতে হবে।’

নেতা–কর্মীদের ফজরের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘শুধু ভোরবেলায় গেলে হবে না, ফজরের নামাজ আদায় করে সবাই ভোটকেন্দ্রের সামনে গিয়ে দাঁড়াতে হবে। ভোট দিয়ে চলে আসলে হবে না, শেষ পর্যন্ত পাহারা দিতে হবে। কারণ, তাদের এত বুদ্ধি যে তারা ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করবে। কিন্তু জনগণ সামনে থাকলে সব ষড়যন্ত্র ইনশা আল্লাহ ব্যর্থ হয়ে যাবে।’

দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে বিএনপিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘দুর্নীতি যদি নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে যদি দেশকে বের করতে হয়, দেশে যদি আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে নিয়ে আসতে হয়…সেই অভিজ্ঞতা একমাত্র বিএনপিরই আছে।’

২০০১ সালে বিএনপির ক্ষমতায় আসার সময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘২০০১ সালে যখন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দেশের দায়িত্বভার পান, তখন বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন। যে স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে তারা দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করে রেখেছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া দায়িত্ব পাওয়ার পরে ধীরে ধীরে ২০০৬ সালে বাংলাদেশকে দুর্নীতির কালিমা থেকে মুক্ত করেছিলেন।’

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, সে সময় আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশকে বলা হতো ‘ইমার্জিং টাইগার’। শুধু তা–ই নয়, বিএনপি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছিল, দেশকে খাদ্য রপ্তানিকারক দেশে পরিণত করেছিল। দেশকে কর্মসংস্থানের দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল।

জনসভায় ঢাকা-৪ আসনের বিভিন্ন সমস্যা তারেক রহমানের সামনে তুলে ধরেন তানভীর আহমেদ রবিন। তখন সরকার গঠন করলে এই এলাকার এসব সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন বিএনপির চেয়ারম্যান।