মা ও ছেলেক্রীড়া প্রতিবেদক জাতীয় সাব-জুনিয়র চ্যাম্পিয়ন ফাহাদ হোসেন যখন দাবার বোর্ডে মগ্ন থাকেন, মা হামিদা খান টেনশনে এদিক-সেদিক পায়চারি করেন। ফেডারেশনের দাবাকক্ষে এই দৃশ্যটা খুব পরিচিত। তবে কাল দেখা গেল দুজনই মগ্ন দাবার বোর্ডে। ফাহাদ খেলছেন প্রিমিয়ার লিগে বশির মেমোরিয়ালের হয়ে। পাশেই বেগম লায়লা আলম মহিলা উন্মুক্ত রেটিং দাবায় খেলছেন হামিদা। মা ও ছেলের দিনটা গেল ভালোই। ফিদে মাস্টার মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে ড্র করেছে ফাহাদ, হোসাইন ফারজানার বিপক্ষে জিতেছেন হামিদা। তাহলে কি পরিণত বয়সে দাবাড়ু হতে চাইছেন হামিদা? ম্যাচ শেষে হেসে বললেন, ‘বসে থাকলেই টেনশন। তাই ভাবলাম খেলি।’বাবার প্রশংসাপোল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের পর থেকেই ‘ব্যাডবয়’ বালোতেল্লি ভাসছেন প্রশংসার জোয়ারে। তবে ম্যানচেস্টারে এসে পালক পিতা ফ্রাঙ্কো বালোতেল্লির প্রশংসাই হয়তো মারিও বালোতেল্লির মনে পড়বে বেশি। ছেলের খেলা দেখে অভিভূত ফ্রাঙ্কো গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্তকে বলেছেন, ‘ম্যাচের পরই মারিও আমাকে ফোন করেছিল, তার প্রথম প্রশ্ন “বাবা, আমি কেমন খেলেছি?” আমি বলেছি ‘আমি তোমাকে ১০-এ ৮ দেব। গোলের জন্য নয়, কারণ তুমি দলের হয়ে খেলেছ। শাবাশ!’ আজ উরুগুয়ের ম্যাচটি রোমে এসে দেখার অনুরোধ জানিয়েছিলেন মা-বাবাকে। ভ্রমণের ধকলের ভয়ে ৮২ বছর বয়সী ফ্রাঙ্কো আসেননি। তবে ছেলেকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, শিগগিরই ম্যানচেস্টারে গিয়ে দেখা করবেন। ওয়েবসাইট।সমালোচনারেফারিদের নিকুচি করেই যাচ্ছেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা। গত সপ্তাহে আল-জাজিরার কাছে আল ওয়াসল ১-০ গোলে হারলে রেফারির কড়া সমালোচনা করেন আর্জেন্টিনার সাবেক কোচ। রেফারির বিরুদ্ধে তোপ দাগালেন আবারও। এবার অবশ্য দল হারেনি। এমিরেটস কাপে আল আইনের বিপক্ষে জিতেছে ১-০ গোলে। কিন্তু এদিন আরও বেশি ক্ষিপ্ত ম্যারাডোনা প্রশ্ন তুলেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের রেফারিদের মান নিয়েই, ‘রেফারিদের কাছে আমার বার্তা—মান উন্নয়নের জন্য আমি তাদের সাহায্য এবং সমর্থন করতে চাই। তবে যা-ই ঘটুক না কেন, যদি তাদের সিদ্ধান্ত আমাদের বিরুদ্ধে যায়, আমরা আল ওয়াসলের খেলোয়াড়, স্টাফ, কর্মকর্তা এবং সমর্থকেরা এক হয়ে লড়াই করব এবং জিতব।’ ওয়েবসাইট।