
>ক্রিকেটারের বাইরে মহেন্দ্র সিং ধোনি একজন বাবা। আর বাবাদের কাছে কন্যাসন্তান সব সময়ই একটু বেশি স্নেহ পেয়ে থাকে। তিন বছর বয়সী কন্যাসন্তান জিভাকে দেখে ধোনিও সব ক্লান্তি ভুলে যান
ছেলেদের সঙ্গে মায়ের আত্মিক সংযোগটা একটু বেশিই; যেমনটা মেয়েদের সঙ্গে বাবার। মেয়েরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বাবা-ন্যাওটা। কিংবা উল্টোকরেও বলা যায়, বাবাদের আদর-স্নেহ কন্যার প্রতি যেন একটু বেশিই থাকে! মহেন্দ্র সিং ধোনিও তার ব্যতিক্রম নন। তিন বছরের মেয়ে জিভা তাঁর চোখের মণি। জাতীয় দল কিংবা আইপিএল জিভাকে প্রায়ই দেখা যায় ম্যাচ শেষে ধোনির কোলে। এর কারণ একটাই মেয়ে ধোনির ক্লান্তি ভোলার টনিক।
সারা দিনের পরিশ্রম শেষে বাসায় ফিরে কন্যার মুখ দেখে বাবারা সব ক্লান্তি ভুলে যান। ধোনির ক্ষেত্রেও ঠিক তা–ই। জিভাকে দেখলেই ধোনি সব ক্লান্তি ভুলে যান। জিভা এক কথায় ধোনির ‘ক্লান্তিনাশক’—এই কথাটা আর কেউ নয় ধোনি নিজেই বলেছেন। মুম্বাইয়ে এক অনুষ্ঠানে ভারতের এই সাবেক অধিনায়ক বলেন, ‘তার (জিভা) মতো কাউকে পাশে পাওয়া দারুণ ব্যাপার। সে ভীষণ প্রাণোচ্ছল। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর সারা দিন হাঁটাচলা করবে। তবে নিজের কাজকর্ম নিয়ে সে খুব সাবধান। তাই অতটা ভাবতে হয় না। তাকে পেলে আমি ক্লান্তি ভুলে যাই।’
খেলা শেষে মাঠের মধ্যে জিভাকে অনেকেই দেখেছেন। আইপিএলে ব্যাপারটা বেশি চোখে পড়েছে। এ ছাড়া গ্যালারিতে ধোনির জীবনসঙ্গী সাক্ষীর কোলেও দেখা যায় জিভাকে। ধোনির মতে, মাত্র বছর বয়সেই জনপ্রিয়তায় কন্যা তার বাবাকে ছাপিয়ে গেছে, ‘যেখানেই যাই, সবাই জিজ্ঞেস করে, জিভা কোথায়? সে কেমন আছে? আমি যেন কেউ না!’
অভিমানটা কপট হলেও ধোনির জীবনে জিভা চিরন্তন সত্যই।