
অস্ট্রেলিয়া: ৩৫৬/৬। জিম্বাবুয়ে: ২৭২। ফল: অস্ট্রেলিয়া ৮৪ রানে জয়ী।
ট্রাভিস হেড সেঞ্চুরি করেছেন আর অস্ট্রেলিয়া সেই ম্যাচ হেরে গেছে—এমন কখনো হয়নি।
হলো না আজও। হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৮৪ বলে ১১২ রানের ইনিংস খেলেছেন হেড। ম্যাচটি ৮৪ রানে জিতে এক ম্যাচ হাতে রেখে ২–০ ব্যবধানে সিরিজও জিতে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এটি ছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হেডের ২০তম সেঞ্চুরি। একটি টেস্টে ড্র, বাকি ১৯টিতেই জয়ের হাসিতে মাঠ ছেড়েছে তাঁর দল (১২ টেস্ট, ৮ ওয়ানডে)।
আজ টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল অস্ট্রেলিয়া। উদ্বোধনী জুটিতে হেড ও অধিনায়ক মিচেল মার্শ ১৯ ওভারে তোলেন ১৩০ রান। মার্শ ৬৩ বলে ৫৩ রান করে ওয়েলিংটন মাসাকাদজার বলে আউট হলেও থামেননি হেড।
৩২ বলে ফিফটি করা বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ৭৫ বলেই পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ১৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৪ বলে ১১২ রান করে আউট হন তিনি।
হেড ফেরার পর অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের দায়িত্ব নেন কুপার কনোলি। ৬৯ বলে ৭৮ রানের ইনিংসে ৩টি করে চার ও ছক্কা মেরেছেন তিনি। শেষ দিকে অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার রানকে আরও ওপরে তুলে দেন অলিভার পিক। মাত্র ১৮ বলে অপরাজিত ৪১ রান করেন এই তরুণ ব্যাটসম্যান।
ইনিংসের শেষ ওভারে ব্র্যাড ইভান্সকে তিনটি ছক্কা মেরে ২৪ রান তোলেন পিক। এতে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৫৬ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় অস্ট্রেলিয়া। এটি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ, আগের সর্বোচ্চ ছিল ২০১৪ সালে ৩৫০/৬।
৩৫৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে জিম্বাবুয়ে ২ উইকেটে ১০০ রানে পৌঁছালেও পরে আর তাল মেলাতে পারেনি। এক থেকে আট নম্বর পর্যন্ত সব ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছালেও কেউ ফিফটি করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ইনিংসের ৯ বল বাকি থাকতে ২৭২ রানে থামে দলটির ইনিংস।
অস্ট্রেলিয়া: ৫০ ওভারে ৩৫৬/৬ (হেড ১১২, কনোলি ৭৮, মার্শ ৫৩, পিক ৪১*; ইভানস ৩/৮৬, মাসাকাদজা ২/৫১)।
জিম্বাবুয়ে: ৪৮.৩ ওভারে ২৭২ (রাজা ৪৫, টেলর ৩৯, আরভিন ৩৮, কাইয়া ৩৪; কনোলি ২/২৫, রেনশ ২/৪৪, হ্যাজলউড ২/৪৮)।
ফল: অস্ট্রেলিয়া ৮৪ রানে জয়ী।