সাকিব আল হাসান
সাকিব আল হাসান

টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ

সাকিব এ যাত্রায় হয়তো বেঁচেই গেলেন

সাকিব আল হাসান সম্ভবত এবার সিংহাসনটা ধরে রাখছেন। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশি এই স্পিনারের উইকেট ৫০টি, যা এ টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ।

এবার টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে তাঁকে ছাড়িয়ে যাওয়ার দৌড়ে ছিলেন অ্যাডাম জাম্পা, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও রশিদ খান। এই তিন স্পিনারই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ায় আপাতত মনে হচ্ছে রেকর্ডটা সাকিবের কাছেই থাকছে।

রশিদের আফগানিস্তান ও জাম্পার অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপের সুপার এইটে উঠতে পারেনি। হাসারাঙ্গার গল্পটা অবশ্য ভিন্ন। তাঁর দল সুপার এইটে উঠলেও চোটের কারণে ছিটকে গেছেন তিনি। কলম্বোয় আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার প্রথম ম্যাচেই তিনি হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান। সেই চোটেই বিশ্বকাপ শেষ হয় এই লেগ স্পিনারের।

চোটের কারণে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা

অথচ বিশ্বকাপে হাসারাঙ্গা শুরুটা করেছিলেন দারুণ। প্রথম ম্যাচেই ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। ৩৭ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করা হাসারাঙ্গা থেমে থাকলেন ৪০–এ। অন্যদিকে বল হাতে দারুণভাবে টুর্নামেন্ট শেষ করেছেন জাম্পা।

কাল ওমানের বিপক্ষে উইকেট নিয়েছেন ৪টি। তাতে জাম্পার বিশ্বকাপে উইকেট দাঁড়িয়েছে ৪৪টি, সাকিবের পরই যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। জাম্পা টুর্নামেন্ট শুরু করেছিলেন ৩৬ উইকেট নিয়ে।

৩৭ উইকেট নিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা রশিদ এই টুর্নামেন্টে খুব একটা ভালো করতে পারেননি। ৪ ম্যাচে উইকেট নিয়েছেন ৬টি। ৪৩ উইকেট নিয়ে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারিদের মধ্যে তিনে আছেন রশিদ।

টুর্নামেন্টে টিকে থাকা বোলারদের মধ্যে সাকিবকে ছুঁতে পারেন দুজন। একজন দক্ষিণ আফ্রিকার আনরিখ নর্কিয়া, আরেকজন ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ। দুজনেরই উইকেট ৩৭টি করে।

আদিল রশিদ

লেগ স্পিনার আদিল রশিদ ইংল্যান্ডের মূল বোলার। এখন পর্যন্ত ৪ ম্যাচ খেলে উইকেট নিয়েছেন ৬টি। ইংল্যান্ড যদি ফাইনাল খেলে তাহলে তিনি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবেন সর্বোচ্চ ৫টি। এই ৫ ম্যাচে সাকিবকে ছাড়াতে ১৪ উইকেট লাগবে তাঁর। কাজটা একটু না, বেশ কঠিন।

নর্কিয়া এখন পর্যন্ত ম্যাচ খেলেছেন একটি। উইকেট নিয়েছেন দুটি। তাঁর জন্যও সমীকরণ আদিল রশিদের মতোই। তবে নর্কিয়ার দক্ষিণ আফ্রিকা ফাইনালে যদি খেলেও তিনি নিজে কতটি ম্যাচে একাদশে থাকবেন সেটি একটা প্রশ্ন। তাই সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে সাকিব নিরাপদ দূরত্বেই আছেন।