টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন
টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন

লিটনের কাছে কী চান নাজমুল

২০২৫ সালের জুনে হঠাৎ করেই নাজমুল হোসেনের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব—ওয়ানডেতে অধিনায়ক করা হয় মেহেদী হাসান মিরাজকে। অভিমানে নাজমুল তখন টেস্টের অধিনায়কত্বও ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন।

পরে অবশ্য বিসিবির অনুরোধে তিনিই দায়িত্ব চালিয়ে যান, ছিলেন ওয়ানডে দলের সহ–অধিনায়কও। গত এক বছর ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দেওয়া মেহেদী হাসান মিরাজের জায়গায় গতকাল ওয়ানডের নতুন অধিনায়ক করা হয়েছে লিটন দাসকে। গুঞ্জন ছিল ওয়ানডের অধিনায়ক হিসেবে ফিরতে পারেন নাজমুল। কিন্তু বিসিবি সে পথে যায়নি।

এ নিয়ে নাজমুলেরও কোনো ক্ষোভ আছে বলে মনে হলো না। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজ অস্ট্রেলিয়া সফরপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ওয়ানডে অধিনায়কত্ব নিয়ে এক প্রশ্নে নাজমুল নতুন অধিনায়ক লিটনকে অভিনন্দনই জানিয়েছেন। সঙ্গে জানিয়েছেন, বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল বিষয়টি নিয়ে আগেই তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন।

এক ফ্রেমে নাজমুল ও লিটন

নাজমুল বলেছেন, ‘তামিম ভাইয়ের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এ বিষয়ে পরিষ্কার ছিলাম। লিটনকে অভিনন্দন। আমার মনে হয়, টি-টোয়েন্টি দলটাকে যেভাবে গত কয়েক বছরে সে একটা ভালো জায়গায় নিয়ে এসেছে, ওয়ানডে দলটাকেও সেভাবে ভালো একটা জায়গায় নিয়ে যাবে।’

ওয়ানডেতে ১৪ ম্যাচ নেতৃত্ব দিয়ে মাত্র চারটি জয় পেলেও নাজমুলের নেতৃত্বগুণ নিয়ে কারোই সংশয় নেই। তবু ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে বিসিবি লিটনকে বেছে নিয়েছে সাদা ও লাল বলের সংস্করণে আলাদা অধিনায়ক রাখতে।

লিটন টি–টুয়েন্টির পাশাপাশি ওয়ানডে দলেরও দায়িত্ব পেলেও টেস্ট অধিনায়ক এখনো নাজমুলই। সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে সিরিজটি হলে সেটি হবে ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে লিটনের প্রথম সিরিজ।

লাল বল ও সাদা বলের ক্রিকেটে ভিন্ন ভিন্ন অধিনায়ক নিয়ে মতামত জানতে চাইলে নাজমুল বলেছেন, ‘কতজন অধিনায়ক থাকলে ভালো হতো বা কী হলে ভালো হতো, এ ব্যাপারে দলের জন্য যেটা ভালো, ক্রিকেট বোর্ড এবং যাঁরা ম্যানেজমেন্টে আছেন, তাঁরা সে সিদ্ধান্তই নিয়েছেন। আমি বিশ্বাস করি, তাঁরা আলোচনা করেই সিদ্ধান্তটা নিয়েছেন।’