
১০২ বল খেলেছেন, করেছেন ৮৩ রান। নিক কেলি উইকেটে ছিলেন ৩৬.৩ ওভার, সময়ের হিসাবে অন্তত দুই ঘণ্টা তো হবেই। তাতে আবহাওয়ার ঝাঁজটা ভালোই টের পাওয়ার কথা নিউজিল্যান্ডের এই ব্যাটসম্যানের।
তা তিনি পেয়েছেনও। গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহ কাকে বলে সেটি টের পেয়েছেন কেলি। এ কারণেই তাঁর বিস্ময়টা বেড়েছে আরও। এমন গরমেই যে বাংলাদেশের পেসার নাহিদ রানা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বোলিং করে গেলেন।
সেই বিস্ময়ের কথাটা তিনি শোনালেন ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে এসেও, ‘আমি সেখানে কিছুক্ষণ ব্যাটিং করেছি। এই গরমে দৌড়ে এসে এত জোরে বোলিং করার কথা আমি ভাবতেই পারি না। প্রচণ্ড, প্রচণ্ড গরম।’
এ কারণেই তাঁত এমন বিস্ময়, ‘আমি আগেও বলেছি, সে ইনিংসের প্রথম বল থেকেই বেশ ভালো গতিতে বল করতে থাকে। টানা চার ঘণ্টা কড়া রোদে মাঠে থাকার পর প্রথম বল থেকে একদম শেষ বল পর্যন্ত ওই একই গতিতে বোলিং করার ক্ষমতা সত্যিই দারুণ।’
নাহিদ রানা বল হাতে নিউজিল্যান্ডের জন্য রীতিমতো আতঙ্কই ছড়িয়ে গেছেন। আলাদা চার স্পেলে উইকেট নিয়েছেন, সব মিলিয়ে ১০ ওভারে মাত্র ৩২ রান খরচ করেই তিনি পেয়েছেন ৫ উইকেট। নিউজিল্যান্ডকে দুই শর আগেই আটকে রাখার সবচেয়ে বড় কৃতিত্বটা তাঁর।
কেলি বাংলাদেশের ফাস্ট বোলারের প্রশংসাও একটু কার্পণ্য করেননি, ‘সে খুবই প্রতিভাধর। ভালো গতিতে বল করে এবং আমার মনে হয় আজকের উইকেট তাকে বেশ সহায়তা করেছে। উইকেটে তার জন্য বাড়তি কিছু সুবিধা ছিল, ঘাসের পরিমাণও একটু বেশি ছিল। সে প্রায় ১৪০ থেকে ১৫০ এর মধ্যে গতিতে বল করার পাশাপাশি সুইংও করিয়েছে।’
এ জন্য বাংলাদেশ অধিনায়কেরও কৃতিত্ব আছে বলেই মনে করেন কেলি, ‘নাহিদ উইকেট নেওয়া বোলার। অধিনায়ক তাঁকে ছোট ছোট স্পেলে ব্যবহার করেছে। এসেই জোরে বল করেছে, কিছু ঘটানোর চেষ্টা করেছে। সে প্রথম ম্যাচেও ভালো বল করেছিল, আমরা কেবল তাঁকে একটু ভালো সামলেছিলাম।’