
শুরুটা হয়েছিল এশিয়া কাপে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপে তিনবার মুখোমুখি হয়েছিল ভারত–পাকিস্তান। কোনো ম্যাচেই টসের সময় হাত মেলাননি দুই অধিনায়ক, করমর্দন দেখা যায়নি ম্যাচের শেষেও। পরে একই চিত্র দেখা গেছে ভারত–পাকিস্তানের নারী বিশ্বকাপ, অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ, অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ এবং রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপের ম্যাচেও।
আগামীকাল কলম্বোয় টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখোমুখি হতে চলেছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। এবার কি হাত মেলাতে দেখা যাবে? প্রশ্নটা উঠেছে আজ কলম্বোয় পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আগার সংবাদ সম্মেলনে। জবাবে তিনি ক্রিকেটীয় চেতনার পক্ষেই ব্যাট ধরেছেন।
এশিয়া কাপে হাত না মেলানোর সিদ্ধান্তটি এসেছিল ভারতের দিক থেকে। গত বছরের মে মাসে সংঘাতে জড়িয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। সেটিরই জেরে সৌজন্যতার করমর্দন এড়িয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব।
আজ কলম্বোয় পাকিস্তান দলের অনুশীলন শুরুর আগে অধিনায়ক সালমান আগা হাত মেলানোর পক্ষেই নিজের মতামত দিয়েছেন, ‘খেলাটি একই স্পিরিট নিয়ে খেলা উচিত। আমি কী প্রত্যাশা করি, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে আমার মনে হয়, ক্রিকেটের শুরু থেকে যেভাবে খেলা হয়ে আসছে, সেভাবেই এটি খেলা উচিত।’
নিজের মতামত তুলে ধরে হাত না মেলানোর সিদ্ধান্তের বিষয়টি অন্য পক্ষের ওপর নির্ভর করছে বলে মনে করিয়ে দিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক, ‘বাকিটা তাদের ওপর এবং তারা যা করতে চায়, তার ওপর নির্ভর করছে।’
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক সংবাদিক জিজ্ঞেস করেন, ভারতীয় খেলোয়াড়েরা এগিয়ে এলে পাকিস্তান হাত মেলাতে রাজি হবে কি না। জবাবে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ উত্তর না দিয়ে ধোঁয়াশাই রেখে দিয়েছেন সালমান, ‘আমরা আগামীকাল জানতে পারব।’