৫ ছক্কা খেয়ে হতাশ যশ দয়াল
৫ ছক্কা খেয়ে হতাশ যশ দয়াল

‘ভয় পেয়ো না, আমি আসছি’, ৫ ছক্কা খাওয়া দয়ালকে সান্ত্বনা তাঁর বাবার

দুজনের দুই রকমের সময় কাটছে। ৫ বলে টানা ৫ ছক্কা মেরে প্রশংসায় ভাসছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের ব্যাটসম্যান রিংকু সিং। অন্যদিকে রিংকুর কাছে ৫ ছক্কা খাওয়া গুজরাট টাইটানসের পেসার যশ দয়ালের সময় কাটছে হতাশায়। চারদিক থেকে শুনছেন সান্ত্বনার কথা।

আহমেদাবাদে গুজরাটের বিপক্ষে জয়ের জন্য শেষ ৫ বলে কলকাতার প্রয়োজন ছিল ২৮ রান। প্রায় হারতে বসা সেই ম্যাচে টানা ৫ ছক্কায় কলকাতাকে ম্যাচ জিতিয়েছেন রিংকু। সেই ৫ বলে যশ দয়াল কখনো ইয়র্কার, কখনো স্লোয়ার দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। ঠিকভাবে তা দিতে পারেননি।

ম্যাচ শেষে যেন হতাশায় ভেঙে পড়েছিলেন যশ। টেলিভিশনে যশকে কাঁদতেও দেখা গেছে। কান্নার সেই ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এমন সময়ে যশ দয়াল সবচেয়ে বড় সান্ত্বনা বা সাহসের বাণী হয়তো শুনেছেন আহমেদাবাদ থেকে অনেক মাইল দূর এলাহাবাদ থেকে।

যশের ৫ বলে ৫ ছক্কা মেরে জয়ের পর কলকাতার উল্লাস

যশ দয়ালকে এলাহাবাদ থেকে সান্ত্বনা দিয়েছেন তাঁর বাবা চন্দরপল দয়াল। সেদিন আইপিএলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খরুচে বোলিং (০/৬৯) করা দয়ালকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য আগেই আত্মীয়দের বলেছেন চন্দরপল দয়াল, ‘আমি তাদের (আহমেদাবাদে খেলা দেখতে যাওয়া যশ দয়ালের আত্মীয়) বলেছি ওর সঙ্গে কথা বলে অনুপ্রাণিত করতে। ও হয়তো খুব ভেঙে পড়বে। ও এমনিতেই কম কথা বলে। একটু অন্তর্মুখী ধরনের লোক।’

চন্দরপল এরপর যশ দয়ালকে অভয় দিয়েছেন এই বলে, ‘ভয় পেয়ো না। ক্রিকেটে এটা নতুন কিছু নয়। বোলাররা মার খাবেই। এটা বড় বোলারদের ক্ষেত্রেও ঘটেছে। কঠিন পরিশ্রম করে যাও। বোঝার চেষ্টা করো, ভুলটা কোথায় হচ্ছে। ওকে বলেছি যে আমি আসছি।’