কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯২ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিল নিউজিল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে ১৪৯ রানে অলআউট হয়ে যাওয়া জিম্বাবুয়ের বড় রানের নিচে চাপা পড়ার ভয়টাও নিশ্চয়ই বাড়ছিল।
তবে বুলাওয়ে টেস্টের দ্বিতীয় দিনটা বোলিংয়ে ভালোই কেটেছে তাঁদের। নিউজিল্যান্ডের ১০ উইকেটই তুলে নিয়ে অলআউট করেছে ৩০৭ রানে। তবে জিম্বাবুয়ে এরপরও স্বস্তিতে নেই। ১৫৮ রানে পিছিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরুর পর ৩১ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে স্বাগতিকেরা। ইনিংস হার এড়াতে এখনো ১২৭ রান করতে হবে জিম্বাবুয়েকে।
দিনের প্রথম বলেই ৭০ বলে ৪১ রান করা উইল ইয়ংকে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়েকে প্রথম উইকেট এনে দেন ব্লেসিং মুজারাবানি। এরপর ৬৬ রানের জুটি গড়েন হেনরি নিকোলস ও ডেভন কনওয়ে। এবারও জিম্বাবুয়ের ত্রাতা হন মুজারাবানি। ৫৬ বলে ৩৪ রান করা হেনরি নিকোলসকে ফেরান ব্রায়ান বেটের ক্যাচ বানিয়ে।
এরপর কনওয়ে ১৭০ বলে ৮৮ রান করে তানাকা চিবাঙ্গার বলে ফিরে গেলে আরও চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড। সেই চাপ সামলে নেওয়ার চেষ্টাটা করতে পেরেছেন শুধু ড্যারিল মিচেল। শেষের দিকের ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মিছিলের মধ্যে ১১৯ বলে ৮০ রান করে নিউম্যান নিমহারির বলে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন তিনি।
নিউজিল্যান্ডের শেষ ৬ ব্যাটসম্যানের মাত্র দুজন দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পেরেছেন—মিচেল স্যান্টনার (৩০ বলে ১৯) ও রিটায়ার্ড হার্ট হওয়া নাথান স্মিথ (৭৯ বলে ২২)। জিম্বাবুয়ের হয়ে মুজারাবানি তিনটি আর চিবাঙ্গা দুটি উইকেট নিয়েছেন।
প্রথম ইনিংসে দেড় শর বেশি রানে পিছিয়ে পড়া জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২৯ রানের মধ্যেই হারায় দুই ওপেনারকে। এর মধ্যে বেন কারেনকে ও’রুর্কের ক্যাচ বানিয়ে আউট করেন ম্যাট হেনরি, বেনেটকে উইকেটকিপারের ক্যাচ বানান ও’রুর্ক।
নিক ওয়েলচ ১৮ বলে ২ আর ভিনসেন্ট মাসেকেসা ১৩ বলে শূন্য রানে অপরাজিত থেকে কাল তৃতীয় দিন শুরু করবেন।
জিম্বাবুয়ে: ১৪৯ ও ১৩ ওভারে ৩১/২ (বেনেট ১৮, কারেন ১১; হেনরি ১/১১, ও’রুর্ক ১/১৮)। নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংস: ৯৬.১ ওভারে ৩০৭ (কনওয়ে ৮৮, মিচেল ৮০, ইয়ং ৪১, নিকোলস ৩৪; মুজারাবানি ৩/৭৩, চিবাঙ্গা ২/৫১)। *জিম্বাবুয়ে ১২৭ রানে পিছিয়ে।