
মিরপুর টেস্টে আজ চতুর্থ দিনে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসেও হাফ সেঞ্চুরি মুমিনুল হকের। টেস্ট ক্যারিয়ারে তাঁর ২৭তম হাফ সেঞ্চুরি এটি। এর কিছুক্ষণ পরই অবশ্য আউট হয়ে গেছেন ৫৬ রানে। টেস্টে এই নিয়ে টানা পাঁচ ইনিংসে ফিফটি করলেন মুমিনুল।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে গত বছরের নভেম্বরে টেস্ট সিরিজে তিন ইনিংসে ফিফটি করেছিলেন। সিলেটে এক ইনিংসই ব্যাটিং করেছিল বাংলাদেশ, তাতে করেছিলেন ৮২। এরপর মিরপুর টেস্টের দুই ইনিংসে ৬৩ ও ৮৭।
চলমান মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ৯১, পরের ইনিংসেও হাফ সেঞ্চুরি করার পর আপনার মনে প্রশ্ন জাগাই স্বাভাবিক—টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের আর কোনো ব্যাটসম্যান কি টানা পাঁচ ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি করেছেন? উত্তর হলো, তামিম ইকবাল। ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মার্চ থেকে জুনের মধ্যে টানা পাঁচ ইনিংসে পঞ্চাশোর্ধ রান করেছিলেন তামিম ইকবাল। এর মধ্যে লর্ডস ও ম্যানচেস্টারে বিখ্যাত সেই দুই সেঞ্চুরিও আছে।
টানা ফিফটির অভ্যাস মুমিনুলের ক্যারিয়ারে নতুন নয়। ২০১৩ ও ২০১৪ সাল মিলিয়ে টানা ১১ টেস্টে ফিফটি করেছিলেন মুমিনুল। বাংলাদেশের আর কোনো ব্যাটসম্যানের এমন কীর্তি নেই। আর একটি ম্যাচে ফিফটি করলে বিশ্ব রেকর্ডও ছুঁয়ে ফেলতেন মুমিনুল। টানা ১২ টেস্টে ফিফটির বিশ্ব রেকর্ড তখন ছিল দক্ষিণ আফ্রিকান কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্সের, পরে তা করেছেন ইংল্যান্ড কিংবদন্তি জো রুটও।
টেস্টে সর্বোচ্চ টানা ৭ ইনিংসে ন্যূনতম ফিফটির রেকর্ড যৌথভাবে ছয়জনের—ওয়েস্ট ইন্ডিজের এভারটন উইকস ও শিবনারায়ণ চন্দরপল, শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা, ইংল্যান্ডের ক্রিস রজার্স, জিম্বাবুয়ের অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার ও ভারতের লোকেশ রাহুলের। তাঁদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিন ইনিংসে সেঞ্চুরি ছিল সাঙ্গাকারা ও উইকসের। সাঙ্গাকারার একটি সেঞ্চুরি ছিল আবার ট্রিপল, সেটিও বাংলাদেশের বিপক্ষে।