নোয়াখালীকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে চট্টগ্রাম
নোয়াখালীকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে চট্টগ্রাম

বিপিএল: মেহেদীর ছক্কায় চট্টগ্রামের জয়, নোয়াখালীর বিদায়

মাঠের খেলা মাঠে ফিরছে

ক্রিকেটারদের বয়কটের পর আবার শুরু হচ্ছে বিপিএল। মাঠের প্রস্তুতি শেষ। উইকেট তৈরি আছে, মাঠকর্মীরা শেষ মুহূর্তে বাকি মাঠ সাজাতে ব্যস্ত। দুই দলের ক্রিকেটাররা ওয়ার্ম আপ সেরে নিয়েছেন, মাঠে আসতে শুরু করেছেন দর্শকরাও।

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের মুখে হাসি

সৌম্যকে ফেরালেন মেহেদী

নোয়াখালী : ৪.২ ওভারে ৪৫/১

প্রথম তিন ওভারে ৩৪ রান করে ভালো শুরু পেয়েছিল নোয়াখালী। কিন্তু চতুর্থ ওভারে বোলিংয়ে এসে সৌম্যকে ফেরান স্পিনার মেহেদী হাসান। ফেরার আগে ৮ বলে সৌম্য করেছেন ১৪ রান।

১৪ রান করেছেন সৌম্য

ফিরলেন হাসান ইসাখিলও

নোয়াখালী: ৭ ওভারে ৫৯/২

২০ বলে ২৫ রান করে ফিরলেন হাসান ইসাখিল। শরীফুলের স্লোয়ারে পাওয়ার প্লের শেষ বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছেন ইসাখিল।

অধিনায়ক টু অধিনায়ক

নোয়াখালী: ১০ ওভারে ৭৯/২

মেহেদী এবার ফেরালেন হায়দার আলী। নোয়াখালীর অধিনায়ক হায়দার ১২ রান করে চট্টগ্রাম অধিনায়ক মেহেদীর বলে আউট হয়েছেন।

২৩ রানে আউট জাকের

নোয়াখালী: ১১ ওভারে ৮৬/৪

উইকেটে এসেছিলেন তিন নম্বরে। বড় ইনিংস খেলার সুযোগ ছিল জাকের আলীর। তাঁর জন্য একটা বড় ইনিংস দরকারও ছিল। সেটা তিনি আর করতে পারেননি। ২১ বলে ২৩ রান করে আমের জামালের বলে এলবিডব্লু হয়েছেন।

মেহেদীর তৃতীয় শিকার

নোয়াখালী: ১৪ ওভারে ৯৪/৬

ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান আজ উইকেটে এসেছিলেন পাঁচ নম্বরে। ক্রিজে আসার পর থেকেই বড় শট খেলার চেষ্টা করছিলেন হাবিবুর। এর আগে তানভীরের বলে একবার জীবনও পেয়েছেন। তবে এবার আর নয়!

মেহেদীর বলে ১১ রান করে তানভীরের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি।

টানা দুই বলে উইকেট শরীফুলের

নোয়াখালীর ইনিংসে এবার জোড়া আঘাত হানলেন শরীফুল। পরপর দুই বলে তিনি ফিরিয়েছেন হাসান মাহমুদ ও মেহেদী হাসান রানাকে। ৩ ওভারে ৮ রান দিয়ে এই ম্যাচে এখন পর্যন্ত শরীফুলের উইকেট ৩টি। ১৬ ওভারে নোয়াখালীর রান ৮ উইকেটে ১০৬।

এবারের বিপিএলে সব মিলিয়ে শরীফুলের উইকেটসংখ্যা এখন ১৬টি।

শরীফুল: ৫/৯

৩.৫ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়েছেন শরীফুল। তাঁর বোলিং তোপে নোয়াখালী গুটিয়ে গেছে ১২৬ রানে। এবারের বিপিএলে শরীফুলের উইকেট এখন ১৮টি, যা টুর্নামেন্ট সর্বোচ্চ।

নোয়াখালীর কেউই আজ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। সর্বোচ্চ ২৫ রান করেছেন হাসান ইসাখিল। ২৩ রান করেছেন জাকের।

নোয়াখালীর অন্য বোলাররাও দারুণ করেছেন। স্পিনার মেহেদী হাসান ১২ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

নোয়াখালী এক্সপ্রেস : ১৮.৫ ওভারে ১২৬ (ইসাখিল ২৫, জাকের ২৩; শরীফুল ৫/৯, মেহেদী ৩/১২)।

শরীফুলের রেকর্ড

বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে বিপিএলের সবচেয়ে কম রান খরচ করে ৫ উইকেট নিয়েছেন শরীফুল ইসলাম। আগে এই রেকর্ডটি ছিল আবু হায়দারের। ২০২৪ সালে ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে রংপুরের হয়ে ১২ রান দিয়ে ৫ উইকেট পেয়েছিলেন তিনি।

বিপিএলের ইতিহাসের সেরা বোলিং ফিগারটা বাংলাদেশের তাসকিন আহমেদের। গত বছর দুর্বার রাজশাহীর হয়ে ১৯ রানে ৭ উইকেট পেয়েছিলেন তাসকিন।

শরীফুলের ৫ উইকেট এসেছে যে বলে

ফিরলেন মাহমুদুল

ম্যাচ জিততে নোয়াখালীর ডিফেন্ড করতে হবে মাত্র ১২৬ রান। তা করতে নতুন বলে উইকেট দরকার তাদের। পেসার হাসান মাহমুদ সেই কাজটা করেছেন। মাহমুদুল হাসানকে স্লিপে হাবিবুর রহমানের ক্যাচে পরিণত করেছেন হাসান।

প্রথম ওভারেই উইকেট নিয়েছেন হাসান মাহমুদ

মাহমুদুলের পর ফিরলেন হারিস

চট্টগ্রাম: ২ ওভারে ১১/২

এবার আউট হলেন মোহাম্মদ হারিসও। ৭ রান করে ইহসানউল্লাহর বলে ক্যাচ দিয়েছেন হারিস।

৮ বলে ০

চট্টগ্রাম: ৪ ওভারে ২৩/৩। লক্ষ্য: ১২৭।

রান তাড়ার শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। প্রথম দুই ওভারে দুই উইকেট হারানোর পর চতুর্থ ওভারে আরেকটি হারিয়েছে তারা। ইহসানউল্লাহর বলে কাভারে সহজ ক্যাচ দিয়েছেন মাহফিজুল ইসলাম। রীতিমতো হাঁসফাঁস করতে করতেই আউট হয়েছেন ২১ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান। ৮ বল খেলে শুন্য।

ছক্কার পর নাঈমেরও বিদায়

চট্টগ্রাম: ৫ ওভারে ৩৮/৪। লক্ষ্য: ১২৭।

এক প্রান্তে উইকেট–মিছিলের মধ্যে মোহাম্মদ নাঈম চাইলেন প্রতি–আক্রমণ করতে। মিডিয়াম পেসার সাব্বির হোসেনের প্রথম বলে ছক্কাও মারলেন। পরের বলে আবার মারতে গিয়ে ক্যাচ দিলেন লং অফে। ২৯ রানে ৪ উইকেট নেই চট্টগ্রাম রয়্যালসের।

উইকেটে আছেন হাসান নেওয়াজ ও মেহেদী হাসান।

চট্টগ্রামের ৫০

চট্টগ্রাম: ৭ ওভারে ৫২/৪। লক্ষ্য: ১২৭।

ইনিংসের সপ্তম ওভারে পঞ্চাশের মাইলফলক ছুঁয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। ব্যাটিংয়ে আছেন মেহেদী (১৩ বলে ১৪ রান) ও নেওয়াজ (৭ বলে ৭)।

ভাঙল ৪০ রানের জুটি

চট্টগ্রাম: ১১ ওভারে ৭৭/৫। লক্ষ্য: ১২৭।

চট্টগ্রামকে জয়ের আশা দেখানো পঞ্চম উইকেট জুটি ভেঙে গেছে। জহির খানের বলে জাকের আলীর হাতে স্টাম্পড হয়েছেন হাসান নেওয়াজ। ভেঙেছে নেওয়াজ–মেহেদীর ৪০ রানের জুটি, চট্টগ্রামের রান ৫ উইকেটে ৬৯।

এরপর ব্যাটিংয়ে নেমেছেন আসিফ আলী। ইহসানউল্লাহর বলে তাঁকে এলবিডব্লু দিয়েছিলেন আম্পায়ার, তবে রিভিউ নিয়ে বেঁচেছেন।

চট্টগ্রামের ১০০

চট্টগ্রাম: ১৪ ওভারে ১০১/৫। লক্ষ্য: ১২৭।

রান তাড়ায় তিন অঙ্কের মাইলফলক ছুঁয়েছে চট্টগ্রাম। জয়ের জন্য শেষ ৩৬ বলে দলটির দরকার ২৬ রান। ব্যাটিংয়ে আছেন আসিফ আলী ও মেহেদী হাসান।

মেহেদী–আসিফের জুটিতে এক শ ছুঁয়েছে চট্টগ্রাম

৫ উইকেটে জিতল চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম: ১৭ ওভারে ১২৮/৫। নোয়াখালী: ১৮.৫ ওভারে ১২৬।

ইহসানউল্লাহর অফ স্টাম্পর বাইরের বল টেনে মিড উইকেট বাউন্ডারির ওপর দিয়ে পা দিয়ে পাঠালেন মেহেদী হাসান। ছক্কা।

এই ছক্কাতেই জয় নিশ্চিত হয়েছে চট্টগ্রামের। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ১২৬ রান তাড়া করতে নেমে মেহেদীর দল লক্ষ্যে পৌঁছে গেছে ১৮ বল আর ৫ উইকেট হাতে রেখে।

চট্টগ্রামের কাছে ৫ উইকেটে হেরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিপিএলের লিগ পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের। তবে প্রথমবার বিপিএলে নাম লেখানো দলটির এখনও একটি ম্যাচ বাকি আছে।

মেহেদী–আসিফের বড় জুটিতে জয় পেয়েছে চট্টগ্রাম

রান তাড়ায় চট্টগ্রামের শুরুটা ভালো ছিল না। ২৯ রানেই হারিয়ে ফেলেছিল ৪ উইকেট। সেখান থেকে চট্টগ্রামকে জয় পর্যন্ত টেনে নিয়েছে অধিনায়ক মেহেদীর ব্যাট। তাঁকে সঙ্গ দিয়েছেন প্রথমে হাসান নেওয়াজ, এরপর আসিফ আলী।

মেহেদী–নেওয়াজের পঞ্চম উইকেট জুটিতে উঠেছিল ৩১ বলে ৪০ রান, এরপর মেহেদী–আসিফের অবিচ্ছিন্ন ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ৪৫ বলে ৫৯ রান।

ছক্কায় জয়ের মুহূর্ত এনে দেওয়া মেহেদী মাঠ ছেড়েছেন ৩৬ বলে ৪৯ রানে। আসিফ অপরাজিত থেকেছেন ৩০ বলে ৩৬ রানে।

অষ্টম ম্যাচের ষষ্ঠ জয়ে নেট রানরেটে এগিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। সমান পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়রস। নোয়াখালী ৯ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ৬ দলের মধ্যে সবার শেষে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

নোয়াখালী এক্সপ্রেস: ১৮.৫ ওভারে ১২৬ (ইসাখিল ২৫, জাকের ২৩; শরীফুল ৫/৯, মেহেদী ৩/১২)। চট্টগ্রাম রয়্যালস: ১৭ ওভারে ১২৮/৫ (মেহেদী ৪৯*, আসিফ ৩৬*, নাঈম ১৮; ইহসানউল্লাহ ২/২৩, হাসান ১/১৭)। ফল: চট্টগ্রাম রয়্যালস ৫ উইকেটে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: শরীফুল ইসলাম।