বরিশাল ও খুলনার ম্যাচের ফল হয়ে গেছে তিন দিনেই। জাতীয় ক্রিকেট লিগের প্রথম রাউন্ডের অন্য তিন ম্যাচই হয়েছে ড্র। আজ শেষ দিনে এই তিন ম্যাচের দুটিই শেষ হয়েছে তিন ইনিংস খেলা হয়ে।
৬ রানেই ৩ উইকেট পড়ে গিয়েছিল রংপুরের। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ঢাকার বিপক্ষে শেষ দিনে অল্প রানে অলআউট হয়ে গেলে ম্যাচটা তাদের হাত থেকে ছিটকেও যেতে পারত। কিন্তু রংপুরের জন্য ত্রাতা হয়েছেন অধিনায়ক আকবর আলী। তাঁর ১৩২ বলে ৬৪ রানের ইনিংসে শেষ বেলা পর্যন্ত ব্যাট করে রংপুর লিড নেয় ২০৫ রানের। কিন্তু সেটি টপকাতে ঢাকা দিনের শেষবেলায় ৫ ওভারও ব্যাট করার সুযোগ পায়নি। ম্যাচ হয়ে যায় ড্র।
দলের অন্য ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার দিনে এক প্রান্তে আগলে রাখেন আকবর। ৫৬ রানে এগিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামা রংপুর ৪২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক। অন্য ব্যাটসম্যানদের মধ্যে চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ানই কিছুটা সঙ্গ দিতে পারেন আকবরকে, ৬৯ বল খেলে তিনি করেন ২৭। রংপুর ১৪৯ রানে অলআউট হওয়ার সময় দিনের খেলার আর অল্পই বাকি ছিল। ৪.১ ওভারে ঢাকা ৯ রান করলে চতুর্থ দিনের খেলা শেষ হয়ে যায়।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ময়মনসিংহের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়েই নামা হয়নি সিলেটের। ময়মনসিংহ প্রথম ইনিংসে ৩১১ রান করার পর সিলেট করে ৩২৭ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ময়মনসিংহ ৩২৭ রানে অলআউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ম্যাচ অমীমাংসিত রেখে শেষ হয়ে যায় শেষ দিনের খেলা।
দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি পেয়েছেন তৃতীয় দিন শেষে ৮৬ রানে অপরাজিত থাকা ময়মনসিংহের মাহফিজুল ইসলাম। ১৯৭ বলে ঠিক ১০০ রান করে নাঈম আহমেদের বলে বোল্ড হয়ে যান তিনি। সিলেটের অফ স্পিনার নাঈম ৪০ ওভারে ১১৯ রান দিয়ে নেন ৫ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে ময়মনসিংহের আরিফুল ৭২ ও আব্দুল মজিদ ৮৭ রান করেন।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম–রাজশাহীর ম্যাচও শেষ হয়েছে তিন ইনিংসে। রাজশাহীর দ্বিতীয় ইনিংস অনেকটাই ম্যাড়মেড়ে ছিল। ইনিংসে একমাত্র ফিফটিটি (৫১) এসেছে জাতীয় দলের একসময়ের তারকা ক্রিকেটার সাব্বির রহমানের ব্যাট থেকে। ৮ উইকেটে ২২৪ রানে থামে রাজশাহী।
৩ উইকেট করে পান চট্টগ্রামের দুই স্পিনার আশরাফুল ইসলাম ও হাসান মুরাদ। এর আগে রাজশাহী প্রথম ইনিংসে ৩৬৪ রান করার পর সাদিকুর রহমান ও মাহমুদুল হাসানের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রাম প্রথম ইনিংসে করে ৩৯৩ রান।