মিরপুরে আজ ‘ফাইনাল’। বাংলাদেশ অথবা পাকিস্তান, তৃতীয় ওয়ানডেটা যারাই জিতবে, জিতে নেবে তিন ম্যাচের সিরিজটা।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছিল ৮ উইকেটে। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ হেরেছে ১২৮ রানে।
সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে টসে হেরে ব্যাটিং করবে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ দলে কোনো পরিবর্তন আসেনি। পাকিস্তান দলে পরিবর্তন এসেছে তিনটি। অভিষেক হচ্ছে মুহাম্মদ গাজী ঘোরি ও সাদ মাসুদের। বাদ পড়েছেন শামিল হোসেন ও হুসেইন তালাত। হুসেইন তালাত গত ম্যাচে চোটে পড়েছেন। দলে ফিরেছেন স্পিনার আবরার আহমেদ।
বাংলাদেশ একাদশ: সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাওহিদ হৃদয়, আফিফ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা।
পাকিস্তান একাদশ: সাহিবজাদা ফারহান, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটকিপার), মুহাম্মদ গাজী ঘোরি, সাদ মাসুদ, সালমান আগা, আবদুল সামাদ, ফাহিম আশরাফ, শাহিন আফ্রিদি (অধিনায়ক), হারিস রউফ, আবরার আহমেদ।
পাকিস্তান সিরিজের আগে বাংলাদেশ তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে ৭২টি, এর ১৭টিতে প্রথম দুই ম্যাচ শেষে ছিল ১-১ সমতা। এর আটটিতে শেষ ম্যাচ জিতে সিরিজের ট্রফি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ। হেরেছে নয়টি সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে।
আবহাওয়ার সংবাদবিষয়ক ওয়েবসাইট আকুওয়েদারের খবর অনুযায়ী, ঢাকায় আজ বৃষ্টির সম্ভাবনা ৫৫ শতাংশ। বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা আছে ৫২ শতাংশ।
ম্যাচ শুরু হবে বেলা ২টা ১৫ মিনিটে। এ সময়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক কম, ১৪ শতাংশ। তবে সময় যেতে যেতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। আকুওয়েদারের খবর অনুযায়ী, বিকেল ৪টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা ৪৩ শতাংশ, ৫টায় হবে ৪৭ শতাংশ আর ৬টায় এটি বেড়ে দাঁড়াবে ৫১ শতাংশে।
বাংলাদেশ: ৩ ওভারে ১৮/০
সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসানের ওপেনিং জুটি প্রথম ৩ ওভার থেকে তুলেছে ১৮ রান। ৮ বলে ১১ রানে অপরাজিত তানজিদ, ১০ বলে ৬ রানে সাইফ।
বাংলাদেশ: ৭ ওভারে ৪০/০
একটি মেরেছেন ফাইন লেগ অঞ্চল দিয়ে আরেকটি ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে। দুটোই মেরেছেন পেসার হারিস রউফের বলে। রউফ যে নতুন বলের নিয়মিত বোলার নন, তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। সঠিক লাইন এবং লেংথ বজায় রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন।
তানজিদ ২৭ রান অপরাজিত, সাইফ ১২ রানে।
বাংলাদেশ: ১০ ওভারে ৫০/০
নেতৃত্ব দিচ্ছেন তানজিদ, সঙ্গ দিচ্ছেন সাইফ। ৩০ রানে অপরাজিত আছেন তানজিদ, সাইফ ১৭ রানে।
বাংলাদেশ: ১৩ ওভারে ৭৭/০
ফাহিম আশরাফ থেকে তানজিদ হাসান, ছক্কা!
লেগ স্টাম্পের ওপর শর্ট লেংথ ডেলিভারি, তানজিদ হুক শট খেলে ফাইন লেগ দিয়ে মারলেন ছক্কা। ইনিংসে এটি তাঁর চতুর্থ ছক্কা।
৪৭ রানে অপরাজিত তানজিদ।
বাংলাদেশ: ১৬ ওভারে ৮৭/০
ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ষষ্ঠ ফিফটি পেয়েছেন তানজিদ। ৪৭ বলে ফিফটি করার পথে চারটি ছক্কা ও তিনটি চার মেরেছেন। সিরিজের প্রথম ম্যাচেও ফিফটি পেয়েছিলেন এই ওপেনার। অপরাজিত ছিলেন ৬৭ রানে।
বাংলাদেশ: ১৯ ওভারে ১০৯/১
ইনিংসটা বড় করতে পারলেন না সাইফ। ফিরলেন ৩৬ রানে।
আফ্রিদির বলে বড় শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হয়েছেন এই ওপেনার। বড় ইনিংস না খেলতে পারলেও তানজিদকে সঙ্গ দিয়েছেন সাইফ। গড়েছেন শতরানের জুটি।
বাংলাদেশ: ২৫ ওভারে ১৩৮/১
সাইফ হাসান ফিরে যাওয়ার পর এবার নাজমুলকে নিয়ে বড় জুটি গড়ার চেষ্টা করছেন তানজিদ হাসান। রান তোলার হারও অবশ্য কমে গেছে।
ইনিংসের অর্ধেক ওভার শেষে বাংলাদেশ করেছে ১৩৮ রান। তানজিদ ৭২ বলে ৭৫ আর নাজমুল ২৩ বলে ২১ রানে ব্যাট করছেন।
বাংলাদেশ: ২৮ ওভারে ১৫৩/১
২৮তম ওভারের শেষ বলে হারিস রউফকে চমৎকার একটি কাভার ড্রাইভে চার মেরেছেন তানজিদ। এই বাউন্ডারিতে বাংলাদেশের রান দেড় শর ঘর ছুঁয়েছে। তানজিদ ব্যাট করছেন ৮৪ বলে ৮৬ রানে। নাজমুল আছেন ২৯ বলে ২৪ রানে।
হারিস রউফের বলে এলবিডব্লিউ হয়েছেন নাজমুল। রউফের ভেতরে ঢোকা গতিময় বলটিতে সময়মতো ব্যাট নিতে পারেননি, আবেদনের পরপরই আঙুল তুলেছেন আম্পায়ার। বলটির গতি ছিল ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার।
নাজমুল অবশ্য রিভিউ নিয়েছিলেন। তাতে কাজ হয়নি। নাজমুল ফিরেছেন ৩৪ বলে ২৭ রানে। এ নিয়ে সর্বশেষ ১২ ইনিংসেই ফিফটির আগে আউট হলেন নাজমুল।
৫৩ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি ভাঙার পর ব্যাটিংয়ে নেমেছেন লিটন দাস। সঙ্গে ৮৮ রান করা তানজিদ।
বাংলাদেশ: ২৯.২ ওভারে ১৫৮/২
রউফের শর্ট পিচ ডেলিভারিতে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ দিয়েছিলেন লিটন। ফিল্ডার ছিলেন সাদ মাসুদ। বল তাঁর মাথার ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় এক হাতে ধরার চেষ্টা করতে গিয়ে পারেননি। ৩ রানে জীবন পেলেন লিটন।
বাংলাদেশ: ৩১.৩ ওভারে ১৬৬/২
ছিলেন ৯৪ রানে। সালমান আগাকে ছক্কা মেরে ১০০–তে পৌঁছেছেন তানজিদ হাসান। এটি ওয়ানডেতে তাঁর প্রথম সেঞ্চুরি। ৯৮ বলে ৭ ছক্কা আর ৬ চারে এসেছে সেঞ্চুরিটি।
৩৩তম ওভারের শেষ বলটি ডাউন দ্য উইকেটে এসে খেলেছেন তানজিদ, লং অফে ফিল্ডার থাকলেও বল সীমানা পেরিয়েছে নিরাপদ উচ্চতা দিয়ে।
বাংলাদেশ: ৩৩ ওভারে ১৭৭/২
বাংলাদেশ: ৩৬.২ ওভারে ১৯৪/৩
সেঞ্চুরির পর ইনিংসটা লম্বা হলো না তানজিদের। আবরার আহমেদের বলে শর্ট কাভারে সোজা শাহিন আফ্রিদির হাতে ক্যাচ। কী বলে কী শট খেললেন, নিজেই হতবাক তানজিদ।
স্পিন না করা সাদামাটা এক ডেলিভারিতে আউট হওয়ার আগে তানজিদ ১০৭ বলে ১০৭ রান করেছেন।
৩৮তম ওভারের প্রথম বলে দুই শ রানের মাইলফলক ছুঁয়েছে বাংলাদেশ। আফ্রিদির বলে থার্ড ম্যান দিয়ে বাউন্ডারি পেয়েছেন হৃদয়, এটি তাঁর প্রথম বাউন্ডারি।
হৃদয়ের সঙ্গে ১৬ রানে ব্যাট করছেন লিটন দাস।
বাংলাদেশ: ৩৮ ওভারে ২০৫/৩
বাংলাদেশ: ৪৫ ওভারে ২৫১/৩
২০০ থেকে ২৫০–এ পৌঁছাতে লম্বা সময়ই লাগল বাংলাদেশের। হাতে উইকেট থাকলেও সর্বশেষ ৫০ রান তুলতে লিটন ও হৃদয়ের লেগেছে ৪৭ বল। দেখার বিষয়, শেষ পাঁচ ওভারে কত দূর এগোতে পারবে বাংলাদেশ?
লিটন ৪৫ বলে ৩৬ আর হৃদয় ২৯ বলে ২৬ রানে ব্যাট করছেন।
স্লগ করতে গিয়ে আউট হয়েছেন লিটন দাস। হারিস রউফের স্লোয়ার ডেলিভারি খেলেছিলেন স্কয়ার বাউন্ডারির দিকে, জায়গায় দাঁড়িয়ে সহজ ক্যাচ নিয়েছেন গাজী ঘোরি।
৫১ বল খেলা লিটন ৪১ রান করেছেন ১টি করে চার ও ছয়ে।
লিটন ফেরার পর মাঠে নামেন রিশাদ। প্রথম বলেই বোল্ড। হ্যাটট্রিক সম্ভাবনার বলে অবশ্য আফিফ হোসেন টিকে গেছেন।
রউফের ওভারটিতে বাংলাদেশ করতে পেরেছে মাত্র ৪ রান, উইকেট হারিয়েছে দুটি।
বাংলাদেশ: ৪৭ ওভারে ২৬৪/৫
৪৯তম ওভারে ৫ আর ৫০ ওভারে ৮—শেষ দুই ওভারে মাত্র ১৩ রান তুলতে পেরেছে বাংলাদেশ। তাতে তিন শর মাইলফলক ছোঁয়া হয়নি। ৫০ ওভার শেষে বাংলাদেশ করতে পেরেছে ৫ উইকেটে ২৯০। হৃদয় ৪৪ বলে ৪৮ আর আফিফ ৮ বলে ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন।
বাংলাদেশের ইনিংস গড়ে উঠেছে তানজিদ হাসানকে কেন্দ্র করে। বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যান উদ্বোধনী জুটিতে সাইফ হাসানকে নিয়ে গড়েন ১০৫ রানের জুটি, এরপর দ্বিতীয় উইকেটে নাজমুলের সঙ্গে গড়েন ৫৩ রানের জুটি।
দুটি বড় জুটিতে ভূমিকা রাখা তানজিদ ৯৮ বলে করেন সেঞ্চুরি, যা তাঁর ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম।
১০৭ রান করে তানজিদের বিদায়ের পর ইনিংসের বাকি অংশ এগিয়ে তাওহিদ হৃদয়কে কেন্দ্র করে। মাঝে ৬৮ রানের জুটিতে তাঁকে সঙ্গ দিয়েছেন লিটন দাস। শেষ দশ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৭৭ রান যোগ করতে পেরেছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ২৯০/৫ (তানজিদ ১০৭, হৃদয় ৪৮*, লিটন ৪১, সাইফ ৩৬, নাজমুল ২৭; রউফ ৩/৫২)।
রান তাড়ায় নামা পাকিস্তানের প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। সাহিবজাদা ফারহানকে উইকেটকিপার লিটনের ক্যাচ বানিয়েছেন তাসকিন আহমেদ।
ওভারের চতুর্থ বলে লং অন দিয়ে চার মেরেছেন ফারহান। তাসকিন পরের বলটি রাখেন অফ স্টাম্পের বাইরে, ভেতরে ঢোকা বলটি একটু বেশিই লাফিয়ে উঠে ফারহানের ব্যাট ছুঁয়ে পেছনে লিটনের হাতে যায়। ২৯০ রান তাড়ায় ৬ রানে প্রথম উইকেট হারিয়েছে পাকিস্তান।
পাকিস্তান: ১ ওভারে ৬/১। লক্ষ্য: ২৯১
নিজের প্রথম ওভারে উইকেট পেলেন নাহিদ রানাও। শর্ট ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে বল ঠিকমতো ব্যাটে নিতে পারেননি মাজ সাদাকাত। বল গ্লাভসে লেগে ওপরে লিটনের হাতে জমা পড়ে। আগের ম্যাচে ৭৫ রান করা সাদাকাত এবার আউট হয়েছেন ৫ বলে ৬ রান করে। রানগুলো এসেছে দুই বল আগে নাহিদকে মারা ছক্কা থেকে।
প্রথম দুই ওভারে দুই ওপেনারকে হারানোর পর পাকিস্তানের হয়ে ব্যাটিংয়ে এখন রিজওয়ান ও গাজী ঘোরি।
পাকিস্তান: ২ ওভারে ১৬/২। লক্ষ্য: ২৯১
পাকিস্তান: ৩ ওভারে ১৭/৩। লক্ষ্য: ২৯১
টানা তৃতীয় ওভারে উইকেট হারাল পাকিস্তান। এবার তাসকিনের বলে রিজওয়ান বোল্ড!
ব্যাট–প্যাডের ফাঁক গলে আঘাত হানা বলে অফ স্টাম্প উপড়ে গেছে। রিজওয়ান ফিরেছেন ৪ বলে ৪ রানে। ১৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারাল পাকিস্তান।
প্রথম তিন ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ফেলার পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান। অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা গাজী ঘোরিকে নিয়ে জুটি গড়েছেন এই সিরিজেই ওয়ানডে অভিষেক হওয়া আবদুল সামাদ। দুজনের অবিচ্ছিন্ন চতুর্থ উইকেট জুটিতে এখন পর্যন্ত উঠেছে ২৬ রান।
বাংলাদেশের হয়ে এখন পর্যন্ত তিনজন বল হাতে নিয়েছেন। তাসকিন ৪ ওভার করে ১৫ রানে নিয়েছেন দুই উইকেট, নাহিদ ৩ ওভারে ২১ রানে ১। মোস্তাফিজুর রহমান উইকেট না পেলেও তিন ওভারে দিয়েছেন মাত্র ৭ রান। প্রথম পাঁচ ওভারে ৩৫ রান করা পাকিস্তান পরের ৫ ওভারে নিতে পেরেছে মাত্র ৮ রান।
পাকিস্তান: ১০ ওভারে ৪৩/৩। লক্ষ্য: ২৯১
পাকিস্তান: ১৪ ওভারে ৬৭/৪। লক্ষ্য: ২৯১
ঠিক আগের বলেই জুটির ফিফটি পূর্ণ হয়েছে। তবে পাকিস্তানের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা আবারও ধাক্কা খেয়েছে। নাহিদ রানার শিকার হয়ে ড্রেসিংরুমের পথ ধরতে হয়েছে গাজী ঘোরিকে।
৫০ রানের জুটিটি ভেঙেছে বোল্ডে। অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা ঘোরি ব্যাটে দিয়ে বল স্টাম্পে টেনে এনেছিলেন। ৩৯ বলে ২৯ রান এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। পাকিস্তানের নতুন ব্যাটসম্যান আগা সালমান।
পাকিস্তান: ১৭.৪ ওভারে ৮২/৫। লক্ষ্য: ২৯১
ম্যাচে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ আরও বেড়েছে। এবার পঞ্চম উইকেট হারিয়েছে পাকিস্তান, নিয়েছেন মোস্তাফিজ। উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন আবদুল সামাদ (৪৫ বলে ৩৪ রান)।
পাকিস্তান: ২১ ওভারে ১০৩/৫। লক্ষ্য: ২৯১
প্রায় তিন শ ছুঁই রান তাড়ায় ২১তম ওভারে ১০০ ছুঁয়েছে পাকিস্তান। ৮২ রানে পঞ্চম উইকেট হারানোর পর এখন ক্রিজে আছেন আগা সালমান ও সাদ মাসুদ।
পাকিস্তানের ইনিংসের অর্ধেক ওভার শেষ। ৫ উইকেট হারিয়েছে ১২৩ রান করেছে দলটি। জয়ের জন্য এখনও দরকার ১৬৮ রান।
এই মুহূর্তে ব্যাট করছেন সালমান আগা ও সাদ মাসুদ। বাংলাদেশের হয়ে বোলিং করছেন রিশাদ হোসেন ও তাসকিন আহমেদ।
পাকিস্তান: ২৫ ওভারে ১২৩/৫। লক্ষ্য: ২৯১
পাকিস্তান: ৩১.২ ওভারে ১৬১/৬। লক্ষ্য: ২৯১
অবশেষে ভাঙল পাকিস্তানকে আশা দেখানো জুটি। মোস্তাফিজের বলে বোল্ড হয়েছেন সাদ মাসুদ।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা মাসুদ আগা সালমানের সঙ্গে ষষ্ঠ উইকেটে গড়েছেন ৭৯ রানের জুটি। তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৪৪ বলে ৩৮ রান।
নতুন ব্যাটম্যান ফাহিম আশরাফ। আগা সালমান ব্যাট করছেন ৪৬ বলে ৪১ রানে।
রিশাদকে লং অফের ওপর দিয়ে ছক্কা মেরে ফিফটি পূর্ণ করেছেন সালমান আগা। তাঁকে কেন্দ্র করে রান তাড়ার পথে এগোচ্ছে পাকিস্তান।
সালমানের সঙ্গে ব্যাট করছেন ফাহিম আশরাফ। বাংলাদেশের দরকার এখন রান আটকানো এবং উইকেট নেওয়া।
পাকিস্তান: ৩৬ ওভারে ১৮৪/৬। লক্ষ্য: ২৯১
বাংলাদেশের মতো ৩৮তম ওভারে দুই শর মাইলফলক ছুঁয়েছে পাকিস্তানও। পার্থক্য হচ্ছে বাংলাদেশের চেয়ে পাকিস্তান ৩ উইকেট বেশি হারিয়েছে।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জয়ের মধ্যে এই মুহূর্তে ‘কি ফিগার’ হয়ে উঠেছেন সালমান আগা। আগের ম্যাচে ৬২ রান করা এই ব্যাটসম্যান আজও ফিফটি করেছেন। তাঁর সঙ্গে সপ্তম উইকেটে আছেন ফাহিম আশরাফ।
পাকিস্তান: ৩৯ ওভারে ২০৬/৬। লক্ষ্য: ২৯১
বিপজ্জনক হয়ে ওঠা সালমান–আশরাফ জুটি ভাঙলেন তাসকিন আহমেদ। নতুন স্পেলে বোলিং করতে এসে তৃতীয় বলেই আশরাফকে বোল্ড করেছেন তাসকিন। ভেঙেছে সালমানের সঙ্গে তাঁর ৪৮ রানের জুটি।
আশরাফের আউটে পাকিস্তানের টেল এন্ডার এখন ব্যাটিংয়ে। নতুন ব্যাটসম্যান শাহিন আফ্রিদি। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখেছেন সালমান আগা।
পাকিস্তান: ৪০ ওভারে ২১১/৭। লক্ষ্য: ২৯১
ছক্কায় ফিফটি পূর্ণ করেছিলেন, এবার ছক্কা মেরে সেঞ্চুরিতেও পৌঁছালেন সালমান আগা। নাহিদ রানার শর্ট লেন্থের বল ফ্লিক শটে উইকেটকিপারের মাথার ওপর দিয়ে বাউন্ডারি ছাড়া করেছেন তিনি।
ফিফটি করতে ৬০ বল লাগলেও পরের মাইলফলকে পৌঁছাতে মাত্র ২৯ বল লেগেছে সালমানের। বাংলাদেশের জয়ের পথে বড় কাঁটাও এখন ডানহাতি এ ব্যাটসম্যানই।
পাকিস্তান: ৪৫ ওভারে ২৪৬/৭। লক্ষ্য: ২৯১
অবশেষে সালমানকে আউট করতে পারল বাংলাদেশ। তাসকিনের বলে যেভাবে ব্যাটে লাগাতে চেয়েছেন পারেননি, বল উঠে যায় ওপরে। মিড উইকেট বাউন্ডারি থেকে ভেতরের থেকে দৌড়ে এসে ক্যাচ নিয়েছেন নাজমুল। সালমান ফিরেছেন ৯৮ বলে ১০৬ রান করে। তাসকিনের এটি চতুর্থ উইকেট।
পাকিস্তান: ৪৭.৪ ওভারে ২৬১/৮। লক্ষ্য: ২৯১
৪৯তম ওভারের পঞ্চম বলে পায়ে আঘাত পেয়েছেন মোস্তাফিজ। শাহিন আফ্রিদির সোজাসুজি খেলা শট বোলার মোস্তাফিজের হাঁটুর ঠিক ওপরের অংশে সরাসরি লেগেছে। সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে শুয়ে পড়েন মোস্তাফিজ। চিকিৎসকেরা মাঠে এসে কয়েক মিনিট সময় নিয়ে তাঁকে বোলিংয়ের জন্য প্রস্তুত করেছেন।
উঠে দাঁড়িয়ে শেষ বল করেছেন মোস্তাফিজ। আর সেই বলে লং অনে ক্যাচ তুলে আউট হয়েছেন হারিস রউফ।
শেষ ওভারে পাকিস্তানের দরকার ১৪ রান।
পাকিস্তান: ৪৯ ওভারে ২৭৭/৯। লক্ষ্য: ২৯১
পাকিস্তানের দরকার ১৪ রান। বোলার রিশাদ হোসেন। ব্যাটসম্যান শাহিন আফ্রিদি ও আবরার আহমেদ।
প্রথম বল: ডট। রক্ষণাত্মক খেলেছেন আফ্রিদি। রান নেওয়ার চেষ্টা করেননি।
দ্বিতীয় বল: ডট। ক্যাচ তুলেছেন আফ্রিদি। বলের নিচে সময়মতো পৌঁছালেও ধরতে পারেননি রিশাদ।
তৃতীয় বল: দুই রান। লং অনে খেলে দুই রান আফ্রিদির।
চতুর্থ বল: ডট। বল উইকেটকিপারের হাতে।
পঞ্চম বল: ডট। লেগ স্টাম্পের বাইরে। আম্পায়ার দেন ওয়াইড। তবে বল আফ্রিদির ব্যাটে লেগেছে দাবিতে রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। রিভিউ সফল।
ষষ্ঠ বল: আউট। ডাউন দ্য উইকেটে এসে বল মিস করেছেন আফ্রিদি। লিটন স্টাম্পড করেছেন। শেষ উইকেটটিও হারাল পাকিস্তান।
২৭৯ রানে অলআউট পাকিস্তান। ১১ রানে জিতল বাংলাদেশ।
শেষ ওভারে পাকিস্তানের দরকার ছিল ১৪ রান। বাংলাদেশের বোলার ছিলেন রিশাদ হোসেন।
নিজের প্রথম ৬ ওভারে ৫৪ রান দেওয়া এই স্পিনার শেষ ওভারে করলেন সেরা বোলিংটা। কোনো বাউন্ডারি তো হজম করেনইনি, দিয়েছেন মাত্র ২ রান। এমনকি শেষ বলে স্টাম্পড আউট করেছেন শাহিন আফ্রিদিকেও, যিনি আগের ওভারেই মোস্তাফিজকে দুটি ছক্কা মেরেছেন।
শেষের এমন দুর্দান্ত সমাপ্তিতে পাকিস্তানকে ২৭৯ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ ম্যাচ জিতেছে ১১ রানে। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৮ উইকেটের জয় থাকায় বাংলাদেশ তিন ম্যাচের সিরিজটা জিতেছে ২–১ ব্যবধানে।
বাংলাদেশের আজকের জয়ের নায়ক দুজন। ব্যাট হাতে তানজিদ হাসান, বল হাতে তাসকিন আহমেদ। তানজিদের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরিতে চড়ে বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৯০ রানের পুঁজি গড়ে।
এরপর বল হাতে পাওয়ারপ্লেতেই পাকিস্তানকে বড় ধাক্কা দেন তাসকিন। নিজের প্রথম দুই ওভারে তুলে নেন দুই উইকেট। ইনিংসের প্রথম তিন ওভারে তিন উইকেট হারানো পাকিস্তান সালমান আগার ব্যাটে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলে। ৪৮তম ওভারে এই সালমানকে ফিরিয়েই (১০৬ রান) বাংলাদেশের জয়ের পথ পরিষ্কার করেন তাসকিন। এর আগে ফাহিম আশরাফকে ফিরিয়ে ভাঙেন একটি বড় জুটিও। সব মিলিয়ে ৪ ওভারে ৪৯ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন এই পেসার। তবে ম্যাচসেরার স্বীকৃতি উঠেছে স্কোরবোর্ডে ভালো পুঁজি এনে দিতে মূল ভূমিকা রাখা তানজিদই।
বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ২৯০/৫ (তানজিদ ১০৭, হৃদয় ৪৮*, লিটন ৪১, সাইফ ৩৬, নাজমুল ২৭; রউফ ৩/৫২)।
পাকিস্তান: ৫০ ওভারে ২৭৯ (সালমান ১০৬, মাসুদ ৩৮, আফ্রিদি ৩৭, সামাদ ৩৪; তাসকিন ৪/৪৯, মোস্তাফিজ ৩/৫৪, নাহিদ ২/৬২)।
ফল: বাংলাদেশ ১১ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: তানজিদ হাসান।
সিরিজ: তিন ম্যাচ সিরিজে বাংলাদেশ ২–১ ব্যবধানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য সিরিজ: তানজিদ হাসান ও নাহিদ রানা।