সিরিজ শুরু ভরাডুবিতে। হেডিংলিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাকিস্তান হেরেছে ইনিংস ব্যবধানে, সেটাও তিন দিনেই। ছন্দহীন পাকিস্তান দল লর্ডস টেস্টের আগে পেল সুখবর।
সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে চোট কাটিয়ে ফিরছেন পাকিস্তানের টেস্ট অধিনায়ক বাবর আজম, জানিয়েছে ক্রিকেট পোর্টাল ক্রিকইনফো।
বাবর ভুগছেন আঙুলের চোটে। গত জুলাই-আগস্টে হওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে চোটটি পেয়েছিলেন তিনি। পরে বেকেনহ্যামে পাকিস্তানের প্রস্তুতি ম্যাচে আঙুলে আবার আঘাত পান।
তবে এখন অনুশীলন করছেন বাবর। পুরোদমে তাঁর অনুশীলনই আশাবাদী করছে পাকিস্তানকে। দলের বোলিং কোচ উমর গুল জানিয়েছেন, ‘বাবর নেটে ব্যাটিং করেছে। সে পেসার, স্পিনার ও থ্রোডাউনের বিপক্ষে ব্যাট করেছে। আমরা আশাবাদী, সে ম্যাচে খেলতে পারবে। আজ সে নেটে ভালো ব্যাটিং করেছে। পূর্ণাঙ্গ ব্যাটিং সেশন করেছে।’
বাবরের ফেরাটা পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের জন্য বড় স্বস্তি হতে পারে। হেডিংলিতে প্রথম টেস্টের দুই ইনিংসেই পাকিস্তানকে ভুগিয়েছে তাদের ব্যাটিং। সেই টেস্টে দুই ইনিংসে পাকিস্তানকে অলআউট করতে ইংল্যান্ডের লেগেছে ৮৬ ওভারের কম। দুই ইনিংস মিলিয়ে পাকিস্তান এর চেয়ে কম ওভারে অলআউট হয়েছে মাত্র চারবার। বাবর দলে ফিরলে কি ব্যাটিং সমস্যা দূরে হবে পাকিস্তানের? কে জানে!
এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন বাবর। দুই ফিফটিসহ ১৯৩ রান করেছিলেন তিনি। আউট হয়েছেন মাত্র দুবার।
গুল অবশ্য বাবরের খেলা নিয়ে এখনো সরাসরি নিশ্চিত করেননি। তবে বাবরের ফেরাটা নিশ্চিত বলেই জানিয়েছে ক্রিকইনফো।
লর্ডসে ফিরলেন অধিনায়ক হয়েই ফিরবেন বাবর। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের আগে তাঁকে অধিনায়ক করা হয়েছিল। ইংল্যান্ডে এই প্রথম পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেবেন তিনি।
২০২০ সালে পাকিস্তানের ইংল্যান্ড সফর শেষ হওয়ার পরই প্রথমবার অধিনায়কত্ব পেয়েছিলেন বাবর। বাবরের ফেরায় পাকিস্তানের ব্যাটিং অর্ডারেও পরিবর্তন আসবে। আজান আওয়াইসের একাদশ থেকে বাদ পড়ার সম্ভাবনা আছে।
ইংল্যান্ডের মাটিতে বাবরের রেকর্ডও ভালো। ছয় ইনিংসে তিনটি ফিফটি আছে। ব্যাটিং গড় ৬৫.৭৫।
সব মিলিয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৪ ইনিংসে বাবরের গড় ৫৩.৮৩। এর মধ্যে সাত ইনিংসেই তিনি ফিফটি বা সেঞ্চুরি পেয়েছেন।