টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ

শ্রীলঙ্কার রান ৭ ওভারে ৫৬, পাকিস্তানের লক্ষ্য ১৪৭ রানের মধ্যে আটকানো

শ্রীলঙ্কার ৫০

শ্রীলঙ্কা: ৭ ওভারে ৫৬/২।

সপ্তম ওভারে পঞ্চাশে পৌঁছেছে শ্রীলঙ্কা। ম্যাচ জিততে তাদের করতে হবে ২১৩ রান। তবে অন্তত ১৪৮ রান করলেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাবে পাকিস্তানের। শ্রীলঙ্কার বিদায় নিশ্চিত হয়েছে আগেই। পাকিস্তান বিদায় নিলে সুপার এইটের গ্রুপ টু থেকে ইংল্যান্ডের সঙ্গী হিসেবে সেমিফাইনালে উঠবে নিউজিল্যান্ড।

মিশারা করেন ২৬ রান

আবরারের প্রথম বলে উইকেট

শ্রীলঙ্কা: ৫ ওভারে ৩৭/২।

বোলিংয়ে এসে প্রথম বলে উইকেট নিয়েছেন আবরার আহমেদ। তাঁর বলে বোল্ড হয়েছেন কামিল মিশারা। আউট হওয়ার আগপর্যন্ত পাকিস্তানকে ভুগিয়েছেন বাঁহাতি এ ওপেনারই। শাহিন আফ্রিদির দ্বিতীয় ওভার থেকে দুই চার এক ছক্কাসহ নিয়েছেন ১৫ রান। সব মিলিয়ে করেছেন ১৫ বলে ২৬ রান।

তবে পাকিস্তানের সেমিফাইনালে ওঠার পথ এখনও কঠিনই। শ্রীলঙ্কাকে আটকাতে হবে ১৪৭ রানের মধ্যে।

আবরারের ওভারের শেষ বলে রান আউটের সুযোগ নষ্ট করেছেন শাদাব খান। থ্রোয়ে সরাসরি স্টাম্প ভাঙতে পারলে আউট হতেন আসালাঙ্কা।

শুরুতেই উইকেট

শ্রীলঙ্কা: ২ ওভারে ১০/১।

শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানের মধ্যে আটকানোর লক্ষ্য নিয়ে বোলিং করতে নেমে শুরুতেই উইকেট পেয়েছে পাকিস্তান। নাসিম শাহর বলে এক্সট্রা কাভারে নেওয়াজের হাতে সহজ ক্যাচ দিয়েছেন পাতুম নিশাঙ্কা (৭ বলে ৩ রান)।

নাসিমের ওভারে ১ উইকেট এসেছে ৫ রানে। এর আগে প্রথম ওভারে ৫ রান দেন শাহিন আফ্রিদি।

ফারহানের বিশ্বকাপ রেকর্ড

সেঞ্চুরিতে বিশ্বকাপ–রেকর্ড গড়েছেন সাহিবজাদা ফারহান। আরেকটি রেকর্ড গড়েছেন এক আসরে সর্বোচ্চ রানেও। বিস্তারিত পড়ুন এখানে: ফারহানের রেকর্ড: কোহলিকে ছাড়িয়ে, গেইলের পাশে

শ্রীলঙ্কাকে আটকাতে হবে ১৪৭ রানের মধ্যে

সেমিফাইনালে উঠতে হলে পাকিস্তানকে অন্তত ৬৫ রানে জিততে হবে। যার অর্থ, লঙ্কানদের ১৪৭ বা তার কম রানের মধ্যে আটকাতে হবে।

শ্রীলঙ্কা এর চেয়ে বেশি রান করলে পাকিস্তান বাদ পড়ে যাবে। সেমিফাইনালে খেলবে নিউজিল্যান্ড।

শ্রীলঙ্কাকে ২১৩ রানের লক্ষ্য দিল পাকিস্তান

পাকিস্তান: ২০ ওভারে ২১২/৮।

শেষ দুই ওভারে মাত্র ১৪ রান তুলতে পেরেছে পাকিস্তান। সব মিলিয়ে দলটির সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৮ উইকেটে ২১২।

দুই ওপেনার ফারহান ও ফখরের জুটিই পাকিস্তানকে দুই শ পার করিয়ে দিতে বড় ভূমিকা রেখেছেন। ১৬তম ওভারে ভাঙার আগে দুজনের জুটি থেকে ১৭৬ রান পেয়েছে পাকিস্তান, যা টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসেরই সর্বোচ্চ।

ফখর ৪২ বলে ৮৪ রান করে আউট হলেও ফারহান তিন অঙ্ক পর্যন্ত পৌঁছেছেন। শেষ ওভারের প্রথম বলে আউট হওয়ার আগে তিনি ৬০ বলে ১০০ রান করে যান। শেষ পাঁচ ওভারের মধ্যে ৮ উইকেট হারিয়ে ৪৯ রান যোগ করতে পেরেছে পাকিস্তান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

পাকিস্তান: ২০ ওভারে ২১২/৮ (ফারহান ১০০, ফখর ৮৪, উসমান ৮*; মাদুশঙ্কা ৩.৩৩, শানাকা ২/৪২)।

পাকিস্তানের দুই শ

পাকিস্তান: ১৯ ওভারে ২০৩/৫।

ম্যাচের উনিশতম ওভারে বড় ধাক্কা খেয়েছে পাকিস্তান। শানাকার ওভারটিতে মাত্র ৫ রান এসেছে, আউট হয়েছেন মোহাম্মদ নেওয়াজ ও সালমান আগা। ফারহান প্রথম বলে সিঙ্গেল নেওয়ার পর আর স্ট্রাইক পাননি। উসমান খান শেষ দুই বল খেলে একটি চার মেরেছেন।

ফারহানের সেঞ্চুরি

১৯তম ওভারের প্রথম বলে সিঙ্গেল নিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন সাহিবজাদা ফারহান। ৫৯ বলে ৯ চার ৫ ছক্কায় এসেছে সেঞ্চুরিটি।

এবারের বিশ্বকাপে ফারহানের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি এটি। এর আগে গ্রুপ পর্বে নামিবিয়ার বিপক্ষে ৫৮ বলে অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে কোনো ব্যাটসম্যানের দুই সেঞ্চুরি এই প্রথম। অন্য কেউ এক আসরে একটির বেশি করতে পারেননি।

টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে মোট দুটি সেঞ্চুরিই আছে ফারহান ছাড়া আর একজনের—ক্রিস গেইল।

সেঞ্চুরির পর ফারহানের উচ্ছ্বাস

শাদাব রানআউট

পাকিস্তান: ১৮ ওভারে ১৯৮/৩।

১৮তম ওভারের শেষ বলে ডাবলস নিতে গিয়ে রানআউট হয়েছেন শাদাব খান (৫ বলে ৭ রান)।

দুষ্মন্ত চামিরার ওভারটিতে এসেছে মোট ১৪ রান। ফারহান অপরাজিত ৯৯ রানে।

জুটির রেকর্ড

১৭৬

টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে যে কোনো জুটিতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছেন ফারহান–ফখর। তাঁরা ভেঙে দিয়েছেন এবারের আসরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের সাইফার্ট–অ্যালেনের ১৭৫* রানের জুটিকে।

বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রানের জুটি গড়েছেন ফারহান–ফখর

নাফিও আউট

পাকিস্তান: ১৭ ওভারে ১৮৪/২।

ফখরের বিদায়ের পর নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে নেমেছিলেন খাজা নাফি। বাবর আজমের জায়গায় একাদশে ঢোকা এই ব্যাটসম্যান মাদুশঙ্কাকে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছেন লং অনে। ৩ বলে ২ রানে থেমেছে নাফির ইনিংস।

পাকিস্তানের নতুন ব্যাটসম্যান শাদাব খান। ফারহান অপরাজিত ৯৪ রানে।

অবশেষে উইকেটের দেখা মিলল শ্রীলঙ্কার

পাকিস্তান: ১৬ ওভারে ১৭৭/১।

ইনিংসের ১৬তম ওভারে এসে প্রথম উইকেটের দেখা পেল শ্রীলঙ্কা। দুষ্মন্ত চামিরাকে খেলতে গিয়ে স্টাম্পে বল টেনে বোল্ড হয়েছেন ফখর জামান।

পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি থামল ১৭৬ রানে। আউট হওয়ার আগে দলের জন্য বড় কাজই করে গেছেন ফখর। ৪২ বলের ইনিংসে করেছেন ৮৪ রান। ২০০ স্ট্রাইক রেটের ইনিংসটিতে ছিল ৯টি চার ও ৪টি ছক্কা।

বল স্টাম্পে টেনে বোল্ড হয়েছেন ফখর জামান

আবারও ক্যাচ মিস

পাকিস্তান: ১৫ ওভারে ১৬৩/০।

আরও একটি ক্যাচ মিস করল শ্রীলঙ্কা। ১৫তম ওভারের শেষ বলে লং অনে ফারহানের ক্যাচ ফেলেছেন ভেল্লালাগে। এ সময় ফারহান ছিলেন ৭৫ রানে।

এর আগে ফখর ১৫ রানে ক্যাচ দিয়ে বেঁচেছিলেন তিকশানার হাত থেকে।

পাকিস্তানের দেড় শ

পাকিস্তান: ১৪ ওভারে ১৫০/০।

এখনও পাকিস্তানের ওপেনিং জুটি ভাঙতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। ১৪ ওভারে দেড় শয় পৌঁছে গেছে পাকিস্তান। ফারহান ৪৬ বলে ৬৮ আর ফখর ৩৮ বলে ৭৯ রানে ব্যাট করছেন। ফখর প্রথম দিকে কিছুটা কম রান তুললেও সর্বশেষ কয়েক ওভারে তাঁকে বেশি আক্রমণাত্মক ভূমিকায় দেখা গেছে।

ফখরেরও ফিফটি

পাকিস্তান: ১২ ওভারে ১২৫/০।

ফারহানের পর ফিফটি করেছেন ফখরও। ভেল্লালাগেকে চার মেরে ২৭ বলে টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম ফিফটি ছুঁয়েছেন এই বাঁহাতি। আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টিতে এটি তাঁর ১৪তম ফিফটি।

২৭ বলে ফিফটি ফখরের

রেকর্ড

এবারের বিশ্বকাপে ৪টি ফিফটি করলেন সাহিবজাদা ফারহান। বিশ্বকাপের এক আসরে এটিই সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২২ ও ২০১৪ আসরে বিরাট কোহলি, ২০২১ আসরে বাবর আজম এবং ২০০৭ আসরে ম্যাথু হেইডেন ৪টি ফিফটি করেছিলেন।

ফারহানের ফিফটি

পাকিস্তান: ৯ ওভারে ৯০/০।

ইনিংসের নবম ওভারের প্রথম বলে ডাবলস নিয়ে ফিফটি পূর্ণ করেছেন সাহিবজাদা ফারহান। ৩২ বলে করা ফিফটিটি এবারের আসরে তাঁর চতুর্থ। ফিফটির পথে ৬টি চার ও ২টি ছক্কা মেরেছেন তিনি।

ফারহানের ব্যাটে আরও একটি ফিফটি।

পাকিস্তানের ০!

পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৬৪ রান করেছে পাকিস্তান। সেমিফাইনালে উঠতে হলে পাকিস্তানকে আজ জিততেও হবে ৬৪ রানে। মজা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন লিখেছেন, পাকিস্তানের স্কোর ৬ ওভারে ০/০। পরের ১৪ ওভারে যা তুলবে সেটাই মূল পুঁজি। ওটার মধ্যেই জিততে হবে।

রেকর্ড

৩১৯

২০১৪ বিশ্বকাপে ৩১৯ রান করে এত দিন বিশ্বকাপে এক আসরে সর্বোচ্চ রানের মালিক ছিলেন ভারতের বিরাট কোহলি। আজ তাঁকে ছাড়িয়ে গেছেন সাহিবজাদা ফারহান।

ফারহান শুরু থেকেই মারমুখী ব্যাটিং করছেন

পাওয়ার প্লেতে ৬৪/০

ইনিংসের প্রথম ছয় ওভারে ১০.৬৬ গড়ে রান তুলেছে পাকিস্তান। এর মধ্যে পঞ্চশ ও ষষ্ঠ ওভারে উঠেছে ১৩ করে মোট ২৬ রান।

এবারের বিশ্বকাপে এই প্রথম পাকিস্তান পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট হারায়নি। এখন পর্যন্ত ওঠা ৬৪ রান এবারের আসরের ওপেনিংয়ে তাদের সর্বোচ্চও।

দুই ওপেনারের মধ্যে ফারহানই অবশ্য বেশি মারমুখী। ২৫ বলে ৫ চার ২ ছক্কায় করেছেন ৪০ রান। এই ইনিংসের পথে টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও গড়ে ফেলেছেন তিনি। পেছনে ফেলেছেন ২০১৪ আসরে বিরাট কোহলির ৩১৯ রান।

ফখর ব্যাট করছেন ১১ বলে ২৩ রানে। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে থিকশানা তাঁর ক্যাচ মিস না করলে অবশ্য ১৫ রানেই থামতে হতো।

পাকিস্তানের ৫০

পাকিস্তান: ৪.৪ ওভারে ৫০/০।

পঞ্চম ওভারের চতুর্থ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়েছে পাকিস্তান। ফারহান ২১ বলে ৩৫ এবং ফখর ৮ বলে ১৫ রানে ব্যাট করছেন।

ইনিংসের ২৮তম বলে দলগত ফিফটির দেখা পেয়েছে পাকিস্তান

সতর্ক শুরু দুই ওপেনারের

পাকিস্তান: ২ ওভারে ১৬/০।

ইনিংসের প্রথম দুই ওভারে কিছুটা সতর্ক দেখা গেছে পাকিস্তানের দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও ফখর জামানকে। দুই পেসার মাদুশঙ্কা ও চামিরার ওভার দুটিতে একটি করে চার এসেছে।

বাদ পড়লেন বাবর

পাকিস্তানের বাঁচা–মরার ম্যাচে দল থেকে বাদ পড়েছেন বাবর আজম। ৪ ইনিংসে ৯১ রান করা এই ব্যাটসম্যানের জায়গায় দলে ঢুকেছে খাজা নাফি।

বাদ পড়েছেন ৫ ইনিংসে ৭০ রান করা সাইম আইয়ুবও। এ ছাড়া বোলিং আক্রমণের সালমান মির্জাকেও একাদশে রাখা হয়নি।

তাদের জায়গায় দলে ঢুকেছেন নাসিম শাহ ও আবরার আহমেদ। সব মিলিয়ে একাদশে তিনটি পরিবর্তন এনেছে পাকিস্তান।

পাকিস্তানকে জিততে হবে ৬৪ রানে

সুপার এইটের গ্রুপ টু থেকে আগেই সেমিফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। আরেকটি জায়গায় ওঠার লড়াই এখন নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্যে। আজ শ্রীলঙ্কাকে হারালে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড দুই দলের পয়েন্ট সমান ৩ হবে।

এই মুহূর্তে রান রেটে নিউজিল্যান্ড এগিয়ে। তাদের ছাড়িয়ে যেতে পাকিস্তানকে আজ জিততে হবে বড় ব্যবধানে। পরে ব্যাট করলে ১৩.১ ওভারে রান তাড়া করতে হতো। তবে শ্রীলঙ্কা টসে জিতে আগে বোলিং বেছে নেওয়ায় পাকিস্তানের জন্য উপায় এখন অন্যটি—অন্তত ৬৪ রানে জেতা।

পাকিস্তান যে পরে ব্যাট করতে চেয়েছিল, সেটি টসের সময় অধিনায়ক সালমান আগা–ই বলেছেন। তবে টসভাগ্য যেহেতু পক্ষে থাকেনি, তার দলকে বড় চ্যালেঞ্জ সামলাতে হবে বোলিংয়ে। তার আগে ব্যাটিংয়ে পুঁজি জোগাড় করতে হবে যতটা সম্ভব বেশি।

খেলা শুরুর আগে জাতীয় সংগীতের সময় পাকিস্তান ক্রিকেট দল

কোন দলের একাদশে কারা

পাকিস্তান একাদশ: সাহিবজাদা ফারহান, ফখর জামান, সালমান আগা (অধিনায়ক), খাজা নাফি, উসমান খান, শাদাব খান, মোহাম্মদ নেওয়াজ, শাহিন আফ্রিদি, নাসিম শাহ, আবরার আহমেদ ও উসমান তারিক।
শ্রীলঙ্কা একাদশ: পাতুম নিশাঙ্কা, কামিল মিশারা, চারিত আসালাঙ্কা, পবন রত্নায়েকে, কামিন্দু মেন্ডিস, দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), মহীশ তিকশানা, জানিত লিয়ানাগে, দুনিত ভেল্লালাগে, দুষ্মন্ত চামিরা ও দিলশান মাদুশঙ্কা।

টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান

পাল্লেকেলেতে টসে জিতেছেন শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক দাসুন শানাকা। বেছে নিয়েছেন আগে বোলিং। যার অর্থ, প্রথমে ব্যাট করবে পাকিস্তান।

সুপার এইটে টানা দুই ম্যাচ হেরে আগেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে শ্রীলঙ্কার। তবে এখনও সেমিফাইনালের আশা বেঁচে আছে পাকিস্তানের।

টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দাসুন শানাকা