বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় নাহিদা আক্তার ও শারমিন সুলতানা
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় নাহিদা আক্তার ও শারমিন সুলতানা

আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় নাহিদা ও শারমিনের শাস্তি

রাজশাহীতে গত বুধবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আইসিসির আচরণবিধির লেভেল–১ লঙ্ঘনের দায়ে বাংলাদেশের দুই খেলোয়াড় নাহিদা আক্তার ও শারমিন সুলতানাকে ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।

নাহিদা আক্তারের বিরুদ্ধে আইসিসির আচরণবিধির ২.৫ নম্বর ধারা ভাঙার অভিযোগ আনা হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যাটার আউট হওয়ার পর তাঁকে খেপিয়ে তোলা বা বিদ্রূপ করে কোনো অঙ্গভঙ্গি করা যাবে না।

অন্যদিকে শারমিন সুলতানার বিরুদ্ধে আচরণবিধির ২.৮ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে,  যা আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের প্রতি অসন্তোষ বা অসম্মান দেখানোর সঙ্গে সম্পর্কিত।

জরিমানার পাশাপাশি এই দুই খেলোয়াড়ের ডিসিপ্লিনারি রেকর্ডে একটি করে ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে। গত ২৪ মাসের মধ্যে এটা তাঁদের প্রথম অপরাধ।

সেই ম্যাচে শ্রীলঙ্কার ইনিংসে ১৭তম ওভারে অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু আউট হওয়ার পর প্যাভিলিয়নের দিকে ইশারা করে তাঁকে ‘সেন্ড-অফ’ দেখান নাহিদা।

চামারি আতাপাত্তুকে সেন্ড–অফ দেখিয়ে শাস্তি পেলেন নাহিদা

অন্যদিকে বাংলাদেশের ইনিংসের ১৬তম ওভারে এলবিডব্লিউ হওয়ার পর আম্পায়ারকে দেখিয়ে শারমিন তাঁর ব্যাটের দিকে ইশারা করেন এবং মাঠ ছাড়তে দেরি করার পাশাপাশি হতাশা প্রকাশ করেন।

দুই খেলোয়াড়ই তাঁদের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন। দুজনেই ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানী দাসের প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নিয়েছেন। তাই আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। সেই ম্যাচের দায়িত্বে থাকা আম্পায়ার ইলোইস শেরিডান ও রোকেয়া সুলতানা, তৃতীয় আম্পায়ার ডলি রানী সরকার এবং চতুর্থ আম্পায়ার সাথিরা জাকির এই অভিযোগগুলো আনেন।

আচরণবিধির লেভেল–১ লঙ্ঘনের সর্বনিম্ন শাস্তি হলো আনুষ্ঠানিক তিরস্কার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি খেলোয়াড়ের ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানা ও একটি বা দুটি ডিমেরিট পয়েন্ট।