
অবশেষে ভারত থেকে দেশে ফেরার বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল। টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে গত সপ্তাহে বিদায় নেওয়ার পর কলকাতাতেই অবস্থান করছে দুই দল।
দুটি দলই আগামী মঙ্গলবার ভোরের দিকে চার্টার্ড ফ্লাইটে জোহানেসবার্গের উদ্দেশে রওনা দেবে। দক্ষিণ আফ্রিকা দল নেমে যাবে সেখানে। এরপর সেখান থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল যাবে অ্যান্টিগায়।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা দলের প্রত্যাশা ছিল আজ তাঁরা ভারত ছাড়তে পারবেন। ভারত ছাড়ার নতুন তারিখ ঠিক হওয়ার বিষয়টি তাদের জানানো হয়েছে আজ বিকালে।
দক্ষিণ আফ্রিকা দলের তিন খেলোয়াড় কেশব মহারাজ, জেসন স্মিথ, জর্জ লিন্ডে এবং পুরো ম্যানেজমেন্ট আজই ভারত ছাড়বেন। পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংকটের কারণে বিভিন্ন দেশের আকাশসীমা বন্ধ বা সীমিত হয়ে পড়ায় বারবার ভ্রমণ পরিকল্পনা বদলাতে হয়েছে। এতে দুই দলের শিবিরেই অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
১ মার্চ সুপার এইটে ভারতের কাছে হারের পর থেকে কলকাতায় অবস্থান করছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৪ মার্চ সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পর দক্ষিণ আফ্রিকা দলও দেশে ফিরতে পারেনি। এ নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান কোচ ড্যারেন স্যামি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হতাশা প্রকাশ করেন একাধিকবার। দক্ষিণ আফ্রিকা দলের কুইন্টন ডি কক, ডেভিড মিলারও ইনস্টাগ্রামে এ নিয়ে মুখ খোলেন।
এর আগে জানা গিয়েছিল, ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের জন্য বৃহষ্পতিবার চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হবে। শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। একই দিনে দেওয়া এক বিবৃতিতে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ (সিডব্লিউআই) জানায়, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত একটি ‘উচ্চপর্যায়ের ফোনালাপ’-এর পরই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ভারতের বিপক্ষে শেষ ম্যাচের পর থেকেই খেলোয়াড়, দলীয় ব্যবস্থাপনা ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে সিডব্লিউআই। উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ থেকে সৃষ্ট আন্তর্জাতিক আকাশসীমা–সংক্রান্ত বিধিনিষেধের কারণে পরিস্থিতি এখনো জটিল ও পরিবর্তনশীল।
তবে দলকে নিরাপদে ক্যারিবীয় অঞ্চলে ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জনসাধারণকে আশ্বস্ত করছে সিডব্লিউআই।’
ইংল্যান্ড দল গত শনিবার সন্ধ্যায় মুম্বাই থেকে সরাসরি লন্ডনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।