
>স্পেন দলে আবারও ফিরতে চান কিংবদন্তি গোলরক্ষক ইকার ক্যাসিয়াস
স্পেনের স্বর্ণযুগের কথা বললে কার কথা মনে আসে? জাভি-ইনিয়েস্তা-তোরেসদের কি দলই না ছিল! টানা ছয় বছর পুরো বিশ্ব শাসন করা দলের প্রায় সবাই এখন বিদায়বেলায়। কিন্তু এই বিদায়বেলায়ই দলে ফিরতে চান স্পেনের সেই স্বর্ণযুগের অধিনায়ক ইকার ক্যাসিয়াস।
কার্লোস পুয়েল-ক্যাপডেভিয়া বিদায় নিয়েছিলেন আগেই। জাভি-তোরেসের বিদায়ের পর দলে ছিলেন শুধু রামোস-ইনিয়েস্তা-পিকে-বুসকেটস ও ক্যাসিয়াস। রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে যাওয়ার পর জাতীয় দল থেকেও ব্রাত্য হয়ে পড়েন ক্যাসিয়াস। ইনিয়েস্তার বিদায়ের পর এখন সেই স্বর্ণযুগের দল থেকে টিকে আছেন শুধু সার্জিও রামোস, পিকে আর বুসকেটস। ক্যাসিয়াস এখান থেকেই স্পেনের গোলপোস্টে ফিরতে চান।
ইকার ক্যাসিয়াসের পক্ষে বলার লোকও নেহাত কম নয়। কারণ, দলের মূল দুই গোলকিপার ডেভিড ডে গিয়া ও কেপা আরিসাবালাহার বর্তমান পারফরম্যান্স আশা জোগাচ্ছে না দলকে। ডে গিয়ার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের দলের অবস্থাও তেমন ভালো না, আর কেপার চেলসির খেলা ভালো হলেও প্রতি ম্যাচেই দু-একটা ভুল করে বসছেন। সব মিলিয়ে দুই গোলকিপারের ওপর তেমন ভরসা নেই সমর্থকদের।
পারফরম্যান্সের দিক দিয়ে অন্যদের থেকে এগিয়ে আছেন ক্যাসিয়াস। এ মৌসুম পোর্তোর হয়ে ৯ ম্যাচের ৫ টিতেই ‘ক্লিন শিট’ রেখেছেন ক্যাসিয়াস। এমনকি শেষ ম্যাচে গালাতেসারের বিপক্ষে অসাধারণ খেলে ক্লিন শিটও অর্জন করেছেন ক্যাসিয়াস। সব মিলিয়ে ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বেলায় নিজের সেরা খেলা আবারও দেখাচ্ছেন ক্যাসিয়াস। জাতীয় দলে পারফরম্যান্স দিয়ে ফেরত আসা নিশ্চয় দোষের কিছু না।
ইকার ক্যাসিয়াস স্পেন দলের নতুন কোচ লুই এনরিকের সঙ্গে কথা বলেছেন স্পেন দলে ফেরার ব্যাপারে। সামনের দুই ম্যাচের জন্য অবশ্য দলে জর্দি আলবার মতো খেলোয়াড়কেও দলের বাইরে রেখেছেন এনরিকে। সেখানে ক্যাসিয়াসের ডাক পাওয়া কতটা সম্ভব, তা সময়ই বলে দেবে।
শেষবারের মতো ইকার ক্যাসিয়াসকে জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা গিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ২০১৬ সালে। এরপর ইউরোয় দলের সঙ্গে থাকলেও সাইডলাইনে বসেই কাটাতে হয়েছে তাঁকে।