বাংলাদেশের মেয়েদের ফুটবলে আজ এক ঐতিহাসিক দিন। নারী এশিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নামছে বাংলাদেশের মেয়েদের জাতীয় ফুটবল দল। সিডনির কমব্যাংক স্টেডিয়ামে ‘বি’ গ্রুপ থেকে বর্তমান ও ৯ বারের চ্যাম্পিয়ন চীনের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায়।
বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচ কতটা ঐতিহাসিক, সে সমন্ধে সিডনি থেকে জানিয়েছেন প্রথম আলোর প্রতিনিধি মাসুদ আলম। ক্লিক করুন নিচের লিংকে।
ইতিহাস গড়ার ম্যাচে হারানোর কিছু নেই বাংলাদেশের মেয়েদের
চীনের বিপক্ষে মেয়েদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে এই প্রথম মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ।
সিডনি থেকে প্রথম আলোর প্রতিনিধি মাসুদ আলম জানিয়েছেন, চীনের বিপক্ষে ম্যাচে একাদশে বড় চমক দেখিয়েছেন বাংলাদেশ কোচ পিটার বাটলার।
সেই চমকগুলো কী জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
রুপনা নেই পোস্টের নিচে, চীনের বিপক্ষে বাটলারের একাদশে ৫ ডিফেন্ডার
নারী এশিয়ান কাপে আজ বাংলাদেশ সময় সকালের ম্যাচে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ৩–০ গোলে হারে উজবেকিস্তান। এই ম্যাচের পর বাংলাদেশের বিপক্ষে লড়াই নিয়ে কথা বলেন উজবেকিস্তানের কোচ কোত্রিনা কুলবিতে। ক্লিক করুন নিচের লিংকে
বাংলাদেশ কোচ পিটার বাটলারের চোখে, শক্তিশালি চীনের বিপক্ষে লড়াইটা ‘ডেভিড বনাম গোলিয়াথ।’ চীনের বিপক্ষে খেলার কৌশল কেমন হতে পারে, সেটা আগেই জানিয়েছেন বাটলার। ক্লিক করুন নিচের লিংকে
‘বাস পার্ক’ করবে না বাংলাদেশ, বাটলারের চোখে চীনের বিপক্ষে লড়াইটা ‘ডেভিড বনাম গোলিয়াথের’
‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের কোন প্রতিপক্ষ কেমন—জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে।
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের সময় আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়েছেন লাল–সবুজের সমর্থকরা। মাঠে আফঈদা খন্দকারদের চোখেমুখে আবেগ।
গোলকিপার: চেন চেন
ডিফেন্ডার: ওয়াং লিনলিন, উ হাইয়ান, ঝ্যাং চেংজু, লু ইয়াটং
মিডফিল্ডার: ওয়াং সুয়াং, ওয়াং আইফাং, লিউ জিং, ঝ্যাং রুই
ফরোয়ার্ড: উরিংগুমুলা, জিন কুন
১৯৮০ সালে সর্বশেষ এশিয়ান কাপে খেলেছে বাংলাদেশ। সেটা ছিল পুরুষদের আসর। নারী এশিয়ান কাপে এবারই প্রথম খেলছে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে ৪৬ বছর পর মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের এ প্রতিযোগিতায় নেমেছে বাংলাদেশ।
কিক অফের পর খেলা শুরু। প্রথম থেকেই হাইলাইন ডিফেন্সে খেলছে চীন। একটু নিচেও নামছেন দু–একজন ডিফেন্ডার। খেলা চলছে মাঝ মাঠে। বল দখলের লড়াই।
ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে প্রথম কর্নার চীনের। আক্রমণভাগে ঢুকে পড়েছিলেন চীনের খেলোয়াড়। শামসুন্নাহার সিনিয়র বল টাচলাইনের বাইরে পাঠিয়ে কর্নার দেন। কর্নার থেকে বিপদ হয়নি বাংলাদেশের। তবে ৫ মিনিটে শট নিয়েছিলেন চীনের মিডফিল্ডার লিউ জিং। গোলকিপার মিলি ডাইভ দিলেও বল পোস্টে ছিল না।
ম্যাচের ৭ মিনিটের মধ্যে তিনটি ছোটখাটো সুযোগ তৈরি করেছে চীন। এর মধ্যে দুটি সুযোগ তৈরি করেছে উইং দিয়ে। ৬ মিনিটে ডিফেন্ডার নবীরুন চীনের বাঁ পাশের উইঙ্গারের আক্রমণ ঠেকিয়ে কর্নার দেন। সেখান থেকে কোনো বিপদ হয়নি।
দক্ষতায় তেমন একটা পার্থক্য দেখা যাচ্ছে না দুই দলের মধ্যে। তবে শারীরিক শক্তি ও সামর্থ্যে কে এগিয়ে তা বোঝা যাবে ম্যাচ গড়িয়ে চলার সঙ্গে।
শামসুন্নাহার জুনিয়রকে ফেলে দিয়ে ম্যাচের ১০ম মিনিটে হলুদ কার্ড দেখলেন চীনের ডিফেন্ডার লু ইয়াটং।
ম্যাচের ১২ মিনিটে চীনের ওয়াং সুয়াং বাঁ উইং ধরে ঢুকে শট নেন। গোলকিপার মিলি ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বল থেকে পাস পেয়ে আবারও হেড করেছিলেন ওয়াং। দূরের পোস্ট ঘেঁষে বল মাঠের বাইরে। বেঁচে গেল বাংলাদেশ।
ম্যাচের ১৪ মিনিটে বাঁ উইং ফাঁকা পেয়ে যান বাংলাদেশের তারকা উইঙ্গার ঋতুপর্না। গায়ের সঙ্গে লেগে থাকা ডিফেন্ডারকে নিয়েই বাঁ পায়ের দুরপাল্লার শট নেন। এমন শট থেকে তিনি গোল আগেও করেছেন। এবারও বলটা বাতাসে ভাসতে ভাসতে গোলপোস্টে ঢোকার ঠিক আগ মুহূর্তে শূন্যে লাফিয়ে ঠেকিয়ে দেন চীনের গোলকিপার চেন চেন।
দূর্ভাগ্য বাংলাদেশের। দারুণ এক বুদ্ধিদীপ্ত কুশলী শট ছিল ঋতুপর্নার।
ম্যাচের ১৮ মিনিটে বক্সে জটলার ভেতর থেকে শট নেন চীনের মিডফিল্ডার ওয়াং সুয়াং। শটে জোর ছিল না গোলকিপার মিলি বাধা হয়ে দাঁড়ানোয়। পোস্টে ঢোকার একদম শেষ মুহূর্তে ডাইভ দিয়ে গোল বাঁচান বাংলাদেশের ডিফেন্ডার শিউলি আজিম।
২০ মিনিটে গোলকিপার মিলিকে একা পেয়েও গোল পায়নি চীন। শটটি তেমন জোরাল ছিল না।
চীনের এই দলে ওয়াং সুয়াংই সবচেয়ে অভিজ্ঞ। চীনের হয়ে ১৩০ ম্যাচে ৪৬ গোল করেছেন। চীনের বর্তমান দলে সর্বোচ্চ গোলস্কোরারও তিনি।
ম্যাচের ২৪ মিনিটে বাংলাদেশের জালে বল!
বাঁ প্রান্ত থেকে জিন কুনের ক্রস পেয়ে বক্সের ভেতর থেকে হেডে গোল করেন ওয়াং সুয়াং। কিন্তু বাধ সেধেছে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর)। চার মিনিটেরও বেশি সময় নেন তাঁরা। মাঠের রেফারি পানসা চাইসেইন্ট মাঠের পাশে ভিডিও মনিটরে রিপ্লে দেখে এসে গোল বাতিলের বাঁশি বাজান।
ওয়াং সুয়াং অফসাইড হওয়ায় গোলটি বাতিল করা হলো।
স্কোরলাইন ০–০।
৩৩ মিনিটে হালকা চোট পাওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে মাঠের বাইরে গেলেন ঋতুপর্ণা। তাঁর মাঠে ফেরার অপেক্ষায় বাংলাদেশ।
আপডেট: ৩৭ মিনিটে মাঠে ফিরলেন ঋতুপর্ণা।
৪১ মিনিটে প্রথম কর্নার পেল বাংলাদেশ। মনিকা চাকমার কর্নার কিক থেকে গোলের সুযোগ তৈরি হয়েছিল, কিন্তু শামসুন্নাহার জুনিয়র শট নিতে পারেননি।
চীন ১–০ বাংলাদেশ
৪৪ মিনিটে দুরপাল্লার শটে গোল করলেন চীনের মিডফিল্ডার ওয়াং সুয়াং। বক্সের বাইরে থেকে বাতাসে ভাসানো শটে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়ান।
এই গোলের আগ পর্যন্ত ভালোই খেলছিল বাংলাদেশ। দক্ষতায় পাল্লা দিতে পারলেও শারীরিক সামর্থ্যে কুলিয়ে উঠতে পারছিল না। তবুও ভালো রক্ষণ সামলেছে তাঁরা।
৪৬ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে চীনের মিডফিল্ডার ঝ্যাং রুইয়ের নিচু শট বাংলাদেশের ডিফেন্ডার কোহাতি কিসকুর পায়ে লেগে জালে জড়ায়। ২–০ গোলে এগিয়ে গেল চীন।
তিন মিনিটের ছোটখাটো এক ‘টর্নেডো’য় দুই গোল হজম করল বাংলাদেশ। প্রথমার্ধে ৭ মিনিট যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে দ্বিতীয় গোল হজম করল আফঈদার দল।
৫২ মিনিটে (যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিট) বক্সের ভেতর থেকে গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন চীনের মিডফিল্ডার লিউ জিং। পোস্টের ওপর দিয়ে বল মারেন।
প্রথমার্ধে ৪০ মিনিট পর্যন্তও শক্তিশালি চীনের সঙ্গে টক্কর দিয়ে খেলেছে বাংলাদেশ। কিন্তু ৪৪ ও ৪৬ মিনিটে দুটি গোল হজম করে ম্যাচে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। এ দুটি গোল ছাড়া এশিয়ান কাপে ৯ বারের চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে একদম খারাপ খেলেনি বাংলাদেশ দল। ১৪ মিনিটে ঋতুপর্ণার দুরপাল্লার শট থেকে বাংলাদেশ তো আরেকটু হলেই গোল পেয়ে যেত! চীনের গোলকিপারের দৃঢ়তায় তা হয়নি।
প্রথমার্ধের পরিসংখ্যান:
চীন বল দখলে রেখেছে ৬৩.৩ শতাংশ।
বাংলাদেশ বল দখলে রেখেছে ৩৬.৭ শতাংশ।
মোট ১৩টি শট নিয়েছে চীন। এর মধ্যে ৭টি শট ছিল পোস্টে।
মোট ৩টি শট নিতে পেরেছে বাংলাদেশ। ২টি শট ছিল পোস্টে।
২টি ফাউল করেছেন চীনের খেলোয়াড়রা।
৩টি ফাউল করেছেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা।
৩টি কর্নার পেয়েছে চীন। বাংলাদেশ পেয়েছে ২টি কর্নার।
২টি গোল সেভ করেছে চীন। ৫ টি গোল সেভ করেছে বাংলাদেশ।
১টি হলুদ কার্ড দেখেছে চীন।
সূত্র: ইএসপিএন
বাংলাদেশ:
মিডফিল্ডার উমহেলা মারমাকে তুলে ফরোয়ার্ড তহুরা খাতুনকে নামানো হয়েছে।
ডিফেন্ডার শিউলি আজিমকে তুলে হালিমা আক্তারকে নামানো হয়েছে।
চীন:
জিন কুনের জায়গায় নেমেছেন জাই জংমেই।
৪৬ মিনিটে ঋতুপর্ণার ৩৬ গজ দূর থেকে নেওয়া শট চীনের পোস্টের পাশ ঘেঁষে চলে যায়।
৫৩ মিনিটে ডিফেন্ডার নবীরনকে তুলে মিডফিল্ডার স্বপ্না রানীকে মাঠে নামিয়েছেন কোচ পিটার বাটলার। গোল পেতে মরিয়া বাংলাদেশ। চাপ তৈরি করার চেষ্টা করছে।
মিডফিল্ডার স্বপ্না মাঠে নামার পর আক্রমণের ধার বাড়ানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। মাঝমাঠে স্বপ্না পায়ের কাজে ফাঁকা জায়গা তৈরির চেষ্টা করছেন। ‘ফ্রেশ লেগ’ হওয়ায় ক্ষিপ্রতার সঙ্গে দৌড়াতে পারছেন। কিন্তু মাঝমাঠে তাঁর সতীর্থরা সেভাবে সঙ্গ দিতে পারছেন না। চীনের খেলোয়াড়দের শারীরিক সামর্থ্যের সামনে কুলিয়ে উঠতে পারছে না বাংলাদেশ
খেলার তখন ৬০ মিনিট। বাঁ প্রান্ত থেকে উড়ে আসা ক্রস পায়ে রাখতে পারেননি শামসুন্নাহার জুনিয়র। বল চলে যায় টাচলাইনের বাইরে। কর্নার। বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের ক্লান্তি স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। মাঝমাঠে দাপট ছড়াতে পারছে না।
৬৩ মিনিটে দুটি পরিবর্তন চীনের।
লিউ জিংকে তুলে ঝ্যাং জিনকে মাঠে নামিয়েছেন চীনের কোচ অ্যান্থনি মিলিচিচ।
ম্যাচের গোলদাতা ওয়াং সুয়াংকে তুলে ট্যাং জিয়ালিকে মাঠে নামানো হয়েছে।
৬৮ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে চীনের ডিফেন্ডার ঝ্যাং চেনগুয়ের দুরপাল্লার শট রুখে দেন বাংলাদেশের গোলকিপার মিলি আক্তার।
৭৪ মিনিটে কর্নার পায় বাংলাদেশ। কর্নার শটে বাংলাদেশের শামসুন্নাহার জুনিয়রকে ফেলে দেন চীনের ডিফেন্ডার লিউ ইয়াটং। এক মিনিট পর ভিএআর চেক হয় পেনাল্টি ছিল কি না তা নিশ্চিত হতে। কিন্তু রেফারি মাঠের বাইরে মনিটর দেখে জানান, পেনাল্টি দেওয়ার মতো অপরাধ করেননি ইয়াটং।
৮৬ মিনিটে হালিমাকে তুলে মিডফিল্ডার আনিকা রানিয়াকে মাঠে নামান কোচ পিটার বাটলার। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক ঘটল বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত সুইডেন প্রবাসী আনিকার।
তিন মিনিট আগে নাকে আঘাত পান হালিমা। মাঠের বাইরে গিয়ে চিকিৎসাও নেন।
দ্বিতীয়ার্ধে যোগ করা সময় দেওয়া হয়েছে ৮ মিনিট। প্রথমার্ধে দেওয়া হয় ৭ মিনিট।
খেলায় চীনের দাপট চলছেই। শেষ বেলায় আরেকটি গোল আদায়ে মরিয়া চীন। গোল ঠেকাতে মরিয়া বাংলাদেশ।
শেষ বাঁশি বাজল। থামল খেলা। স্কোরবোর্ড বলছে চীন জিতেছে। শ্রেয়তর ফুটবল খেলেই জিতেছে। কিন্তু বাংলাদেশও একেবারে ছেড়ে কথা বলেনি। সামর্থ্যের সবটুকু দিয়েই লড়াই করেছে।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৭তম চীনের বিপক্ষে ১১২ তম বাংলাদেশের ম্যাচে ফল কী হতে পারে সেটা তো বোঝাই যায়। ফলটা বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশামতো হলেও বাংলাদেশ দলেরও তৃপ্তির জায়গা আছে। মেয়েদের এশিয়ান কাপে ৯ বারের চ্যাম্পিয়ন চীন তাদের সর্বশেষ ১০ ম্যাচে ২৬ গোল করেছে। অর্থাৎ ম্যাচপ্রতি ২.৬ টি করে গোল করেছে চীন। সেখানে র্যাঙ্কিংয়ে যোজন ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেও বাংলাদেশ হজম করেছে মাত্র দুই গোল। প্রথমার্ধে ৪৪ ও ৪৬ মিনিটে গোল দুটি হজম করে। দ্বিতীয়ার্ধে গোল হজম না করাটা তো এক অর্থে বাংলাদেশের জন্য মনস্তাত্ত্বিক জয়ই।
ম্যাচের ১৪ মিনিটে ঋতুপর্ণার বাঁ পায়ের দুরপাল্লার শট জালে পৌঁছালে হয়তো আরও বেশি তৃপ্তি নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারত বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও দুরপাল্লার শট নিয়ে গোলের চেষ্টা করেন ঋতুপর্ণা। ম্যাচে বেশির ভাগ সময়ই রক্ষণ সামলাতে ব্যস্ত সময় পার করেছে বাংলাদেশ। গোল হজমের দুটি মুহূর্ত ছাড়া এই কাজে পুরো ম্যাচে বাংলাদেশকে সফল বলাই যায়।
৪৪ মিনিটে চীনের হয়ে গোল করেন ওয়াং সুয়াং। ৪৬ মিনিটে গোলটি ঝ্যাং রুইয়ের।
‘বি’ গ্রুপ থেকে এই জয়ে ১ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট পেল চীন (+২)। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে থাকা উত্তর কোরিয়া (+৩) গোল ব্যবধানে চীনের সঙ্গে এগিয়ে। ১ ম্যাচে শূন্য পয়েন্ট পাওয়া বাংলাদেশ (–২) তৃতীয়। সমান ম্যাচে শূন্য পয়েন্ট পাওয়া উজবেকিস্তান (–৩) চতুর্থ।
ম্যাচের পরিসংখ্যান:
চীন বল দখলে রেখেছে ৫৯.৬ শতাংশ।
বাংলাদেশ বল দখলে রেখেছে ৪০.৪ শতাংশ।
মোট ২৪ টি শট নিয়েছে চীন। এর মধ্যে ১০ টি শট ছিল পোস্টে।
মোট ৮ টি শট নিতে পেরেছে বাংলাদেশ। ২টি শট ছিল পোস্টে।
৫ টি ফাউল করেছেন চীনের খেলোয়াড়রা।
৬ টি ফাউল করেছেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা।
৯ টি কর্নার পেয়েছে চীন। বাংলাদেশ পেয়েছে ৩ টি কর্নার।
২টি গোল সেভ করেছে চীন। ৮ টি গোল সেভ করেছে বাংলাদেশ।
১টি হলুদ কার্ড দেখেছে চীন।
সূত্র: ইএসপিএন