বিশ্বকাপে আরও একটা মেসিময় ম্যাচ। কেপ ভার্দের বিপক্ষেও রেকর্ড বুকে নতুন করে লিখেছেন অনেক কিছু। একনজরে সেগুলো দেখে আসা যাক।
প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে ৩০টি ম্যাচ খেললেন মেসি।
বিশ্বকাপের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ২০ গোলের মাইলফলক ছুঁয়েছেন মেসি।
প্রথম ফুটবলার হিসেবে নকআউটে টানা ৫ ম্যাচে গোল করেছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।
৩৫ বছর বয়স পার হওয়ার পর বিশ্বকাপে মেসি এখন পর্যন্ত করেছেন ১৪টি গোল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ৩৫–এর বেশি বয়সী বাকি সব ফুটবলার মিলে গোল করেছেন মাত্র ২৫টি!
৩৯ বছরের মেসি যখন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলকিপার ভোজিনিয়ার বিপক্ষে গোল করলেন, তখন দুজনের সম্মিলিত বয়স ৭৯ বছর ৬১ দিন! বিশ্বকাপের ইতিহাসে গোলদাতা ও গোলকিপারের এত বেশি বয়সের রেকর্ড আর নেই।
ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে মেসিই প্রথম খেলোয়াড়, যিনি টুর্নামেন্টের দুটি ভিন্ন আসরে (২০২২ এবং ২০২৬) ৭ বা তার বেশি গোল করার কীর্তি গড়েছেন।
বিশ্বকাপের নকআউটে মেসির গোলে অবদান ১২টি (৬ গোল, ৬ অ্যাসিস্ট)। এর আগে ১১টি নিয়ে শীর্ষে ছিলেন পেলে ও এমবাপ্পে।
আর ১টি গোল করলেই মেসি এক বিশ্বকাপে কোনো আর্জেন্টাইনের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলবেন (গুইলারমো স্তাবিল, ১৯৩০ বিশ্বকাপে ৮ গোল)।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে নকআউট পর্বে তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে টানা ৫ ম্যাচে গোল করেছেন মেসি। তাঁর আগে এই কীর্তি ছিল শুধু হাঙ্গেরির গিওর্গি সারোসি (১৯৩৪-৩৮) এবং ব্রাজিলের ভাভার (১৯৫৮-৬২)।
বিশ্বকাপের সর্বশেষ ৬ নকআউট ম্যাচে সরাসরি ১০টি গোলে অবদান রেখেছেন মেসি—নিজে করেছেন ৬টি এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৪টি।
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ২২টি ভিন্ন দলের মুখোমুখি হয়েছেন মেসি। এর মধ্যে ১৪টি দলের বিপক্ষেই গোল করেছেন।