৩ ম্যাচ। ৪ গোল।
বিশ্বকাপে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র কেমন খেলছেন, সেটা বোঝাতে এই পরিসংখ্যানই যথেষ্ট। গোলের সংখ্যাটা অবশ্য আরও বাড়তে পারত।
আজ স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর একটি গোল বাতিল করা হয়েছে। নয়তো হ্যাটট্রিকও হয়ে যেতে পারত তাঁর।
ঘটনাটি ম্যাচের ২২ মিনিটের। স্কটিশ ডিফেন্ডার জ্যাক হেনরির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে গোল করেন ভিনিসিয়ুস। বল কেড়ে নিতে গিয়েই নাকি ফাউল করেছেন ভিনি।
মেক্সিকান রেফারি সিজার রামোস মাঠের মনিটরে ভিডিও রিপ্লে দেখে সিদ্ধান্ত নেন, ভিনি ফাউল করেছেন। বাতিল হয় গোল। ভিনিসিয়ুস হেনরিকে পেছন থেকে পা বাড়িয়ে ফেলে দিয়েছেন, রেফারি এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখানেই উঠেছে প্রশ্ন।
প্রিমিয়ার লিগে রেফারি হিসেবে কাজ করা বিবিসির বিশ্লেষক ড্যারেন ক্যান বলেন, ‘এটি ফাউল ছিল না। ভিনিসিয়ুস শুধু নিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিলেন, ডিফেন্ডার নিজেই তাঁর গায়ে লাথি মেরে পড়ে গেছেন। স্কটল্যান্ড ভাগ্যবশত বেঁচে গেছে।’
সাবেক ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার লুকাস লেইভাও বলেছেন, গোলটি বাতিল করা ঠিক হয়নি। তিনি বলেন, ‘এটি ফাউল নয়। দারুণ এক প্রেসিং ছিল, ২-০ হতে পারত। আমার কাছে এটি কোনোভাবেই ফাউল নয়।’
তবে সাবেক স্কটিশ ফরোয়ার্ড জেমস ম্যাকফাডেন এটিকে ফাউলই মনে করছেন। তিনি বলেন এভাবে, ‘স্পর্শ সামান্য হলেও এটা ফাউলই। আপনি যখন রিপ্লেতে এটি আবার দেখবেন, তখন স্পষ্ট বোঝা যায় যে কিক করার মুহূর্তে তিনি (হেনরি) আঘাত পেয়েছেন, যা তাঁকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল। তাঁকে বাধা দেওয়া হয়েছে। আমার কাছে এটি ফাউল, এটিই সঠিক সিদ্ধান্ত।’
গোলটি হলে ব্রাজিলের হয়ে প্রথম হ্যাটট্রিক হতো ভিনির। সেটি না হওয়ায় আফসোস আছে তাঁর, ‘গোলটি বাতিল হওয়ায় আফসোস লাগছে। ওটা হলে প্রথম হ্যাটট্রিকটা পেয়ে যেতাম। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দলের জয় এবং আমাদের ছন্দ ধরে রাখা।’