সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয় ফাইনালে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের জয়

বাংলাদেশ ২: ১ নেপাল

নেপালকে ২–১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। এ নিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে উঠল বাংলাদেশের মেয়েরা।

বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল করেছেন ঋতুপর্ণা ও সাগরিকা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ঋতুপর্ণা কর্নার থেকে সরাসরি গোল করেন। আর সাগরিকা গোল করেছেন দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে, শামসুন্নাহার জুনিয়রের সহায়তায়। বাংলাদেশ গোল হজম করেছিল ২৩ মিনিটে, গোল করেন নেপালের গীতা রানা।

এগিয়ে গেল বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ২: ১ নেপাল

শামসুন্নাহার জুনিয়র পাস দিয়েছিলেন সাগরিকাকে। তাঁর ঠিক পেছনেই নেপালের দুজন খেলোয়াড় লেগে ছিলেন, কিন্তু তিনি বলটিতে সামান্যতম ছোঁয়া লাগিয়ে জালে জড়ান সাগরিকা।

সাগরিকার সুযোগ মিস...

বাংলাদেশ ১: ১ নেপাল

সাগরিকার সুযোগ ছিল বাংলাদেশকে এগিয়ে দেওয়ার। কিন্তু পারলেন না! ম্যাচের ৭৮ মিনিটে নেপাল অধিনায়ক গোলকিপার সুব্বা লাফিয়ে উঠে ঘুষি মেরে সাগরিকার শটটি ফিরিয়ে দিলেন। এই সেভটি ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিতে পারে।

অল্পের জন্য বাংলাদেশের রক্ষা

বাংলাদেশ ১: ১ নেপাল

৬৯ মিনিটে নেপালের সারু লিম্বু গোলের উদ্দেশে দারুণ একটি শট নিয়েছিলেন। তাঁর বাকানো শট গোলপোস্টের খানিকটা ওপর থেকে চলে যায়।

এর মিনিটখানেক আগেও একটি আক্রমণ করে নেপাল। সেটি আটকে দেন গোলকিপার মিলি।

বাংলাদেশের আক্রমণ

বাংলাদেশ ১: ১ নেপাল

দ্বিতীয়ার্ধে নেপাল–বাংলাদেশ দুই দলই পালাক্রমে সুযোগ তৈরি করছে এবং গোলের লক্ষ্যে শট মারছে। যদিও এখনো কোনো দলই গোল পায়নি।

অল্পের জন্য গোল মিস নেপালের

বাংলাদেশ ১: ১ নেপাল

অল্পের জন্য দ্বিতীয় গোল হজম থেকে বাঁচল বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই নেপালের রেখা বাংলাদেশ গোলকিপারকে ফাঁকি দিয়ে বল ফাঁকা জালের দিকে ঠেলেছিলেন। বল পোস্টে লেগে দিক পরিবর্তন করায় বেঁচে যায় বাংলাদেশ।

ঋতুপর্ণার অবিশ্বাস্য গোল

বাংলাদেশ ১: ১ নেপাল

কোথাও যেন খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিল না ঋতুপর্ণাকে! ধারাভাষ্যকক্ষেও আলোচনা হচ্ছিল, ঠিক কতবার ঋতুপর্ণা বলে স্পর্শ করতে পেরেছেন। এমন সময়েও দারুণ এক গোল করে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরালেন ঋতুপর্ণা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে কর্নার থেকে করেছেন অলিম্পিক গোল, মানে সরাসরি কর্নার থেকে গোল করেছেন।

এই গোলের পর মাঠে উজ্জীবিত বাংলাদেশকেই দেখা যাচ্ছে। প্রথমার্ধ শেষে ম্যাচ এখন ১–১ সমতায়।

কোনোমতে বাঁচল বাংলাদেশ

ব্যবধানটা ২–০ হতে পারত! তবে ৩৬ মিনিটে প্রীতি রাজের দূরপাল্লার শট লাগল পোস্টে। গোলকিপার মিলিও কিছুটা ক্রেডিট পাবেন। তাঁর হাতে লেগেই বল পোস্টে লেগেছে।

এখনো বলার মতো কোনো আক্রমণ করতেই পারেনি বাংলাদেশ।

গোলের উল্লাস নেপালের

নেপালের প্রথম গোল

ম্যাচের ২৩ মিনিটে এগিয়ে গেল নেপাল। কর্নার থেকে গোল করেছেন নেপালের গীতা রানা।

কর্নারটি করেছিলেন দীপা শাহি। তাঁর করা ক্রসে পায়ের টোকা দিয়ে বলটিকে জালের ভেতরে পাঠিয়ে দেন গীতা।

শুরুতেই চাপে বাংলাদেশ

ম্যাচ শুরু হতে না হতেই নেপালের আক্রমণে চাপে বাংলাদেশ। বল দখলেও এগিয়ে নেপাল। আক্রমণ দূরে থাক আপাতত আফঈদারা ব্যস্ত আক্রমণ ঠেকাতে।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার (গোলরক্ষক), আফঈদা খন্দকার, কোহাতি কিসকু, মৌমিতা খাতুন, সুরভী আক্তার আফরিন, শামসুন্নাহার সিনিয়র, মারিয়া মান্দা, সুরভী আকন্দ প্রীতি, উমেলাহ মারমা, ঋতুপর্ণা চাকমা ও আনিকা রানিয়া সিদ্দিকা।

ইতিহাস কী বলে

গোয়ার মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে আজ অষ্টম নারী সাফের প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও নেপাল। আজ হারলেই সাফের মঞ্চে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের চার বছরের গৌরবময় রাজত্বের অবসান ঘটবে। কিন্তু জয় পেলে টানা তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার লক্ষ্যে বাংলাদেশ টিকিট কাটবে ফাইনালের।

দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলে এ দুই পরাশক্তির মাঠের লড়াইয়ের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ ও রোমাঞ্চকর। সাফে গত সাতটি আসরের পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যায়, দুই দল এ পর্যন্ত পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে। নেপালের জয় তিন ম্যাচে, বাংলাদেশ পেয়েছে দুই ম্যাচে জয়। নেপালের গোল ৯টি, বাংলাদেশের গোল ৫টি।