আর্লিং হলান্ডের সৌজন্যে আরও তিন পয়েন্ট পেল ম্যানসিটি
আর্লিং হলান্ডের সৌজন্যে আরও তিন পয়েন্ট পেল ম্যানসিটি

হলান্ডের গোলে ম্যানসিটির তিনে তিন

ম্যাচের সময় যত গড়িয়েছে, ততই আক্রমণে ভয় ধরিয়েছে কভেন্ট্রি সিটি। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আক্রমণ থেকে কোনো গোল আদায় করতে পারেনি চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে উঠে আসা দলটি। বরং আর্লিং হলান্ডের একমাত্র গোলে ১-০ জিতেছে ম্যানচেস্টার সিটি। এবারের লিগে এটি সিটির তৃতীয় জয়।

তিন ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে আছে ম্যানসিটি। এক ম্যাচ কম খেলে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আর্সেনাল। অন্যদিকে তিন ম্যাচের সব কটিতে হেরে কভেন্ট্রি সিটি এখন ১৯ নম্বরে।

ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতেই অবশ্য বড় সুযোগ পেয়েছিল কভেন্ট্রি। ৮ মিনিটে সুযোগ তৈরি করেন তাইও আওনিয়ি। আন্তোনিও সেমেনিওর ভুল পাস ধরে দ্রুত বক্সে ঢুকে পড়েন নাইজেরিয়ান এই স্ট্রাইকার। সামনে শুধু গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা। তবে ওয়ান-অন-ওয়ানে তাঁর শট বাঁ পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।

এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ম্যানচেস্টার সিটি। ১৪ মিনিটে হলান্ডের জোরালো শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন কভেন্ট্রির গোলরক্ষক কার্ল রাশওয়ার্থ। ৯ মিনিট পর আবার গোলের সম্ভাবনা তৈরি করে সিটি। এনজো ফার্নান্দেজের পাস থেকে বল পেয়ে বক্সে ঢুকে শট নেন শেরকি, কিন্তু ফরাসি উইঙ্গারের শট ডান পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

এই ম্যাচ দিয়েই সিটিজেনদের জার্সিতে অভিষেক হয়েছে এনজোর

শেষ পর্যন্ত সিটি গোলের দেখা পায় ২৬ মিনিটে। সেমেনিওর ক্রসে দারুণ হেডে বল জালে পাঠান হলান্ড। এটি প্রিমিয়ার লিগে তাঁর হেডে ২০তম গোল। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগও পেয়েছিল সিটি। কিন্তু হলান্ডের শট এবারও রুখে দেন রাশওয়ার্থ।

দুই অর্ধে বলের দখলে পরিষ্কার আধিপত্য ছিল ম্যানচেস্টার সিটির। প্রায় ৮০ শতাংশ সময় বল ছিল তাদের পায়ে। স্বাগতিকেরা গোলমুখে নেয় ১৯টি শট, যার ৪টি ছিল লক্ষ্যে। কভেন্ট্রি নেয় ১৫টি শট, লক্ষ্যে ছিল মাত্র ৩টি।

বিরতির পর গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে কভেন্ট্রি। একের পর এক আক্রমণ করলেও সিটির রক্ষণে চিড় ধরাতে পারেনি তারা। ৭০ মিনিটে অবশ্য দারুণ একটি সুযোগ তৈরি করেছিলেন লুডোভিক আজোরক। আওনিয়ি ও বদলি হিসেবে নামা সতীর্থ ইরেনকিয়ির সঙ্গে চমৎকার সমন্বয়ের পর বক্সে ঢুকে নিচু অ্যাঙ্গেল শট নেন এই ফরোয়ার্ড। তবে দ্রুত ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে শক্ত হাতে বলটি ঠেকিয়ে দেন দোন্নারুম্মা।

শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ম্যানসিটি। পুরো ম্যাচে তিনটি সেভ করেছেন দোন্নারুম্মা। এই ম্যাচ দিয়েই সিটিজেনদের জার্সিতে অভিষেক হয় এনজোর।