যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে অনুশীলনে আর্জেন্টিনা দল
যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে অনুশীলনে আর্জেন্টিনা দল

বিশ্বকাপ ফুটবল

গোল না খাওয়ায় সেরা আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ৪৮ দলের মধ্যে ৪৩তম

আর্জেন্টিনা বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের পর এই চার বছরে লিওনেল স্কালোনির দল খেলেছেও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের মতোই। এবার বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সব দলের মধ্যে ‘ক্লিন শিট’ (গোল হজম না করা) ধরে রাখার হারে সেরা আর্জেন্টিনা।

ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবো স্পোর্তের অফিশিয়াল পরিসংখ্যানভিত্তিক মাসকট ‘গাতো মেস্ত্রে’ ২০২৩ সাল থেকে এ হিসাব করেছে। এই চক্রে ৩৯ ম্যাচ খেলে ২৮ ম্যাচেই (৭১.৮ শতাংশ সফলতা) কোনো গোল হজম করেনি আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া আর কোনো দল এ সময়ে শতকরা হারে এত বেশি ম্যাচে ‘ক্লিন শিট’ ধরে রাখতে পারেনি।

শুধু ‘ক্লিন শিট’ ধরে রাখা নয়, ২০২৩ সাল থেকে হিসাব করলে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে এই সময়ে সেরা রক্ষণভাগও আর্জেন্টিনার। ৩৯ ম্যাচে মাত্র ১৪ গোল হজম করেছে স্কালোনির দল। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সব দলের মধ্যে এ সময়ে এটাই সবচেয়ে কম গোল হজম।

মরক্কো এ তালিকায় দ্বিতীয়। এই চক্রে আফ্রিকার দলটি যত ম্যাচ খেলেছে, তার মধ্যে ৬৩.৮ শতাংশ ম্যাচে গোল হজম করেনি। শীর্ষ পাঁচে বাকি তিন দল—সেনেগাল (৫৯%), জাপান (৫৫.৮%) ও ডিআর কঙ্গো (৫৫.৬%)।

মরক্কো ‘ক্লিন শট’ ধরে রাখায়ও দারুণ করেছে। এ চক্রে ৩৭ ম্যাচে তারা কোনো গোল হজম করেনি। কিন্তু আর্জেন্টিনার চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলায় সফলতার শতকরা হারে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটি থেকে পিছিয়ে আশরাফ হাকিমিরা। ৫৮টি ম্যাচ খেলে মরক্কো ২০২৩ সাল থেকে। এ চক্রে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা চারটি দলের একটি মরক্কো—আলজেরিয়া (৬১), সেনেগাল (৬১), দক্ষিণ আফ্রিকা (৬০) ও মরক্কো (৫৮)।

পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এই চক্রে ২৯.৭ শতাংশ ম্যাচে ‘ক্লিন শিট’ ধরে রাখতে পেরেছে। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮টি দলের মধ্যে এ সময়ে ‘ক্লিন শিট’ ধরে রাখার তালিকায় ৪৩তম ব্রাজিল। ২০২২ বিশ্বকাপের পর থেকে এ পর্যন্ত ৪২ গোল (ম্যাচপ্রতি ১.১৭টি) হজম করেছে ব্রাজিল। ৩৭ ম্যাচের মাত্র ১১টিতে ক্লিন শট ধরে রাখতে পেরেছে তারা। ১১ জুন শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপের আগে নিজেদের সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচেই গোল হজম করেছে কার্লো আনচেলত্তির দল।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে অনুশীলনে ব্রাজিল ফুটবল দল

শুধু ব্রাজিল নয়, বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট ফ্রান্সের রক্ষণও এ চক্রে ভালো করতে পারেনি। ৪০ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ১৮টিতে ক্লিন শিট ধরে রাখতে পেরেছে দিদিয়ের দেশমের দল। স্পেন ৩৮ ম্যাচের মধ্যে ১৮টিতে ক্লিন শিট ধরে রাখতে পেরেছে। আরেক ফেবারিট পর্তুগাল ৪৯ ম্যাচের মধ্যে ২৩ ম্যাচে ক্লিন শিট ধরে রাখতে পেরেছে। তালিকায় এই তিনটি দলই শীর্ষ দশের বাইরে।