
এক দিন আগেই তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষা হয়েছিল, পেয়েছিলেন ভালো খবরও। পরদিন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ নেমে পড়েছিলেন গ্লাভস হাতে। কিন্তু গ্লাভস হাতে অনুশীলনের দ্বিতীয় দিনে এসে অস্বস্তিতে পড়েছেন তিনি। তাতে আর্জেন্টিনার জন্য দুশ্চিন্তাও বেড়েছে।
অনুশীলনের শুরুতে আলবিসেলেস্তে গোলরক্ষক দুই হাতেই গ্লাভস পরে নামেন। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অস্বস্তি বোধ করেন, ব্যথায় কাতরাতেও দেখা যায় তাঁকে।
একপর্যায়ে গ্লাভস খুলে অন্য গোলরক্ষকদের সঙ্গে ‘ফুট টেনিস’ খেলায় মেতে ওঠেন মার্তিনেজ। অনুশীলনের সময়ে এই খেলায় বাকি গোলরক্ষকদের হাতে গ্লাভস থাকলেও মার্তিনেজের তা ছিল না।ড্রেসিংরুমে ফেরার সময় অবশ্য মার্তিনেজ টিওআইসি স্পোর্টসের কাছে সব ঠিক আছে বলে নিশ্চিত করেছেন, ‘থাম্বস আপ’ দিয়ে আশ্বস্ত করেছেন উপস্থিত সবাইকে।
ক্লাবে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে খেলা আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক ইউরোপা লিগের ফাইনালের আগে গা গরমের সময় ডান হাতের অনামিকা আঙুলের হাড় ভেঙে ফেলেছিলেন। সেই চোটের পর গত বৃহস্পতিবার তিনি প্রথমবারের মতো গ্লাভস পরে অনুশীলন করেন।
গ্লাভস পরে অনুশীলনের দ্বিতীয় দিনে এসে দুই হাত দিয়েই তাঁর দিকে ছুড়ে দেওয়া বলগুলো গ্রিপ করছিলেন, যেখানে আগের দিন তিনি ডান হাত ব্যবহারই করেননি। তবে এই স্বস্তির খবরটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি, কারণ এর কয়েক মিনিট পরই তাঁকে ব্যথায় অস্বস্তিতে পড়তে দেখা গেছে।
আর্জেন্টিনা দলের অনুশীলনের প্রথম ১৫ মিনিট সংবাদমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত থাকায় টিওআইসি স্পোর্টসের ক্যামেরায় সেই দৃশ্য ধরা পড়ে। হাতের এই সমস্যা নিয়ে বিরক্তিও প্রকাশ করতে দেখা গেছে তাঁকে। চোট পাওয়া আঙুলটির জায়গায় এক ধরনের ব্যান্ডেজ দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছিল।
কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ ১৭ জুন, বাংলাদেশ সময় সকাল সাতটায়।