- ইতিহাস...
- বাংলাদেশের ইতিহাস
- জয়ের পথে...
- শুরুতেই আউট তানজিদ
- জেনে রাখুন
- অস্ট্রেলিয়া ২৮৪
- আবার হাসান মাহমুদ
- সেঞ্চুরি পেলেন ক্যামেরন গ্রিন
- দ্বিতীয় সেশনে দারুণ শুরু
- সকালের সেশন বাংলাদেশের
- বাংলাদেশকে ‘টার্গেট’ দেওয়া নিশ্চিত করল অস্ট্রেলিয়া
- ফাস্ট বোলার স্টার্ক কতটা ব্যাটসম্যান
- আউট! এবার মিরাজের শিকার কামিন্স
- অস্ট্রেলিয়ার দুই শ
- প্রথম ঘণ্টায় এগিয়ে বাংলাদেশ
- আউট ওয়েবস্টার, অসাধারণ মিরাজ
- টেস্ট চতুর্থ দিনে যাবে না ধরে নিয়ে...
- গ্রিনের ফিফটি
- মিরাজের ছোবলে আউট ক্যারি
- ক্যাচ উঠেছিল!
- অস্ট্রেলিয়ার ১৫০...
- গ্রিনের সঙ্গে ক্যারি
- স্মিথ আউট
- এক শহরে দুটি বাংলাদেশ
- উইকেটের খোঁজে বাংলাদেশ
- অস্ট্রেলিয়ার ১০০...
- বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখছেন গিলেস্পি
- লাবুশেন বোল্ড...
- স্মিথ + লাবুশেন
- এই সেশন দুই দলেরই
- এমন দৃশ্য এর আগে দেখেছেন!
- হেডকে বোল্ড করলেন হাসান
- জুটি গড়ার চেষ্টায় অস্ট্রেলিয়া
- বাংলাদেশের প্রথম উইকেট
- রেকর্ড হলো না!
- ২২৮ রানের লিড পেল বাংলাদেশ
- হ্যাজলউডের কীর্তি
- ৬৫ রানে আউট মিরাজ
- বাংলাদেশ ৭-০ অস্ট্রেলিয়া (সকালের সেশন শেষে)
- ‘বাংলাদেশবল’
- স্মিথের অবিশ্বাস্য মিস, চার শ পেরিয়ে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশের ২০০ রানের লিড
- মিরাজের ফিফটি
- ২০০৬ ফতুল্লা পেরিয়ে...
- প্রথম ঘণ্টায় ২ উইকেট, ২৯ রান
- আউট! এবার তাইজুল
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ
- আউট! হাসান ফিরলেন
- তৃতীয় দিনে কতদূর যাবেন মিরাজ-হাসান
- দ্বিতীয় দিন শেষেও এগিয়ে বাংলাদেশ
- লিড ছাড়াল ১৫০
- রয়েসয়ে এগোচ্ছে বাংলাদেশ
- এবার ফিরলেন মুশফিকও
- মুশফিকের ক্যাচে স্মিথের কীর্তি
- আউট হলেন লিটন
- নাজমুল ৮৪, বাংলাদেশের ৩০০
- নতুন বল
- বাংলাদেশের টানা পাঁচ সেশন জয়
- তানজিদের বিদায়
- তানজিদের প্রথম সেঞ্চুরি
- বাংলাদেশের ২০০ ও লিড
- প্রথম সেশনও বাংলাদেশের
- দেড় শ পেরিয়ে বাংলাদেশ
- ৪৯ রানে আউট মুমিনুল
- প্রথম ছক্কা, গ্রেট শট!
- পানির পানের ফাঁকে...
- প্রথম ফিফটি তানজিদের
- হ্যাজলউড একটু দেরিতে
- জমাট ব্যাটিং মুমিনুল-তানজিদের
- দ্বিতীয় দিনে ওয়েবস্টারে শুরু অস্ট্রেলিয়ার
- শেষ হলো প্রথম দিনের খেলা
- মুমিনুল ও তানজিদের জুটিতে ৫০
- মুমিনুল ও তানজিদ
- এক নম্বর স্টার্ক
- ২০ রান করে ফিরলেন সাদমান
- বাংলাদেশের ভালো শুরু
- জীবন পেলেন তানজিদ
- সব উইকেট পেসারদের
- একটি বাংলাদেশি প্রদর্শনী
- হাসানের স্বপ্নযাত্রা
- স্মিথ আউট, হাসানের ৫ উইকেট
- দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশের দাপট
- হাসানের চার নম্বর
- বোলিংয়ে এসেই হাসানের উইকেট
- গড়পড়তা ফিল্ডিং
- ফিরলেন ওয়েবস্টার
- বোল্ড...
- স্মিথ–ক্যারির জুটি
- লাঞ্চের বিরতি
- আউট গ্রিন, তাসকিনের উদ্যাপন
- ৩ উইকেটকাহন
- আউট এবং ইবাদতের স্যালুট
- স্মিথের ক্যাচ মিস!
- ফিরলেন তাসকিন
- হেডকেও শিকার হাসানের
- প্রথম উইকেট হাসানের
- বোলিংয়ে ইবাদত
- দুই দিকেই নিচ্ছেন হাসান
- উইকেটে ঘাসের সুবিধা...
- এক প্রান্তে তাসকিন, অন্য প্রান্তে হাসান মাহমুদ
- ছোট্ট আনুষ্ঠানিকতা
- অস্ট্রেলিয়া একাদশ
- বাংলাদেশ একাদশ
- টস
- টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কেমন বাংলাদেশ
- স্বাগতম
ইতিহাস...
যেকোনো সংস্করণে এটাই বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়।নাজমুল হোসেন, অধিনায়ক, বাংলাদেশ
বাংলাদেশের ইতিহাস
অবিশ্বাস্য!
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে হারাল বাংলাদেশ। সেই জয়টাও এসেছে ৯ উইকেটে। টানা ১১টি সেশন অস্ট্রেলিয়াকে ডমিনেট করে।
টেস্টের আগে আলোচনা ছিল বাংলাদেশ এই টেস্ট তৃতীয় দিনে নিয়ে যেতে পারবে কি না, তা নিয়ে! টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান এক নম্বরে, আর বাংলাদেশ নয়ে। এমন আলোচনা–সমীকরণের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেট হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ।
ঐতিহাসিক এই জয়ের নায়ক অনেকেই। প্রতিদিন, প্রতি সেশনে বাংলাদেশ নতুন নায়ক খুঁজে পেয়েছে। প্রথম দিনে হাসান, দ্বিতীয় দিনে তানজিদ, তৃতীয় দিনে মিরাজের পাশাপাশি অন্যরাও নিজেদের কাজটা করেছে। দল হিসেবে এমন পারফরম্যান্সের ফলই বাংলাদেশের ৯ উইকেটের জয়।
ম্যাচসেরা হয়েছেন ৯ উইকেট নেওয়া হাসান মাহমুদ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
অস্ট্রেলিয়া: ১৯৮ ও ২৮৪ (গ্র্রিন ১০৪, স্মিথ ৪৪, লাবুশেন ৩১, ক্যারি ৩০, স্টার্ক ১৮, লায়ন ১৫; মিরাজ ৫/৬৬, হাসান ৩/৫৬, তাসকিন ১/৬৬, তাইজুল ১/৫১, ইবাদত ০/৩৮) বাংলাদেশ: ৪২৬ ও ১/৫৭ (মুমিনুল ৩০, সাদমান ২৫, তানজিদ ০; হ্যাজলউড ১/৫, স্টার্ক ০/১৫, লায়ন ০/২৩)। ফল: বাংলাদেশ ৯ উইকেটে জয়ী।
আরও বিস্তারিত পড়ুন
জয়ের পথে...
বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ৫ ওভারে ১৮/১। লক্ষ্য ৫৭।
আর দরকার ৩৯ রান। ৫ ওভার শেষে বোলিং আক্রমণে এসেছেন স্পিনার নাথান লায়ন। দ্রুত রান তোলার জন্য সেটা বাংলাদেশের জন্য সহায়কও হতে পারে।
শুরুতেই আউট তানজিদ
বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ৩ ওভারে ৯/১। লক্ষ্য ৫৭।
জশ হ্যাজলউডের বলে শূন্য রানে বোল্ড হলেন তানজিদ। বাংলাদেশ ৪ রানে হারিয়েছে প্রথম উইকেট। উইকেটে মুমিনুল হক। নতুন বলে শুরুর কয়েকটা ওভার কঠিন হতে পারে। এই সময়টা সাবধানে এগোতে হবে বাংলাদেশকে।
জেনে রাখুন
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কোনোদিন টেস্ট জেতেনি শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তান সর্বশেষ টেস্ট জিতেছে ১৯৯৫ সালে।
অস্ট্রেলিয়া ২৮৪
দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ২৮৪ রানে গুটিয়ে দিল বাংলাদেশ। ২২৮ রানে পিছিয়ে থাকা অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশকে লক্ষ্য দিতে পেরেছে মাত্র ৫৭ রানের। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জিততে বাংলাদেশের লক্ষ্য এখন ৫৭।
অস্ট্রেলিয়াকে ২৮৪ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পথে ৫ উইকেট নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। পেসার হাসান মাহমুদ নিয়েছেন ৩ উইকেট।
অলরাউন্ডার মিরাজের বাড়তি প্রশংসা না করলেই নয়! আজ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়েছেন এই স্পিনার। এর আগে গতকাল খেলেছেন ৬৫ রানের অসাধারণ ইনিংস।
আবার হাসান মাহমুদ
অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: ৯৩ ওভারে ২৭৮/৯
সেঞ্চুরিয়ান ক্যামেরন গ্রিনকে ফেরালেন হাসান মাহমুদ। হাসানের অফ স্টাম্পের ওপর ব্যাক অব লেংথ ডেলিভারিটা নিচু হয়ে গিয়েছিল। তাতে বোল্ড হয়েছেন গ্রিন। বাংলাদেশের আর এক উইকেটের অপেক্ষা।
ম্যাচে এটি হাসানের নবম উইকেট।
সেঞ্চুরি পেলেন ক্যামেরন গ্রিন
অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: ৯১ ওভারে ২৭৪/৮
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি করলেন ক্যামেরন গ্রিন। সব মিলিয়ে এটি তাঁর তৃতীয় সেঞ্চুরি। দারুণ এই সেঞ্চুরিটি গ্রিন করেছেন দলের বিপদের সময়ে। তাঁর ব্যাটিংয়েই অস্ট্রেলিয়ার লিড এখন ৪৬ রানের।
দ্বিতীয় সেশনে দারুণ শুরু
অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: ৮৭ ওভারে ২৫১/৮
উইকেট প্রয়োজন ছিল। তাসকিন এনে দিলেন। ১৮ রান করা মিচেল স্টার্ককে ফেরালেন এই পেসার। তাতে ভেঙেছে ক্যামেরন গ্রিন ও স্টার্কের ৪৩ রানের জুটি।
অস্ট্রেলিয়ার লিড ২৪ রান। হাতে আছে দুই উইকেট।
সকালের সেশন বাংলাদেশের
সকালের সেশনে ৩১ ওভারের খেলা হয়েছে। উইকেট পড়েছে ৩টি। সবগুলো উইকেটই মিরাজের। অস্ট্রেলিয়া তুলেছে ৮২ রান।
অ্যালেক্স ক্যারি, বো ওয়েবস্টার ও প্যাট কামিন্সকে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ক্রিজে আছেন ক্যামেরন গ্রিন (৮৫*) ও মিচেল স্টার্ক (১৪*)। ৩৬ রানের জুটি গড়েছেন দুজন।
অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংস: ৮৪ ওভারে ২৪৩/৭। ১৫ রানের লিড নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে এখন পর্যন্ত ৪ উইকেট নিয়েছেন মিরাজ। তার মধ্যে ৩টি আজ সকালে। বড় বাঁকের সঙ্গে বাউন্সও পেয়েছেন মিরাজ।
লাঞ্চের বিরতিতে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার ও ধারাভাষ্যকার ব্রেন্ডন জুলিয়ানকে মিরাজ নিজের বোলিং নিয়ে বলেন, ‘সহজভাবে সবকিছু করতে চেয়েছি। অফ স্টাম্পের বাইরে (পিচে) প্রচুর ফুটমার্কস আছে, সেখানে বল ফেলার চেষ্টা করেছি। সব ওভারেই উইকেটের খোঁজ করিনি। এমন উইকেটে শৃঙ্খলা রেখে বোলিং গুরুত্বপূর্ণ।’
ডারউইন টেস্টে জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ। আগে থেকেই অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর পরিকল্পনা ছিল কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে মিরাজ বলেন,‘ এখানে আমরা খুব ভালো অনুশীলন করেছি। নিজেরা ভেবেছি যে এটা আমাদের জন্য দারুণ এক সুযোগ। তাদের হারাতে পারলে, সেটা আমাদের দেশ ও খেলোয়াড়দের জন্যই মঙ্গল।’
বাংলাদেশকে ‘টার্গেট’ দেওয়া নিশ্চিত করল অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংস: ৮১ ওভারে ২২৯/৭।
১ রানের লিড নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
৮০ ওভার শেষে নতুন বল নিয়েছে বাংলাদেশ। বোলিংয়ে হাসান মাহমুদ।
ফাস্ট বোলার স্টার্ক কতটা ব্যাটসম্যান
টেস্টে ১৫৪ ইনিংসে ১৩টি ফিফটি আছে স্টার্কের। সর্বোচ্চ ৯৯। ইনিংসে সর্বোচ্চ খেলেছেন ১৪৪ বল। ইনিংসে ছয়বার এক শর বেশি বল খেলেছেন স্টার্ক।
আউট! এবার মিরাজের শিকার কামিন্স
অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংস: ৭৫ ওভারে ২১২/৭।
১৬ রানে পিছিয়ে অস্ট্রেলিয়া।
একটু একটু করে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ার সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ। আর আজ সকালের সেশনে সেই সুবাস পাইয়ে দিচ্ছেন মিরাজ। ৩টি উইকেট নিয়েছেন। ইনিংসে তাঁর চতুর্থ উইকেট।
৭৪ তম ওভারের শেষ বলে তাঁর সর্বশেষ শিকার অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।
শর্ট লেগে সাদমানের শার্প ক্যাচ! আটে নামা কামিন্স ফিরলেন ৮ রানে।
ক্রিজে গ্রিনের সঙ্গে নতুন ব্যাটসম্যান নয়ে নামা মিচেল স্টার্ক। গ্রিন ৬৪ রানে অপরাজিত। টেল এন্ডার ব্যাটসম্যানদের নিয়ে কতক্ষণ লড়তে পারবেন তিনি?
অস্ট্রেলিয়ার দুই শ
অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংস: ৭১ ওভারে ২০০/৬।
২৮ রানে পিছিয়ে অস্ট্রেলিয়া।
কামিন্স ৩ ও গ্রিন ৬২ রানে অপরাজিত।
টেস্টে তিনটি ফিফটি আছে ফাস্ট বোলার কামিন্সের। সর্বোচ্চ ৬৪*। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সব মিলিয়ে ৬টি ফিফটি। ইনিংসে সর্বোচ্চ ১২১ বল খেলেছেন ২০১৮ সালে ভারতের বিপক্ষে অ্যাডিলেড টেস্টে। ইনিংসে এক শর বেশি বল খেলেছেন চারবার।
মিরাজ ২টি উইকেট নেওয়ায় ‘টেল’ অর্থাৎ ব্যাটিংয়ের ‘লেজ’ বের হয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়ার। আটে নামা কামিন্সের কাঁধেও এখন গুরু দায়িত্ব।
প্রথম ঘণ্টায় এগিয়ে বাংলাদেশ
পানি পানের বিরতি। প্রথম ঘণ্টার খেলায় ২ উইকেট নিয়ে ইতিহাস গড়ার আরেকটু কাছে বাংলাদেশ। ২টি উইকেটই মিরাজের।
অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংস: ৬৮ ওভারে ১৯৫/৬।
৩৩ রানে পিছিয়ে অস্ট্রেলিয়া।
আউট ওয়েবস্টার, অসাধারণ মিরাজ
অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংস: ৬৭ ওভারে ১৯৫/৬।
৩৩ রানে পিছিয়ে অস্ট্রেলিয়া।
দুর্দান্ত ডেলিভারি! অফস্পিন মাস্টারক্লাস!
ওয়েবস্টার ভেবেছিলেন বাঁক নেবে। কিন্তু স্ট্রেট ডেলিভারিতে বোকা বনে যান। শেষ মুহূর্তে সামনে ব্যাট এনেও বল পাননি। বোল্ড!
বাংলাদেশ ইতিহাস গড়ার আরেকটু কাছে।
৫ রানে আউট ওয়েবস্টার। ক্রিজে অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।
৩ উইকেট নিয়েছেন মিরাজ। আজ সকালের সেশনে ২টি।
টেস্ট চতুর্থ দিনে যাবে না ধরে নিয়ে...
মাঠ থেকে প্রথম আলো ক্রীড়া সম্পাদক তারেক মাহমুদ জানালেন, মারারা স্টেডিয়ামে আজ দর্শক নেই বললেই চলে। গ্যালারি প্রায় ফাঁকা, মাঠের বাইরেও নেই গত তিন দিনের উৎসবমুখর পরিবেশ। এমনকি স্টেডিয়ামের প্রিমিয়াম এক্সপেরিয়েন্স লাউঞ্জ, যেটি মূলত ভিআইপি লাউঞ্জ হিসেবেই পরিচিত, সেখানেও প্রতিটি চেয়ার খালি!
অন্যদিনে বিলাসবহুল এই লাউঞ্জ সাবেক ক্রিকেটার, ক্রিকেট কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে গমগম করত। সারাদিনের জন্যই থাকত বুফে খাওয়া আর পানীয়য়ের আয়োজন। অথচ আজ কিছুই নেই! পুরো লাউঞ্জ খালি, বসানো হয়নি খাওয়ার টেবিলও।
লাউঞ্জের এক কর্মী জানালেন এর পেছনের কারণ। ডারউইন টেস্ট তৃতীয় দিনের পর যাবে না ধরে নিয়ে চতুর্থ দিনের জন্য কেউ প্রিমিয়াম এক্সপেরিয়েন্স লাউঞ্জের টিকিটই কাটেনি! শেষ পর্যন্ত টেস্ট চতুর্থ দিনে গেলেও অস্ট্রেলিয়ার অবস্থা যেহেতু শোচনীয়, নতুন করেও আর টিকিট বিক্রি হয়নি। তাই স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ কালই জানিয়ে দিয়েছে, প্রিমিয়াম এক্সপেরিয়েন্স লাউঞ্জ আজ বন্ধ থাকবে।
গ্রিনের ফিফটি
অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংস: ৬২ ওভারে ১৮৩/৫।
৪৫ রানে পিছিয়ে অস্ট্রেলিয়া।
৬১ তম ওভারে শেষ বলে ৩ রান নিয়ে ফিফটি গ্রিনের। ভীষন চাপের মুখে ভালো ইনিংস। তবে এখনো অনেক পথ বাকি। গ্রিনের ক্যারিয়ারে ৮ম ফিফটি। সর্বশেষ ১৩ ইনিংসে প্রথম।
অস্ট্রেলিয়ার বড় জুটি দরকার। গ্রিন-ওয়েবস্টারের এটাই মূল দায়িত্ব। দুই অলরাউন্ডারকে দীর্ঘ সময় ব্যাট করতে হবে।
মিরাজের ছোবলে আউট ক্যারি
অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংস: ৬০ ওভারে ১৭৮/৫।
৫০ রানে পিছিয়ে অস্ট্রেলিয়া।
চতুর্থ দিনের উইকেটে এটাই প্রত্যাশিত।
নিজের আগের ওভারেই বড় বাঁক পেয়েছিলেন মিরাজ। এবার তেমন এক বাঁকেই ধরা পড়লেন ক্যারি!
৫৯.৩ ওভারে মিরাজের বড় বাঁকের ডেলিভারি। বল উঠেছিল একটু। ক্যারির ব্যাটের কানায় ছোবল মেরে জমা পড়ে লিটন দাসের গ্লাভসে। সকালের সেশনে প্রথম উইকেট!
৭২ বলে ৩০ রানে ফিরলেন ক্যারি। ৫৬ রানের জুটি ভাঙল ক্যারি-গ্রিনের।
ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান বো ওয়েবস্টার।
ক্যাচ উঠেছিল!
অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংস: ৫৮ ওভারে ১৭৩/৪।
৫৫ রানে পিছিয়ে অস্ট্রেলিয়া।
চতুর্থ দিনে সকালের সেশনে প্রথম পাঁচ ওভারের মধ্যে একটি সুযোগ উঠেছে।
৫৬.৪ ওভারে হাসান মাহমুদের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলেছিলেন অ্যালেক্স ক্যারি। উইকেটকিপার লিটন দাস ডাইভ দিয়েছিলেন, নিতে পারেননি। বলটা বেশ নিচু হয়ে এসেছিল। ফিফটি-ফিফটি চান্স!
গ্রিন ৪৮ ও ক্যারি ২৬ রানে অপরাজিত। ৫১ রান উঠেছে দুজনের জুটিতে।
৬৭ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ
অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: ৫৩ ওভারে ১৬১/৪
ডারউইন টেস্টে এখনো এগিয়ে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া ৬৭ রানে পিছিয়ে থেকে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে। অ্যালেক্স ক্যারি ও ক্যামেরন গ্রিন শেষ বিকেলটা ভালোভাবেই সামলেছেন। গড়েছেন অবিচ্ছিন্ন ৩৯ রানের জুটি। দ্রুতই এই জুটিটা ভাঙতে চাইবে বাংলাদেশ।
ম্যাচে পিছিয়ে থাকলেও গত দুই দিনের তুলনায় আজকে তুলনামূলক ভালো ক্রিকেট খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশ আজ যোগ করতে পেরেছে ৭৫ রান। অস্ট্রেলিয়ার পেসার জশ হ্যাজলউড নিয়েছেন ৬ উইকেট।
২২৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার কেউ এখনো ফিফটি পাননি, তবে ছোট ছোট ইনিংসগুলো তাদের লড়াইয়ে টিকিয়ে রেখেছে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
অস্ট্রেলিয়া : ১৯৮ ও ৫৩ ওভারে ১৬১/৪ (স্মিথ ৪৪, গ্রিন ৪৩*, লাবুশেন ৩১, হেড ১৭, ক্যারি ৭*; হাসান ২/৩৩, তাসকিন ০/৩৮, ইবাদত ০/৩৮, তাইজুল ১/২৮, মিরাজ ১/২০)। বাংলাদেশ: ৪২৬।
অস্ট্রেলিয়ার ১৫০...
অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: ৪৯ ওভারে ১৫০/৪
বড় ইনিংস খেলার পথে ক্যামেরন গ্রিন। ৪০ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। আজকের দিনে খেলা বাকি আছে ১৫ মিনিটের মতো। উইকেট নিয়ে দিন শেষ করতে পারলে অনেকটাই এগিয়ে যেত বাংলাদেশ! কে উইকেট পাবে?
৭৮ রানে পিছিয়ে অস্ট্রেলিয়া।
গ্রিনের সঙ্গে ক্যারি
অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: ৪৪ ওভারে ১৩৯/৪
এখন অ্যালেক্স ক্যারিকে নিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টায় আছেন ক্যামেরন গ্রিন। এই জুটি থেকে এখন পর্যন্ত ৪০ বলে এসেছে ১৭ রান। গ্রিন অপরাজিত ৩৪ রানে। অস্ট্রেলিয়া এখনো পিছিয়ে ৮৯ রানে।
দিনের খেলা বাকি এখনো আধা ঘণ্টা।
স্মিথ আউট
অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: ৩৮ ওভারে ১২৪/৪
এই উইকেটটাই দরকার ছিল বাংলাদেশের। সেটা এনে দিলেন মিরাজ। ৪৪ রান করা স্মিথকে আউট করে বাংলাদেশকে ম্যাচে অনেকটাই এগিয়ে দিলেন এই অলরাউন্ডার। নিজের বলে ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে দারুণভাবে ক্যাচটি নিয়েছেন মিরাজ। মিরাজের এই উইকেট ম্যাচে ভাগ্য গড়ে দিতে পারে।
অস্ট্রেলিয়া এখনো পিছিয়ে ১০৪ রানে।
এক শহরে দুটি বাংলাদেশ
ডারউইনে এখন বাংলাদেশের দুটি ক্রিকেট দল। জাতীয় দল তো টেস্ট খেলছেই, টপ এন্ড টি–টুয়েন্টি টুর্নামেন্ট খেলতে আজ সকালে নর্দান টেরিটরির রাজধানী শহরে পৌঁছেছে বাংলাদেশ হাইপারফরম্যান্স দলও। দলের সঙ্গে মেন্টর হিসেবে আছেন জাতীয় দলের সাবেক টি–টুয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। মারারা স্টেডিয়ামেই টপ এন্ড টি–টুয়েন্টি টুর্নামেন্ট শুরু হবে ২১ আগস্ট থেকে। জাতীয় দল অবশ্য তখন দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে থাকবে ম্যাকাইয়ে।
উইকেটের খোঁজে বাংলাদেশ
অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: ৩৪ ওভারে ১১৬/৩
প্রথম ইনিংসে ফিফটি করা স্মিথ এই ইনিংসেও আছেন ফিফটির পথে। অপরাজিত আছেন ৪২ রানে, তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছেন ১৯ রানে ব্যাটিং করা গ্রিন।
অস্ট্রেলিয়া এখনো পিছিয়ে ১১২ রানে।
অস্ট্রেলিয়ার ১০০...
অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: ২৮ ওভারে ১০৩/৩
ধীরে ধীরে লিড কমিয়ে আনছে অস্ট্রেলিয়া। স্কোরবোর্ডে দলটির রান এখন ১০০ এর বেশি। লাবুশেনকে হারানোর পর ক্যামেরন গ্রিনকে নিয়ে জুটি গড়েছেন স্মিথ। এই জুটি থেকে এসেছে এখন পর্যন্ত ৩০ রান।
অস্ট্রেলিয়া এখনো পিছিয়ে ১২৫ রানে।
বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখছেন গিলেস্পি
ইতিহাস পুরোপুরি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এবং বাংলাদেশের পক্ষে। তবে বাংলাদেশ ইনিংস ব্যবধানে জিতবে বলে মনে হয় না।জেসন গিলেস্পি, অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার
লাবুশেন বোল্ড...
অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: ২০ ওভারে ৭৩/৩
স্মিথের সঙ্গে লাবুশনের ৩৬ রানের জুটি ভাঙলেন তাইজুল। বোল্ড করে ফেরালেন লাবুশেনকে।
তাইজুলের মিডল ও লেগ স্টাম্প বরাবর ফুল লেংথের বল মিস করে বোল্ড হয়েছেন তিনি। করেছেন ৩১ রান।
স্মিথ + লাবুশেন
অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: ১৯ ওভারে ৬৬/২
তৃতীয় সেশনেও স্বচ্ছন্দে ব্যাটিং করছেন স্মিথ ও লাবুশেন। এখন পর্যন্ত এই জুটি তুলেছে ২৯ রান। এখনো পিছিয়ে ১৬২ রানে।
অস্ট্রেলিয়া দলের দুই ব্যাটিং স্তম্ভ স্মিথ ও লাবুশেন। দুজনেই বড় ইনিংস খেলতে ওস্তাদ। তাই দ্রুতই এই জুটি ভাঙতে হবে বাংলাদেশকে।
এই সেশন দুই দলেরই
অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: ১৭ ওভারে ৫১/২
এখনো ১৭৭ রানে পিছিয়ে অস্ট্রেলিয়া। ২ উইকেটে ৫১ রান নিয়ে চা বিরতিতে গেছে দলটি। আউট হয়েছেন জেক ওয়েদারাল্ড ও ট্রাভিস হেড। ক্রিজে আছেন স্টিভ স্মিথ ও মারনাস লাবুশেন।
এই সেশনে ব্যাট হাতে বাংলাদেশ যোগ করতে পেরেছে ৯ রান। হ্যাজলউডের কল্যাণে দ্রুতই বাংলাদেশের ২ উইকেট তুলে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়ে হ্যাজলউড টেস্টে ৩০০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ার নবম বোলার হিসেবে এই কীর্তি গড়েছেন।
নতুন বলে শুরুটা দারুণ করেছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদ অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার ওয়েদারাল্ড (০) ও ট্রাভিস হেডকে (১৭) ফিরিয়েছেন। তবে এরপর স্টিভ স্মিথ (৮*) ও মারনাস লাবুশেন (২১*) স্বচ্ছন্দে ব্যাট করছেন। ছোট জুটিতেই আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছে দুজনকে।
প্রথম দিনে ঘাসে ঢাকা উইকেটের চেয়ে ব্যাটিংয়ের জন্য আজকের উইকেটকে অনেক ভালো মনে হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া তাই এখনো লড়াই থেকে ছিটকে যায়নি।
এমন দৃশ্য এর আগে দেখেছেন!
অফ স্টাম্পের বাইরে ফুল লেংথের বল। সেটি ঠিকমতো খেলতে পারেননি স্মিথ। বল যায় লিটন দাসের হাতে। বল ব্যাটে লেগেছে মনে করে জোরালো আবেদন করে বাংলাদেশ। আর আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনাও সেই আবেদন সাড়া দেন।
তবে স্মিথ জানতেন বল তাঁর ব্যাটে লাগেনি। তিনি রিভিউর ইঙ্গিত দেন, আর সেটা ধর্মসেনা আঙুল তোলার আগেই!
হেডকে বোল্ড করলেন হাসান
অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: ৩৮/২
হাসানের বলে কাট শট খেলতে চেয়েছিলেন হেড। কিন্তু বলটি ছিল শরীরের খুব কাছাকাছি। ফল? ব্যাটে লেগে আঘাত হানল স্টাম্পে। হেড ফিরলেন ১৭ রানে। ম্যাচে হাসানের এটি অষ্টম উইকেট। উইকেটে এসেছেন স্মিথ, এই উইকেটটা দরকার বাংলাদেশের।
১৯০ রানে পিছিয়ে অস্ট্রেলিয়া।
জুটি গড়ার চেষ্টায় অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: ১০ ওভারে ৩৬/১
ডারউইনের উইকেট এখনো ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ ভালো। উইকেট নিতে হলে বোলারদের বাড়তি কাজ করে যেতে হবে। সেটা কি পারবেন তাসকিনরা?
প্রথম উইকেট দ্রুত হারানোর পর অস্ট্রেলিয়া অবশ্য ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ট্রাভিস হেড ও লাবুশেন দুজনেই খেলছেন সাবলীলভাবে। অস্ট্রেলিয়া এখনো ১৯২ রানের পিছিয়ে।
বাংলাদেশের প্রথম উইকেট
অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: ২ ওভারে ৭/১
হাসানের স্বপ্নযাত্রা চলছে। প্রথম ইনিংসে ব্যাটে–বলে পারফর্ম করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে নিজের প্রথম ওভারেই পেলেন উইকেট। বোল্ড করে ফেরালেন ওয়েদারাল্ডকে। অস্ট্রেলিয়া পিছিয়ে ২২১ রানে।
রেকর্ড হলো না!
২২৮ রানের লিড পেল বাংলাদেশ
বাংলাদেশের ইনিংস থামল ৪২৬ রানে। প্রথম ইনিংস লিড ২২৮ রানের। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হয়েছেন ইবাদত হোসেন। এই উইকেটটিও নিয়েছেন জশ হ্যাজলউড।
৬ উইকেটে ৩৫১ রানে দিন শুরু করা বাংলাদেশ আজ যোগ করতে পেরেছে ৭৫ রান। এর অবদান ৬৫ রান করা মেহেদী হাসান মিরাজের। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন তাইজুল–তাসকিনরা।
বেশিরভাগ ব্যাটসম্যানই নিজেদের কাজটা করেছেন বলেই বাংলাদেশের রান চারশ পেরিয়েছে। সেঞ্চুরি করেছেন তানজিদ, ৮৪ রান এসেছে অধিনায়ক নাজমুলের ব্যাট থেকে। মুমিনুলের ৪৯, মুশফিকের ৩৬ রানের মতো ইনিংসও ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এখন লিড কাজে লাগানোর পালা।
হ্যাজলউডের কীর্তি
৬৫ রানে আউট মিরাজ
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১৩৪ ওভারে ৪১৮/৯
মিরাজের দারুণ ইনিংসের সমাপ্তি। দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ওভারে জশ হ্যাজলউডের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন ৬৫ রান করা মিরাজ। তাঁর ব্যাটেই বাংলাদেশ ২০০ রানের বেশি লিড পেয়েছে।
এটি ছিল ইনিংসে হ্যাজলউডের পঞ্চম উইকেট।
৩.৬৫ %
প্রথম ইনিংসে ২০০+ রানে ৮২ বার পিছিয়ে পড়ে মাত্র তিনবার জিতেছে অস্ট্রেলিয়া।
এও সম্ভব!
ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামের প্রেস বক্স থেকে প্রথম আলোর ক্রীড়া সম্পাদক তারেক মাহমুদ জানালেন,
সাপ্তাহিক ছুটির দিনটা টেস্ট ম্যাচ দেখে কাটাতে মারারা স্টেডিয়ামে আজ পরিপূর্ণ গ্যালারি। অস্ট্রেলিয়ান দর্শকেরা তো আছেনই, অনেক প্রবাসী বাংলাদেশী দর্শকও আছেন। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা টেস্টের প্রথম দুই দিনের মতো আজ প্রথম সেশনটাও হতাশই করেছে অস্ট্রেলিয়ার সমর্থকদের।
আরও একটা সেশন পেরিয়ে গেছে, তবু বাংলাদেশকে অলআউট করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। লিডটা ২১৯ এ নিয়ে গিয়ে বাংলাদেশ লাঞ্চে গেছে ৮ উইকেটে ৪১৭ রান নিয়ে। এমনিতেই এই টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে বেশ ভোগাচ্ছে বাংলাদেশ। তারওপর আজ প্রথম সেশনে দেখতে হয়েছে অস্ট্রেলিয়ান ফিল্ডারদের একের পর এক ক্যাচ ছাড়ার প্রদর্শণী। মিরাজের সঙ্গে বাংলাদেশের টেল এন্ডাররা প্রেসবক্সে রীতিমতো হতাশা নামিয়ে এনেছেন। অস্ট্রেলিয়ার সাংবাদিকেরা যেন মানতেই পারছেন না—এও সম্ভব!
বাংলাদেশ ৭-০ অস্ট্রেলিয়া (সকালের সেশন শেষে)
ডারউইন টেস্টে প্রথম দুই দিনে একটি সেশনেও দাপট দেখাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ছয় সেশনই ছিল বাংলাদেশের। আজ তৃতীয় দিনে সকালের সেশনও বাংলাদেশের।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১৩৩ ওভারে ৪১৭/৮। লিড ২১৯ রানের।
আজ সকালের সেশনে ২ উইকেটে ৬৬ রান তুলেছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদ ৯২ বলে ১৪ এবং তাইজুল ২৩ বলে ১৭ রানে আউট হন।
ক্রিজে ১৫২ বলে ৬৫ রানে অপরাজিত মিরাজ। ২২ বলে ১২ রানে অন্য প্রান্তে তাসকিন। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ৯২ বলে উঠেছে ৪৫ রান। সকালের সেশনে শেষ বলে ক্যামেরন গ্রিনকে ছক্কা মারেন মিরাজ।
‘বাংলাদেশবল’
২০২৫-২৬ অ্যাশেজে ইংল্যান্ডের অলআউট হওয়া ইনিংসগুলোয় খেলা বলসংখ্যা ৬১৭, ৫৮৫, ৫৩০, ৫২৪, ৪৫৮, ৪৫২, ২০৮, ১৯৭ ও ১৭৯।
বাংলাদেশে এই ইনিংসে ১২৯ ওভার পর্যন্ত খেলেছে ৭৭৪ বল।
অস্ট্রেলিয়া এসবে অভ্যস্ত নয়।
স্মিথের অবিশ্বাস্য মিস, চার শ পেরিয়ে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১২৯ ওভারে ৪০৪/৮।
২০৬ রানের লিড।
ঘটনাবহুল ওভার!
কামিন্সের করা ১২৯ তম ওভারের প্রথম বলে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ দিয়ে তাসকিনের চারে বাংলাদেশের রান ৪০০ পেরিয়ে যায়। পরের বলেই একই জায়গায় তাসকিনের ক্যাচ ছাড়েন স্টিভেন স্মিথ। পৃথিবীর সহজতম ক্যাচটাই কি ছাড়লেন! অবিশ্বাস্য!
বল হাতে রাখতে পারলে ফিল্ডার হিসেবে টেস্টে সর্বোচ্চ ক্যাচ নেওয়ার রেকর্ডটি স্মিথের একার হতো।
গতকালও একটি ক্যাচ ছাড়েন স্মিথ।
পঞ্চম বলে মিরাজের বেশ কঠিন একটি ক্যাচ নিতে পারেননি ট্রাভিস হেড। উল্টো দিকে দৌড়ে ডাইভ দিয়েও পারেননি।
বাংলাদেশের ২০০ রানের লিড
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১২৭ ওভারে ৩৯৮/৮।
লিড ২০০ রানের।
মিরাজ ৫২ ও তাসকিন ৬ রানে অপরাজিত।
মিরাজের ফিফটি
১২৬ তম ওভারে স্টার্কের শেষ বলে ২ রান নিয়ে টেস্টে নিজের ১২ তম ফিফটি তুলে নিলেন মিরাজ। ১১৭ বলের ইনিংসে চার ৫টি।
১৯৮ রানের লিড নিয়েছে বাংলাদেশ।
১২০ ওভারের বেশি
ঘরের বাইরে টেস্টে এক ইনিংসে ১২০ ওভারের বেশি বাংলাদেশের ব্যাটিং।
২০০৬ ফতুল্লা পেরিয়ে...
২০০৬ ফতুল্লা টেস্টে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ১২৩.৩ ওভার ব্যাট করেছিল বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এতদিন এটাই ছিল বাংলাদেশের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ওভার ব্যাটিংয়ের রেকর্ড। সেটা পেরিয়ে এই ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি ওভার খেলার নতুন কীর্তি গড়ল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১২৫ ওভারে ৩৮৮/৮।
লিড ১৯০ রানের।
মিরাজ ৪৯ রানে অপরাজিত।
প্রথম ঘণ্টায় ২ উইকেট, ২৯ রান
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১২২ ওভারে ৩৮০/৮।
লিড ১৮২ রানের।
পানি পানের বিরতি।
সকালের সেশনে প্রথম ঘণ্টায় ১২ ওভার খেলা হয়েছে। হাসান মাহমুদ ও তাইজুল ইসলাম আউট হন। দুটি উইকেটই হ্যাজলউডের।
মিরাজ ৪৩ ও তাসকিন ০ রানে অপরাজিত।
আউট! এবার তাইজুল
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১১৯ ওভারে ৩৭৩/৮।
১৭৫ রানের লিড।
১১৮ তম ওভারে হ্যাজলউডের শেষ বলে গালিতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন ২৩ বলে ১৭ রান করা তাইজুল। একটি করে ছক্কা ও চার মারেন। ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে দিয়ে মারা ছক্কাটি ছিল দর্শনীয়। অনেকটাই ট্রাভিস হেডের শটের মতো।
সকালের সেশনে ২টি উইকেটই হ্যাজলউডের। আর একটি পেলেই এই ইনিংসে ৫ উইকেট হবে তাঁর। টেস্টে হ্যাজলউডের উইকেট ২৯৯টি।
ক্রিজে মিরাজের সঙ্গে যোগ দিলেন তাসকিন।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে আটে বা তার নিচে নামা কোনো ব্যাটসম্যানের খেলা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বলসংখ্যা। ২০১৭ সালে চট্টগ্রামে নাসির হোসেন ৯৭ বল খেলেন।
আউট! হাসান ফিরলেন
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১১৪ ওভারে ৩৫৫/৭।
১৫৭ রানের লিড।
অবশেষে!
৯২ বল খেলে পেসার হাসান মাহমুদের ‘ব্যাটসম্যান’ হয়ে ওঠা অবশেষে ঠেকাতে পারল অস্ট্রেলিয়া। হ্যাজলউডের করা ১১৪ তম ওভারের পঞ্চম বলে এলবিডব্লু হন হাসান। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। হাসানের ৯২ বলে ১৪ রানের ইনিংসটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
সপ্তম উইকেটে মিরাজের সঙ্গে তাঁর ১৭০ বলে ৪৬ রানের জুটিও ভাঙল।
হ্যাজলউডের ২৯৮ টেস্ট উইকেট। এই ইনিংসেই কি ৩০০ হবে?
তৃতীয় দিনে কতদূর যাবেন মিরাজ-হাসান
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১১৩ ওভারে ৩৫৪/৬।
১৫৬ রানের লিড বাংলাদেশের।
তৃতীয় দিনে দুই প্রান্ত থেকে প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজলউড বোলিং শুরু করেছেন। ভালো বাউন্স পেয়েছেন দুজনেই। মিরাজ ও হাসানও দৃঢ়তার সঙ্গে খেলছেন।
মিরাজ ৮০ বলে ৩৪ ও হাসান ৮৭ বলে ১৪ রানে অপরাজিত। ১৬৫ বলে ৪৬ রান উঠেছে দুজনের জুটিতে।
১১৩ তম ওভারে কামিন্সের পঞ্চম বলে তৃতীয় দিনে নিজের প্রথম রান নেন হাসান। ৩৬ বল পর তাঁর প্রথম রানও এটা।
অস্ট্রেলিয়া কি পারবে?
দ্বিতীয় দিন শেষেও এগিয়ে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১১০ ওভারে ৩৫১/৬
বেঁচে গেলেন মিরাজ। মারনাস লাবুশেনের করা দ্বিতীয় দিনের শেষ বলে গ্রিনের হাতে ক্যাচ তুলেছিলেন তিনি। গালিতে দাঁড়ানো ক্যামেরন গ্রিন সুযোগটা নিতে পারেননি। তাতে বাংলাদেশ দিন শেষ করেছে ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে। বাংলাদেশের লিড এখন ১৫৩ রানের।
ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় দিনটাও বাংলাদেশের। অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচে ফেরার চেষ্টা আটকে দিয়েছেন মিরাজ ও হাসান। সপ্তম উইকেট জুটিতে দুজনে মিলে অবিচ্ছিন্ন ৪৩ রানের জুটি গড়েছেন। খেলেছেন ১৪৭ বল। স্টার্কদের হতাশ করে দিন শেষ করেছেন।
৭৩ বলে ৩২ রানে অপরাজিত মিরাজ, ৭৬ বলে ১৩ রানে হাসান। এর আগে টেস্টে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি তুলেছেন তানজিদ। নাজমুল আউট হয়েছেন ৮৪ রান করে। মুমিনুল করেছেন ৪৯ রান। এই তিন ইনিংসেই মূলত বাংলাদেশ এখন সুবিধাজনক অবস্থানে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১১০ ওভারে ৩৫১/৬ (তানজিদ ১০১, নাজমুল ৮৪, মুমিনুল ৪৯, মুশফিক ৩৬, মিরাজ ৩২*, হাসান ১৩* ; স্টার্ক ২/৬৮, হ্যাজলউড ২/৬৮, কামিন্স ১/৫০)।
লিড ছাড়াল ১৫০
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১০৭ ওভারে ৩৪৯/৬
লিড ১৫১ রান।
হাসান ৭০ বলে ১৩ ও মিরাজ ৬১ বলে ৩০ রানে অপরাজিত।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ বল খেললেন পেসার হাসান মাহমুদ।
‘অলরাউন্ডার’ হাসান
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৯৮ ওভারে ৩৩২/৬
বল হাতে ৬ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাট হাতেও দারুণ খেলছেন হাসান। এখন পর্যন্ত খেলেছেন ৪৬ বল। রান করেছেন ১১। বাংলাদেশের লিড ১৩৪ রানের। মিরাজ অপরাজিত ১৫ রানে।
রয়েসয়ে এগোচ্ছে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৯২ ওভারে ৩২৩/৬
অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় বল নেওয়ার আগে বাংলাদেশ ইতিবাচক ক্রিকেটই খেলেছে। তবে টানা তিন উইকেট হারানো বাংলাদেশ এখন খেলছে রয়েসয়ে। পেসার হাসান মাহমুদকে নিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টা করছেন মিরাজ। দুজনে এখন পর্যন্ত তুলেছেন ১৫ রান। বাংলাদেশের লিড এখন ১২৫ রানের।
এবার ফিরলেন মুশফিকও
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৮৬ ওভারে ৩১২/৬
এবার আউট হলেন মুশফিক। উইকেট পেলেন কামিন্স। ৩৬ রানে স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন মুশফিক। ডারউইন টেস্টে প্রথমবারের মতো চাপে পড়ল বাংলাদেশ।
উইকেট দুই নতুন ব্যাটসম্যান মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ। লিড ১১৪ রানের।
মুশফিকের ক্যাচে স্মিথের কীর্তি
আউট হলেন লিটন
বাংলাদেশ: ৮৫ ওভারে ৩০৭/৫
নতুন বল কাজে লাগাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। নাজমুলের পর আউট করেছে লিটন দাসকেও। মিচেল স্টার্কের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন লিটন। কোনো রান করতে পারেননি তিনি। এর আগে নাজমুল আউট হয়েছেন হ্যাজলউডের বলে।
নাজমুল ৮৪, বাংলাদেশের ৩০০
বাংলাদেশ: ৮২.১ ওভার ৩০০/৪
অফ স্টাম্পের বাইরে ব্যাক অব লেংথ ডেলিভারি, নতুন বলে হ্যাজলউড একটু বাড়তি বাউন্সও পেয়েছেন। সেটাই কাল হয়েছে নাজমুলের জন্য। ৮৪ রানে আউট হয়েছেন দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে। তাতে ভেঙেছে ৬৬ রানের জুটি। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে উইকেটে এসেছেন লিটন দাস।
বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে লিড এখন ১০২ রানের।
নতুন বল
দ্বিতীয় নতুন বল নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। স্টার্ক, হ্যাজলউডের বিপক্ষে নতুন বলটা ঠিকঠাকভাবে সামলাতে হবে নাজমুল–মুশফিককে।
বাংলাদেশের টানা পাঁচ সেশন জয়
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৭৮ ওভারে ২৮৬/৩
দ্বিতীয় সেশন শেষে
এই সেশনও বাংলাদেশের। দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনে ২৭ ওভারে ১০৫ রান তুলেছে বাংলাদেশ, হারিয়েছে ১ উইকেট। বাংলাদেশের লিড এখন ৮৮ রানের। উইকেটে আছেন নাজমুল ও মুশফিক। নাজমুল ৭৯ রানে অপরাজিত, ২৬ রানে মুশফিক।
এ নিয়ে ডারউইন টেস্টে টানা পাঁচটি সেশন জিতল বাংলাদেশ। সে কারণেই এখন নিজেদের মাটিতে অস্ট্রেলিয়াই চাপে।
এই সেশনে সেঞ্চুরি পেয়েছেন তানজিদ। এরপর যদিও ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। নাথান লায়নের বলে আউট হয়েছেন ১০১ রান করে। ফিফটি পেয়েছেন নাজমুল। তাঁর চোখ এখন সেঞ্চুরিতে।
নতুন জুটিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৭৪ ওভারে ২৬৮/৩
এবার মুশফিকের সঙ্গে জুটি গড়েছেন নাজমুল। অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে দারুণ ব্যাটিং করছেন দুজন। নাজমুল অপরাজিত ৭৫ রানে, মুশফিক ১২ রানে। এই জুটি থেকে এসেছে ৩৭ রান।
বাংলাদেশের লিড ৭০ রানের।
তানজিদের বিদায়
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৬৬ ওভারে ২৩৩/৩
নাথান লায়নের বলে ১০১ রান করে আউট হলেন তানজিদ। লায়নের হাওয়ায় ভাসানো বলে লং অফের ওপর দিয়ে মারতে চেয়েছিলেন তানজিদ। সেই চেষ্টায় স্টার্কের হাতে ধরা পড়েছেন। উইকেটে এসেছেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম।
বাংলাদেশের লিড ৩৬ রানের।
তানজিদের প্রথম সেঞ্চুরি
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৬৪ ওভারে ২৩০/২
অফ স্টাম্পের বাইরে ফুল লেংথের বল, বোলারের পাশ দিয়ে ড্রাইভ করে লং অফে পাঠালেন তানজিদ।
এভাবেই তানজিদ পেলেন টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরি। সেটিও এসেছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে। টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় সেঞ্চুরি পেলেন তানজিদ।
তানজিদ সেঞ্চুরি পেয়েছেন নিজের দ্বিতীয় টেস্টেই। গত মে মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয় তাঁর।
তানজিদের সেঞ্চুরির আগে ফিফটির দেখা পেয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল। এটি টেস্টে নাজমুলের সপ্তম ফিফটি।
বাংলাদেশের লিড এখন ৩২ রানের।
বাংলাদেশের ২০০ ও লিড
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৫৫ ওভারে ২০১/২
দ্বিতীয় সেশনের শুরুটাও দারুণ করেছে বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত খেলা হয়েছে চার ওভার। নাজমুল ও তানজিদ মিলে তুলেছেন ১৯ রান।
৮৮ রানে ব্যাটিং করছেন তানজিদ, ৩৩ রানে নাজমুল। এই দুজনের ব্যাটে বাংলাদেশ এরইমধ্যে লিড পেয়েছে। হাতে ৮ উইকেট। কত রান করতে পারবে বাংলাদেশ?
প্রথম সেশনও বাংলাদেশের
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৫১ ওভারে ১৮২/২।
লাঞ্চের বিরতি।
গতকাল প্রথম দিনে তিনটি সেশন ছিল বাংলাদেশের। আজ সকালের সেশনও নাজমুলদের। অস্ট্রেলিয়া সফরে মাঠে স্বপ্নের মতো সময়ই কাটছে বাংলাদেশের।
লাঞ্চের বিরতির আগে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস থেকে মাত্র ১৭ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ। নাজমুল অপরাজিত ২৮ রানে, তানজিদ ৭৪ রানে। তৃতীয় উইকেটে তাঁদের জুটিতে উঠেছে ৪৩ রান।
এই সেশনে ২৭ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৮৫ রান তুলেছে বাংলাদেশ।
শুধু মুমিনুল হকের উইকেট পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দারুণ জমাট ব্যাটিং করছিলেন মুমিনুল। কিন্তু ৪৯ রানে ভেঙেছে তাঁর ধৈর্য। জশ হ্যজলউডকে ড্রাইভ করতে গিয়ে ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে। ৯৫ বলের ইনিংসটির হতাশাজনক সমাপ্তি ঘটে। এর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে মুমিনুল-তানজিদের ১০২ রানের জুটিও ভেঙেছে।
তানজিদ এই সেশনের তারকা। ওয়েবস্টারকে ডাউন দ্য উইকেট অবলীলায় মারা ছক্কাটি চোখের জন্য প্রশান্তির। ড্রাইভ ও ব্যাকফুটে করা পাঞ্চগুলোও ছিল নজরকাড়া। মাত্র দুই ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে পাওয়া প্রথম ফিফটি কি সেঞ্চুরিতে রুপান্তর করতে পারবেন তানজিদ?
৬২ রানে স্মিথ তাঁর ক্যাচ ছাড়েন। সেঞ্চুরিই প্রাপ্য তানজিদের।
দ্বিতীয় সেশনেও বাংলাদেশের জন্য তাঁর থাকাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। নাজমুল ভীষণ ইতিবাচক, অধিনায়কের মতোই খেলছেন। ছয় বোলার ব্যবহার করেছে অস্ট্রেলিয়া।
দেড় শ পেরিয়ে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৪৫ ওভারে ১৫৮/২।
৪০ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ।
তৃতীয় উইকেটে ২০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন নাজমুল-তানজিদ।
নাজমুল ৮ ও তানজিদ ৭১ রানে অপরাজিত।
৪৩ তম ওভারে লায়নের পঞ্চম বলে তানজিদ ৬২ রানে থাকতে স্লিপে তাঁর ক্যাচ ফেলেন স্টিভেন স্মিথ।
৪৯ রানে আউট মুমিনুল
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৪০ ওভারে ১৩৮/২।
৬০ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ।
কেন?
মুমিনুলের ড্রাইভটি দেখে ঠিক এই প্রশ্নই জাগবে। ৯৫ বলে ৪৯ রানে ব্যাট করছিলেন। হ্যাজলউডের (৪৯.২ ওভার) অফ স্টাম্পের বাইরের বলটি ছেড়ে দিলেও পারতেন। দারুণ ব্যাট করতে করতে কি মনোসংযোগে কি চিড় ধরেছিল? অ্যালেক্স ক্যারিকে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন।
ক্রিজে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন।
দ্বিতীয় উইকেটে ভাঙল মুমিনুল-তানজিদের ১০২ রানের জুটি। তানজিদ ৫৯ রানে অপরাজিত।
প্রথম ছক্কা, গ্রেট শট!
ইংরেজি কথাটা ধারাভাষ্যকারের, ছক্কাটা তানজিদের।
ওয়েবস্টারকে (৩৮.২ ওভারে) ডাউন দ্য উইকেট এসে লং অফের ওপর দিয়ে যেন হাওয়ায় ভাসানো আনন্দ...সত্যিই গ্রেট শট!
বাংলাদেশের ইনিংসে প্রথম ছক্কা, ম্যাচে তৃতীয়।
পানির পানের ফাঁকে...
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি। ২০০৩ সালে কেয়ার্নস টেস্টে দ্বিতীয় উইকেটে হাবিবুল বাশার ও হান্নান সরকার এই জুটি গড়েন।
মুমিনুল-তানজিদ বেশি দূরে নেই।
প্রথম ফিফটি তানজিদের
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩৭ ওভারে ১২৯/১।
৬৯ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ।
টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম ফিফটি তানজিদের। বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলিং লাইন আপের বিপক্ষে এই ফিফটি নিশ্চয়ই মনে রাখবেন এই বাঁহাতি। সেটাও এল দলের খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। এখন তিন অঙ্কে রুপ দেওয়ার পালা। পারবেন তো?
১০২ বলে ৫০ রানে অপরাজিত তানজিদ। ৫টি চার মেরেছেন। মুমিনুল অপরাজিত ৪৮ রানে। ৯৩ রানের জুটি গড়েছেন দুজন।
পানি পানের বিরতি।
হ্যাজলউড একটু দেরিতে
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩৪ ওভারে ১২০/১।
৭৮ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ।
দিনের ১০ম ওভারে আক্রমণে জশ হ্যাজলউড। মুমিনুল-তানজিদ দেখেশুনেই খেললেন। ৮৪ রানের জুটিতে ব্যাট করছেন।
জমাট ব্যাটিং মুমিনুল-তানজিদের
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩০ ওভারে ১১০/১।
৮৭ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ।
সকালের সেশনে প্রথম ছয় ওভারে মুমিনুল-তানজিদ কোনো ভুল করেননি। সুযোগও দেননি। জমাট ব্যাটিং করছেন দুজন। কামিন্স ও স্টার্ক দুই প্রান্ত থেকে বাউন্স, গতি ও সুইংয়ে কাবু করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু দারুণ মনোসংযোগ ব্যাটসম্যানদের। কামিন্সকে নজড়কাড়া ফ্লিকে চারও মেরেছেন মুমিনুল।
মুমিনুল ৪২ ও তানজিদ ৪০ রানে অপরাজিত। ৭৫ রানের জুটি চলছে...।
দ্বিতীয় দিনে ওয়েবস্টারে শুরু অস্ট্রেলিয়ার
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ২৫ ওভারে ৯৯/১
একটু অবাক হতেই হয়।
পেস বোলিং অলরাউন্ডার বো ওয়েবস্টারকে দিয়ে দ্বিতীয় দিনে বোলিংয়ের শুরু করল অস্ট্রেলিয়া! অথচ দলে তিনজন বিশেষজ্ঞ পেসার। ওয়েবস্টার গতকাল বোলিং করেননি। মুমিনুল-তানজিদের সামনে নতুন বোলার আনতেই হয়তো এই কৌশল।
মুমিনুলের ব্যাটে এল দ্বিতীয় দিনে প্রথম রান। ৩ রান দিলেন ওয়েবস্টার।
অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস থেকে ৯৯ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ।
শেষ হলো প্রথম দিনের খেলা
২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে নেমে প্রথম দিনটা স্বপ্নের মতো কাটল বাংলাদেশ দলের।
১ উইকেটে ৯৬ রান নিয়ে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছেন মুমিনুল হক ও তানজিদ হাসান। তানজিদ ৩২ ও মুমিনুল ৩৫ রানে অপরাজিত। অবিচ্ছিন্ন ৬০ রানের জুটি গড়েছেন দুজন। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস থেকে মাত্র ১০২ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ১৯৮ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া।
ডারউইন টেস্টে প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের সুবিধাজনক অবস্থানে থাকার পেছনে পেসারদের অবদান সবচেয়ে বেশি। অস্ট্রেলিয়াকে দুই শ রানের নিচে অলআউট করায় ১০টি উইকেটই নিয়েছেন পেসাররা। বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে এমন ঘটনা দ্বিতীয়বার। নাহিদ রানা ও শরীফুল ইসলামের অনুপস্থিতিতে বুঝতেই দেননি হাসান, তাসকিন ও ইবাদত।
৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেন হাসান মাহমুদ। অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ইনিংসে ন্যূূনতম ৫টি উইকেট নিলেন হাসান। ২টি করে উইকেট নিয়ে তাঁকে দারুণ সঙ্গ দেন ইবাদত ও তাসকিন।
অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে স্টিভেন স্মিথ ছাড়া কেউ ২৫ রানও করতে পারেননি। স্মিথের ৭১ রানের ইনিংসে ব্যাটিংয়ে যা একটু লড়াই করেছে অস্ট্রেলিয়া।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ৫৩ ওভারে ১৯৮ (স্মিথ ৭১, ওয়েদারাল্ড ২৩, হেড ২২, ক্যারি ১৯; হাসান ৬/৫৫, ইবাদত ২/৩৯, তাসকিন ২/৫৫, মিরাজ ০/১২, তাইজুল ০/২৪)।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ২৪ ওভারে ৯৬/১ (মুমিনুল ৩৫*, তানজিদ ৩২*, সাদমান ২০; স্টার্ক ১/২৮, হ্যাজলউড ০/১৯, কামিন্স ০/১৪, গ্রিন ০/১২, লায়ন ০/১৬)।—প্রথম দিন শেষে।
মুমিনুল ও তানজিদের জুটিতে ৫০
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ২১ ওভারে ৮৮/১
২১ তম ওভারের পঞ্চম বলে হ্যাজলউডকে দারুণ শটে চার মারেন তানজিদ। দ্বিতীয় উইকেটে ৫০ রানের জুটি হলো মুমিনুল–তানজিদের।
মুমিনুল ৩৩ ও তানজিদ ২৭ রানে অপরাজিত।
মুমিনুল ও তানজিদ
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১৪ ওভারে ৫৩/১
ব্যাট হাতেও ভালো করছে বাংলাদেশ। সাদমান ফিরলেও মুমিনুল ও তানজিদের ব্যাটে বাংলাদেশের রান ছাড়িয়েছে ৫০। দুজনেই খেলছেন সাবলীলভাবে।
এক নম্বর স্টার্ক
২০ রান করে ফিরলেন সাদমান
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৮.২ ওভারে ৩৬/১
কঠিন কাজটা করেছিলেন! নতুন বলে ৩০ বল খেলার পর যেকোনো ব্যাটসম্যানই তো বড় ইনিংস খেলার স্বপ্ন দেখেন। সাদমানও হয়তো দেখেছেন! কিন্তু ইনিংসটা বড় করতে পারলেন না। স্টার্কের বলে লায়নের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন ২০ রানে।
বাংলাদেশের ভালো শুরু
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৭ ওভারে ২৭/০
মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউডকে ভালোভাবেই সামলাচ্ছেন সাদমান ও তানজিদ। ৭ ওভারে ২৭ রান তুলেছেন দুজন। ১৬ রানে অপরাজিত সাদমান, তানজিদ ৫ রানে।
জীবন পেলেন তানজিদ
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩ ওভারে ১১/০
টি–টুয়েন্টি স্টাইলে শুরুতেই বড় শট খেলতে চাইলেন তানজিদ। তাতে ক্যাচ তুলেছিলেন পয়েন্টে। নাথান লায়ন ক্যাচটা নিতে পারেননি।
সব উইকেট পেসারদের
একটি বাংলাদেশি প্রদর্শনী
অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৫৩ ওভারে ১৯৮/১০
ডারউইনে নিজেদের সামর্থ্য দেখালেন বাংলাদেশের পেসাররা। অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে দিল মাত্র ১৯৮ রানে। হাসান মাহমুদ করলেন ক্যারিয়ারসেরা বোলিং। ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন তিনি। টেস্টে এটি বাংলাদেশের পেসারদের তৃতীয় সেরা বোলিং।
তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও ইবাদত হোসেন। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন–ইবাদত। টেস্টে দ্বিতীয়বারের মতো এক ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের পেসাররা।
এর আগে ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে এক ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন পেসাররা। সেই ইনিংসেও ৫ উইকেট পেয়েছিলেন হাসান।
হাসানের স্বপ্নযাত্রা
এবার অস্ট্রেলিয়ায় ৫ উইকেট পেলেন হাসান। এর আগে ভারত ও পাকিস্তানে ৫ উইকেট পেয়েছেন এই পেসার। ইংল্যান্ডে কাউন্টি ক্রিকেটেও ৫ উইকেট আছে হাসানের।
স্মিথ আউট, হাসানের ৫ উইকেট
অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৫২ ওভারে ১৯৭/৯
৫১ তম ওভারের পঞ্চম বলে হাসান মাহমুদকে এগিয়ে এসে মারার চেষ্টা করে ক্যাচ তুলে আউট হলেন স্মিথ। ৭১ রানে ফিরলেন তিনি।
৫ উইকেট পেলেন হাসান। বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে প্রতিপক্ষের মাটিতে টেস্টে সর্বোচ্চ তিনবার ৫ উইকেট নিলেন হাসান। দুর্দান্ত বোলিং করছেন।
ডারউইনে প্রতিটি রানই এখন ‘সোনা’। দ্রুত শেষ উইকেট নিতে হবে বাংলাদেশকে।
দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশের দাপট
অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৪৮ ওভারে ১৮৩/৮
দ্বিতীয় সেশন শেষে
প্রথম সেশনের মতো দ্বিতীয় সেশনটাও বাংলাদেশের। এই সেশনেও বাংলাদেশ উইকেট নিয়েছে ৪টি। প্রথম সেশনে ৭৪ রান করা অস্ট্রেলিয়া এই সেশনে তুলেছে ১০৯ রান।
লাঞ্চের পর থেকেই দ্রুত গতিতে রান তোলার চেষ্টা করেছে অস্ট্রেলিয়া। স্মিথের সঙ্গে মিলে এই কাজটা করছিলেন অ্যালেক্স ক্যারি।
ক্যারিকে বোল্ড করে ৫৫ রানের জুটি ভাঙেন ইবাদত। এরপর বো ওয়েবস্টারের সঙ্গে স্মিথের জুটি থেকে আসে ১৫ বলে ২৩ রান। দারুণ এক ডেলিভারিতে ওয়েবস্টারকে ফেরান তাসকিন। প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ককে আউট করেছেন হাসান।
অস্ট্রেলিয়ার রান আরও কম হতেও পারত। দুই স্পিনার তাইজুল ও মিরাজ পেসারদের যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি। ফিল্ডাররাও গড়পড়তা মানের ফিল্ডিং করেছেন। তবুও তিন পেসারের দাপটে ডারউইন টেস্টে এখন পর্যন্ত এগিয়ে বাংলাদেশই।
হাসানের চার নম্বর
অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৪৭ ওভারে ১৭৬/৮
এবার ফিরলেন মিচেল স্টার্ক। হাসানের অফ স্টাম্পের বাইরে গুড লেংথের বলে ব্যাট চালিয়ে লিটনের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন স্টার্ক। ম্যাচে এটি হাসানের চতুর্থ উইকেট।
বোলিংয়ে এসেই হাসানের উইকেট
অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৪৫ ওভারে ১৭২/৭
বোলিংয়ে পরিবর্তন এনে আবারও সাফল্য পেল বাংলাদেশ। অফ স্টাম্পের বাইরে ব্যাক অব লেংথের বল। হাসানের করা বলটি বাইরে সিম করে বেরিয়ে যায়। কামিন্স ছেড়ে না দিয়ে ব্যাট চালান। ফল? উইকেটের পেছনে লিটন দাসের হাতে সহজ ক্যাচ।
ম্যাচে এটি হাসানের তৃতীয় উইকেট।
গড়পড়তা ফিল্ডিং
অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৪২ ওভারে ১৬৩/৬
পেসারদের দারুণ বোলিংয়ের মধ্যে গড়পড়তা মানের ফিল্ডিং করছেন ফিল্ডাররা। মাত্রই ম্যাচের ৪১তম ওভারে তাসকিনের বলে অযথা থ্রো করে চার দিয়েছেন তাইজুল। এর আগে স্লিপে ক্যাচ ছেড়েছেন তানজিদ। মিরাজও স্লিপে ফিল্ডিং মিস করে দিয়েছেন বাউন্ডারি।
ফিরলেন ওয়েবস্টার
অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৪০ ওভারে ১৫৭/৬
দারুণ ডেলিভারি! একেবারে টেস্ট ম্যাচের আদর্শ বল। অফ স্টাম্পের বাইরে ব্যাক-অব-লেংথের বল। ওয়েবস্টার ভুল লাইনে ব্যাট চালিয়ে হয়েছেন বোল্ড। ম্যাচে তাসকিনের দ্বিতীয় উইকেট এটি। এর আগে আউট করেছেন ক্যামেরন গ্রিনকে।
ওয়েবস্টার ফেরার পর ফিফটি পেয়েছেন স্মিথ। টেস্টে এটি তাঁর ৪৫তম ফিফটি। টেস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে সেঞ্চুরি নেই স্মিথের। ২ রানে জীবন পাওয়া স্মিথ কি সেঞ্চুরি পাবেন?
বোল্ড...
অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৩৭ ওভারে ১৩৮/৫
ইবাদত টু ক্যারি, আউট, বোল্ড!
অফ স্টাম্পের বাইরে পড়া বলটি কিছুটা ভেতরে ঢুকেছিল। কাভারের দিকে পাঞ্চ করতে চেয়েছিলেন ক্যারি। কিন্তু ব্যাটের ভেতরের কানায় লেগে বল চলে যায় স্টাম্পে।
আগেও এই চ্যানেলে ক্যারিকে কিছুটা অস্বস্তিতে দেখা গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সেই দুর্বলতাই কাজে লাগালেন ইবাদত।
স্মিথ–ক্যারির জুটি
অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৩৪ ওভারে ১২৬/৪
লাঞ্চের পর থেকেই দারুণ ব্যাটিং করছেন স্মিথ–ক্যারি জুটি। প্রায় প্রতি ওভার থেকেই রান বের করে নিচ্ছেন দুজন। ডানহাতি–বাঁহাতি কম্বিনেশনে বাংলাদেশের বোলাররাও ধারাবাহিকভাবে এক জায়গায় বোলিং করতে পারছেন না। দ্বিতীয় সেশনে এখন পর্যন্ত হওয়া ১২ ওভারে অস্ট্রেলিয়া রান করেছে ৫২।
লাঞ্চের বিরতি
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ২২ ওভারে ৭৪/৪
২৩ বছর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ দল। কিন্তু আজ প্রথম দিনে প্রথম সেশনের বোলিং দেখে মনে হয়েছে কন্ডিশনটা বাংলাদেশেরই চেনা, অস্ট্রেলিয়ার অচেনা!
মারারা স্টেডিয়ামের উইকেটে সবুজ ঘাসের ব্যবহারটা দারুণ করেছেন বাংলাদেশের তিন পেসার হাসান মাহমুদ, তাসকিন আহমেদ ও ইবাদকত হোসেন। শুরুতে স্টাম্প বরাবর, তারপর অফ স্টাম্পের একটু বাইরে কল্পিত চতুর্থ স্টাম্প ধরে টানা বোলিংয়ের পুরস্কার পেয়েছেন তিন পেসারই।
অস্ট্রেলিয়ার হারানো ৪ উইকেটের দুটি পড়েছে স্লিপে নেওয়া ক্যাচে। একটি প্লেড-অন এবং অন্যটি শর্ট মিডউইকেটে। স্মিথ ২ রানে থাকতে ইবাদতের বলে স্লিপে তাঁর ক্যাচ ছাড়েন তানজিদ। নইলে উইকেট পড়ত আরও একটি।
দুই ওপেনার ট্রাভিস হেড ও জেক ওয়েদারাল্ডকে তুলে নিয়ে শুরুটা করেন হাসান। লাবুশেনকে ফেরান ইবাদত, গ্রিনকে তাসকিন। ১১.৪ ওভার থেকে ২২ ওভার---এই ৬২ বলের মধ্যে পড়েছে অস্ট্রেলিয়ার ৪ উইকেট। রান উঠেছে ২৯।
৭ রানে অপরাজিত স্মিথ। গ্রিন আউট হওয়ার পর নতুন ব্যাটসম্যান নামেননি। লাঞ্চের বিরতি দেওয়া হয়।
ওপেনিংয়ে ৪৫ রানের জুটি ছাড়া আর কোনো জুটি বড় হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। প্রথম সেশনটি অবশ্যই বাংলাদেশের।
তাসকিন ৮-১-২৬-১
হাসান ৭-১-২৫-২
ইবাদত ৭-২-১৭-১
আউট গ্রিন, তাসকিনের উদ্যাপন
তাসকিনও যোগ দিলেন উইকেট নেওয়ার আনন্দ-উদ্যাপনে!
২২ তম ওভারের শেষ বলে তাসকিনকে অন সাইডে ওপরে খেলতে গিয়ে শর্ট মিড উইকেটে মুশফিকুর রহিমকে ক্যাচ দেন ক্যামেরন গ্রিন। ১৩ রানে ফিরলেন তিনি।
মধ্যাহৃভোজনের আগে চতুর্থ উইকেট বাংলাদেশের। তাসকিনের প্রথম উইকেট। স্মিথ ৭ রানে অপরাজিত।
৩ উইকেটকাহন
১১.৪ ওভার থেকে ১৮.২ ওভার---এই ৪০ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। রান উঠেছে ১৬। বাংলাদেশের পেসারদের ভালো জায়গায় বোলিংয়ের পুরস্কার।
আউট এবং ইবাদতের স্যালুট
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ১৯ ওভারে ৬৪/৩
টেস্টের চিরাচরিত আউট।
১৯ তম ওভারে ইবাদতের দ্বিতীয় বলটি লাবুশেন ছাড়লে কোনো ক্ষতি হতো না। অভ্যাসবশত খেলতে গিয়ে খোঁচা মেরে দ্বিতীয় স্লিপে নাজমুলকে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন। ১ রান করেছেন লাবুশেন। বাজে সময় তাঁর চলছেই। স্যালুটে উদ্যাপন ইবাদতের। ধারাভাষ্যকার ও অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ওপেনার মার্ক ওয়াহর ভাষায়, ‘নাথিং শট...বাংলাদশ আর অন টপ হেয়ার!’
ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান ক্যামেরন গ্রিন। স্মিথ ৭ রানে অপরাজিত।
স্মিথের ক্যাচ মিস!
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ১৭ ওভারে ৫৬/২
ইবাদতের করা ১৭ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে তৃতীয় স্লিপে স্মিথের ক্যাচ নিতে পারেননি তানজিদ তামিম। তখন তাঁর রান ২। বল ব্যাটে লেগে বেশ নিচু হয়ে এলেও ক্যাচটি নেওয়ার মতো ছিল। স্মিথের মতো ‘বিগ ফিশ’ ব্যাটসম্যানের ক্যাচ ছাড়ার চড়া মূল্য দিতে হতে পারে বাংলাদেশকে।
ফিরলেন তাসকিন
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ১৬ ওভারে ৫৫/২
হাসান ৭-১-২৫-২। দুর্দান্ত!
কিন্তু তাঁকে বিশ্রাম দিয়ে বোলিংয়ে তাসকিনকে ফিরিয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল। ১৬ তম ওভারে ৩ রান দিয়েছেন তাসকিন।
হেডকেও শিকার হাসানের
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ১৪ ওভারে ৫২/২
ভালো জায়গায় বল করে যাওয়ার পুরস্কার!
মাঝে দু-একটি বাজে বল করলেও অফ স্টাম্প বরাবর বোলিং করাটা ছিল হাসানের লাইন-লেংথ। রাউন্ড দ্য উইকেট থেকে সেটা করেই ট্রাভিস হেডকে ফেরালেন হাসান। ১৪ তম ওভারে চতুর্থ বলে ভালো লেংথ থেকে বল ভেতরে ঢুকে তাঁর ব্যাটে লেগে স্টাম্পের বেলস ফেলে দেয়।
২২ রানে ফিরলেন হেড। চারে নেমেছেন স্টিভেন স্মিথ।
প্রথম উইকেট হাসানের
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ১২ ওভারে ৪৫/১
অফ স্টাম্পের বাইরে ড্রাইভের লোভ দেখানো কয়েকটি বল আগেও করেছেন হাসান। ওয়েদারাল্ড সেই নিমন্ত্রণ গ্রহণ করে একটি চারও পেয়েছেন। ১২ তম ওভারের চতুর্থ বলে এমনই এক বলে ড্রাইভ খেলতে গিয়ে ভুল করেন ওয়েদারাল্ড। বল ব্যাটের কানা নিয়ে উইকেটকিপার লিটনের গ্লাভসে জমা পড়ে। আউট! ফক্স ক্রিকেটের ধারাভাষ্যকার কেরি ও’কিফ বললেন,‘বাংলাদেশের উইকেটটি প্রাপ্য ছিল।’
২৩ রানে ফিরলেন ওয়েদারাল্ড। তিনে নেমেছেন লাবুশেন। হেড ১৫ রানে অপরাজিত। হাসানের উইকেট মেডেন ওভার।
বোলিংয়ে ইবাদত
নবম ওভারে বোলিংয়ে প্রথম পরিবর্তন। আক্রমণে ইবাদত হোসেন।
হেডকে দুবার পরাস্ত করেছেন দারুণ ডেলিভারিতে। পঞ্চম বলে এলবিডব্লুর আবেদনে রিভিউ নিয়ে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ।
মেডেন ওভার নিয়ে ভালো শুরু ইবাদতের।
দুই দিকেই নিচ্ছেন হাসান
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ৮ ওভারে ৩১/০
হাসানকেই বেশি উজ্জ্বল লাগছে। বল দুই দিকেই সুইং করাচ্ছেন ভালো লেংথ থেকে। বল ওঠায় খেলতে অসুবিধা হচ্ছে হেড ও ওয়েদারাল্ডের। অস্বস্তিতে রেখেছেন দুই ওপেনারকে।
ষষ্ঠ ওভারেও হাসানের বলে ‘বিট’ হন ওয়েদারাল্ড। একটু বেশি সাবধানি লাগছে তাঁকে। অষ্টম ওভারে হাসান রাউন্ড দ্য উইকেট এসেও স্বস্তি দেননি হেড-ওয়েদারাল্ডকে। তবে শেষ বলে বাজে হাফ ভলিতে চার হজম করেন ওয়েদারাল্ডের ব্যাটে।
ওয়েদারাল্ড ১৪ ও হেড ১০ রানে অপরাজিত।
উইকেটে ঘাসের সুবিধা...
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ৪ ওভারে ১৩/০
খেলা শুরুর আগে ফক্স ক্রিকেটকে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ট্রাভিস হেড মারারা স্টেডিয়ামের উইকেট নিয়ে বলেছেন, ‘দেখে বেশ শক্ত মনে হচ্ছে। ঘাসও আছে।’
হাসানের করা তৃতীয় ওভারেও ঘাসের প্রভাবটা বোঝা গেল। বল একটু উঠছে এবং সুইংও আছে। তাঁর তৃতীয় বলে হেড মিসটাইমিং করে ক্যাচ তুললেও স্ট্রেটে নিরাপদ জায়গায় পড়েছে বল। পঞ্চম বলটি ছিল এই উইকেটে কোনো পেসারের স্বপ্নের ডেলিভারি। ভালো লেংথ থেকে ছোবল মেরে ভেতরে ঢুকে ‘বিট’ করেছে ওয়েদারাল্ডের ব্যাটকে।
বাংলাদেশ কি নাহিদ রানাকে মিস করছে? অবশ্যই। চোটের কারণে তাঁকে এই সিরিজে দেখা যাবে না।
এক প্রান্তে তাসকিন, অন্য প্রান্তে হাসান মাহমুদ
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ২ ওভারে ১১/০
জানাই ছিল নতুন বলে এ দুই পেসারই শুরু করবেন।
তাসকিন প্রথম ওভারে দিলেন ৫ রান। ট্রাভিস হেডকে একবার পায়ের ওপর ‘বিট’ করেছেন। ধারাভাষ্যকার গিলক্রিস্ট ওভারটির প্রশংসা করলেন। সুষম বাউন্স পেয়েছেন এবং লাইন-লেংথ ভালো ছিল।
দ্বিতীয় ওভারে হাসান মাহমুদ চতুর্থ বলে পরাস্ত করেন ওয়েদারাল্ডকে। দারুণ লেংথ থেকে তোলা ডেলিভারি! ৬ রান দিয়েছেন হাসান।
ওয়েদারাল্ড ৪ ও হেড ৫ রানে অপরাজিত। দুজনেই একটি করে চার মেরেছেন।
ছোট্ট আনুষ্ঠানিকতা
মাঠে দুই দল। জাতীয় সঙ্গীত চলছে। তার আগে সিরিজের ট্রফি নিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার জেসন গিলেস্পি। বাংলাদেশ সমর্থকদের কাছে খুব পরিচিত নাম। বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০০৬ সালে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি আছে তাঁর। টেস্ট ইতিহাসে ‘নাইটওয়াচম্যান’ হিসেবে এটাই সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস। সেটারই ২০ বছর পূর্তি হলো এ বছর।
ধারাভাষ্যকার ভুল করে বাংলাদেশ দলের অধিনায়কের নাম বললেন, ‘মুমিনুল হক সৌরভ।’
মানুষ মাত্রই ভুল করে।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ
ট্রাভিস হেড, জেক ওয়েদারাল্ড, মারনাস লাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটকিপার), বো ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক, নাথান লায়ন ও জশ হ্যাজলউড।
অস্ট্রেলিয়া দলে বিশেষজ্ঞ পেসার তিনজন। বিশেষজ্ঞ স্পিনার একজন এবং একজন পেস বোলিং অলরাউন্ডার।
বাংলাদেশ একাদশ
তানজিদ হাসান, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, ইবাদত হোসেন ও হাসান মাহমুদ।
তিন পেসার ও দুজন স্পিনার নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ।
টস
টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ দল। আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।
টসের সময় বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল বলেন, ‘এখানে থাকতে পেরে ভীষণ গর্বিত। খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।’ কামিন্সের কণ্ঠেও একই সুর, ‘এই মুহূর্তের অপেক্ষায় ছিলাম।’
স্বাভাবিক। এই ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘ ব্যস্ততার এক মৌসুম।
টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কেমন বাংলাদেশ
২০০৩ সালে সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। এরপর অস্ট্রেলিয়া–বাংলাদেশ টেস্ট হয়েছে আরও চারটি। ওই চারটি ম্যাচই হয়েছে বাংলাদেশের মাটিতে।
টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স কেমন, তা জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে।
টেস্টে বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া: ২০০৩–এর দুঃস্বপ্ন, ২০১৭–এর ইতিহাস
এবার দুই ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে নাজমুল হোসেনের দল। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে সেই ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ।
স্বাগতম
ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ। ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটাই প্রথম টেস্ট বাংলাদেশ দলের। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে দুই টেস্টেই ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। এবার কি হবে?
টেস্টের পাঁচ দিনেই ভালো ক্রিকেট খেলতে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন। অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের কণ্ঠেও ফুটেছে বাংলাদেশ দলের প্রতি সমীহ। এবার মাঠে প্রমাণের পালা।
মারারা স্টেডিয়ামের কন্ডিশন ও পিচের আচরণ অস্ট্রেলিয়া দলের কাছে খুব পরিচিত নয়। কারণ এই মাঠে টেস্ট ম্যাচ হচ্ছে ২২ বছর পর। ডারউইনে কেন এতদিন পর টেস্ট ম্যাচ হচ্ছে তা জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে।
২২ বছর ধরে কেন ‘টেস্টলেস’ ডারউইন
অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশ দলের খবর জানাতে ডারউইনে আছেন প্রথম আলোর ক্রীড়া সম্পাদক তারেক মাহমুদ এবং আলোকচিত্রী শামসুল হক।