ঢাকার রাস্তায় বিওয়াইডি সিল ৫
ঢাকার রাস্তায় বিওয়াইডি সিল ৫

টেস্ট ড্রাইভ

এই গাড়িতে প্রতি কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়া যায় সাড়ে ৩ টাকায়

জ্বালানি সাশ্রয় আর পরিবেশবান্ধব যাতায়াতের লক্ষ্য নিয়ে চীনের বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি দেশের বাজারে নিয়ে আসছে নতুন একটি প্লাগ–ইন হাইব্রিড সেডান গাড়ি, যেটি কোনো ধরনের জ্বালানি খরচ না করে ৮০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারে। হাতে– কলমে চালিয়ে দেখার পাশাপাশি পুরো গাড়ি সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিতে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের বিওয়াইডি প্রদর্শনী কেন্দ্রে আমরা গিয়েছিলাম। এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে ৩০০ ফুট রাস্তায় পূর্বাচল ক্লাব পর্যন্ত আমরা গাড়িটি চালিয়েছি। গাড়িটি চালিয়ে অর্জিত অভিজ্ঞতা থেকেই আজকের এই টেস্ট ড্রাইভ প্রতিবেদন।

প্রদর্শনী কেন্দ্রে আমরা কালো রঙের গাড়িটি চার্জ দেওয়া অবস্থায় দেখলাম। গাড়িটির মডেল বিওয়াইডি সিল ৫। প্রথম দর্শনে মনে হলো সেডান শ্রেণিতে জনপ্রিয় সব গাড়িগুলোর তুলনায় দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা তথা আকৃতিতে গাড়িটি বেশ বড়। যথাক্রমে গাড়িটির দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা ৪৭৮০, ১৮৩৭ ও ১৪৯৫ মিলিমিটার। যেখানে অন্যান্য জাপানি গাড়ির আকৃতি ৪৬০০, ১৬৯৫ এবং ১৪৯৫ মিলিমিটার। ওজনের দিক থেকেও জাপানি গাড়ির চেয়ে এই গাড়ির ওজন বেশি। কারণ, এই গাড়িতে একটি ১৩ দশমিক ০৮ কিলোওয়াটের ব্লেড ব্যাটারি রয়েছে। জাপানি গাড়ির তুলনায় প্রায় ৩০০ কেজি বেশি ওজনসহ গাড়িটির ওজন ১ হাজার ৫৫৫ কেজি। তেজগাঁও থেকে এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে যখন আমরা গাড়িটি চালাচ্ছি, তখন বাইরের শব্দ তেমন একটা শোনা যাচ্ছে না। গাড়িটির নয়েজ ক্যানসেলেশন সিস্টেম বেশ প্রশংসনীয়। এক্সপ্রেসওয়েতে গতিসীমা নির্ধারিত থাকায় গতির পরীক্ষা আমরা নিইনি। তবে থ্রটলের সাধারণ চাপে গাড়িটি অনায়াসে ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতি তুলছিল। এখনো গাড়িটির ইঞ্জিন চালু হয়নি।

সিল ৫ গাড়িটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ডিএম-আই সুপার প্লাগ-ইন হাইব্রিডের ১ হাজার ৫০০ সিসি ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিন দুইভাবে কাজ করে। প্রথমত সেটি গাড়ির ব্যাটারিতে শক্তি প্রদান করে, পাশাপাশি চাকায়ও শক্তি প্রদান করে। যৌথ শক্তিতে গাড়িটির সর্বোচ্চ অশ্বশক্তি ২০৭ এইচপি। ৬ হাজার আরপিএমে সিল ৫ সর্বোচ্চ ৩০০ নিউটন মিটার টর্ক উৎপন্ন করতে পারে। গাড়িটিতে ইকো, নরমাল ও স্পোর্টস এ তিনটি ড্রাইভিং মোড রয়েছে। ৩০০ ফুট রাস্তায় প্রবেশের পর ইকো মোড থেকে গাড়িটিকে স্পোর্ট মোডে পরিবর্তন করি। সর্বোচ্চ সতর্কতায় গাড়িটির গতি ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারে চালিয়েছি। চারজন সহযাত্রীসহ ০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার গতি তুলতে গাড়িটি সময় নিয়েছে প্রায় ১১ সেকেন্ড। বিওয়াইডির তথ্য অনুসারে গাড়িটি শূন্য থেকে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতি তুলতে সাত সেকেন্ড সময় প্রয়োজন হয়। গাড়িটির সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার।

বিওয়াইডি সিল ৫–এর অভ্যন্তর

দূর্দান্ত গতিতে চালানো অবস্থায় গাড়িটির নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থা অসাধারণ। গাড়িটিতে বডি রোল তেমন একটা নেই। এর বড় কারণ প্রশস্ত হুইল বেজ। সিল ৫–এর হুইল বেজ ২ হাজার ৭১৮ মিলিমিটার। নিরাপত্তার জন্য চার চাকায় ডিস্ক ব্রেক ব্যবহার করা হয়েছে। ৩০০ ফুটের রাস্তায় হঠাৎ নিচে নেমে যাওয়া বা যথেষ্ট গতিতে ওপরে ওঠার সময়ও ঝাঁকুনি অনুভব করিনি। ৫ আসনের গাড়িটির সামনে ম্যাকপার্সন স্টার্ট ও পেছনে টর্সিয়ন বিম সাসপেনশন ব্যবহার করা হয়েছে। মাটি থেকে চেসিসের উচ্চতা ৫ দশমিক ৯ ইঞ্চি হওয়ায় গতিরোধকগুলোতে গাড়িটির তল স্পর্শ করেনি। ২১৫/৫৫/১৭ আকারের অ্যালয় চাকা থাকাতে স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে বন্ধুর রাস্তা অতিক্রম করেছে।

নিরাপত্তার জন্য গাড়িটিতে ছয়টি এয়ারব্যাগ রয়েছে। রাস্তায় গাড়িটির অবস্থানও অন্যান্য গাড়িপ্রেমীদের দৃষ্টি কেড়েছে। ধূসর রঙের গাড়িটির সামনে ক্রম গ্রিল থাকায় গাড়িটিকে দেখতে স্পোর্টস কারের মতো দেখাচ্ছিল। ডিআরএল, ফগ লাইট হাউজিং এবং সবার উপরে বিওয়াইডির লোগো। এয়ার ইনটেকগুলোকে নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সামনের গ্রিলের শেষের অংশে লম্বা একটি বাঁকানো লাইনে ক্রমের স্পর্শ। দূর থেকে দেখলে বেশ বড়সড় মনে হবে। প্রশস্ত গাড়িটির পেছনের অংশজুড়ে এলইডি লাইটের লাইনটি রাতের বেলায় নজর কাড়বেই। সামনের মতো পেছনেও বিওয়াইডি লোগো, ডিএম-আই ইঞ্জিন এবং মডেলের নেম ট্যাগ রয়েছে। গাড়ির দুই পাশে নিচের দিকে রয়েছে প্রতিফলক; যা মহাসড়কে অনেক দূর থেকে গাড়ির অবস্থান দৃশ্যমান করবে। জ্বালানি নেওয়ার জন্য বাঁ পাশে এবং চার্জ দেওয়ার জন্য ডান পাশে চার্জিং পোর্টের ব্যবস্থা রয়েছে। মালপত্র বহনের জন্য গাড়ির পেছনে ৪৫০ লিটার বুট স্পেস রয়েছে। বুট স্পেসের ট্রাঙ্কটিও জাস্ট একটি চাপেই খুলে যায়। প্রথমে মনে হতে পারে স্বয়ংক্রিয়; কিন্তু এটি ম্যানুয়েল। হেডলাইট, ব্যাকলাইট ও সিগন্যাল লাইটসহ সব লাইটে এলইডি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

পাশ থেকে বিওয়াইডি সিল ৫

গাড়ির অভ্যন্তরে প্রতিটি আসন চামড়ায় মোড়ানো। চালকের আসনে স্বয়ংক্রিয় আসন নির্ধারণ করার ব্যবস্থা রয়েছে। স্টিয়ারিং হুইলটি সামনে–পেছনে এবং উঁচু–নিচু করে চালকের পছন্দমতো সেট করা যায়। চালকের আসন থেকে পুরো গাড়িটির নিয়ন্ত্রণ হাতের নাগালে রাখা হয়েছে। স্পর্শের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ফিজিক্যাল বাটন রয়েছে। সিল ৫–এ ১২.৮ ইঞ্চির মাল্টিমিডিয়া ডিসপ্লে এবং গাড়ি চালানোর যাবতীয় তথ্য দেখার জন্য ৮.৮ ইঞ্চির ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার রয়েছে। রোটেট ডায়ালে সিম্পল গিয়ার নব গাড়ি চালানোকে আরও সহজ করবে। রয়েছে ইভি এবং এইচইভি মোড, যা দিয়ে সহজেই গাড়িকে শুধু ব্যাটারি অথবা ব্যাটারি এবং ইঞ্জিনের দ্বৈত শক্তিতে চালানো যাবে। সুইচের মাধ্যমে অটো হোল্ড এবং পার্কিং ব্রেক ব্যবহার করা যাবে। অন্যান্য চায়নিজ গাড়িগুলোতে ডানে বা বামের সংকেত বাতি জ্বালানোর হাতলটি বাঁয়ে থাকলেও এই গাড়িতে জাপানিজ গাড়িগুলোর মতো ডান পাশেই সংকেত হাতল রাখা হয়েছে। এতে চালককে দ্বিধার মধ্যে থাকতে হবে না। দরজা খোলার পর গাড়িটিতে প্রবেশের রাস্তাও প্রশস্ত। আসনগুলো আরামদায়ক এবং আকৃতিতে বড় হওয়ার কারণে ওভার সাইজড মানুষও সহজেই গাড়িটিতে আরাম করে বসতে পারবে। পেছনের আসনের যাত্রীদের জন্য রয়েছে আলাদা এসি ভেন্ট। ফলে গরমে মিলবে স্বস্তির যাত্রা।

পূর্বাচল ক্লাব–সংলগ্ন সংকীর্ণ রাস্তাগুলোতে আমরা গতিরোধক এবং ভাঙা রাস্তায় গাড়িটিকে বেশ জোরে চালিয়ে দেখেছি। গাড়িটি মাটি কামড়ে চলে। চেসিসের সঙ্গে ব্যাটারির ওজন যুক্ত হয়ে গাড়িটি বেশ ভালো ড্রাইভের অনুভূতি দেয়। সামনের আসনে পা রাখার স্থান যথেষ্ট, পেছনের আসনে সেটি পর্যাপ্ত। গাড়িটির আকৃতি বড় হওয়ার কারণে ভেতরের সাজসজ্জাও বেশ গোছালো। মাঝখানে ড্রাইভিং ট্রেইন না থাকার কারণে মাঝখানের যাত্রীও আরাম করে বসতে পারেন। থ্রটলে অতিরিক্ত চাপ দিয়ে ৬০ কিলোমটার গতি ওঠার পর ইঞ্জিন চালু হতে দেখেছি। আবার থ্রটল ছেড়ে দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে বিদ্যুৎ–শক্তিতে গাড়ি ফেরত এসেছে।

মূলত দৈনন্দিন যাতায়াতের খরচকে ন্যূনতম করতেই সিল ৫ বানানো হয়েছে। বিওয়াইডি বাংলাদেশের ওয়েবসাইটে ‘এক্সপেরিয়েন্স’ অপশনে ‘ইভি সেভিংস ক্যালকুলেটর’ নামে একটি অপশন রয়েছে। এখানে গাড়ি হিসেবে বিওয়াইডি সিল ৫ অপশন নির্ধারণ করে নিজের বিদ্যুৎ বিল কত হতে পারে তা জানা যায়। ধরা যাক, বাড়ির বিদ্যুৎ বিল অনুসারে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১০ টাকা। পাশাপাশি আপনার যদি জ্বালানিচালিত কোনো গাড়ি থাকে, সেই গাড়ি লিটারে কত কিলোমিটার যায়, সেই একক বসিয়ে দুটি গাড়ির খরচের পার্থক্য বের করার অপশন রয়েছে।

পেছন থেকে বিওয়াইডি সিল ৫

বিওয়াইডি সিল ৫–কে ফুল চার্জ দিতে সময় লাগবে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা। বিওয়াইডি সৌজন্যমূলক একটি চার্জার গ্রাহকের বাসায় বসিয়ে দেবে। একজন মানুষ নিত্যদিনের কাজ সম্পন্ন করার জন্য শহুরে জীবনে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেন। সে ক্ষেত্রে কোনো ধরনের জ্বালানি খরচ না করে মাত্র ১৩০ টাকার বিদ্যুৎ–শক্তি ব্যবহার করে ৫ জন যাত্রী নিয়ে অনায়াসে সারা দিনের কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন। সেই হিসাবে সিল ৫–কে আমরা ‘মিতব্যয়ী’ গাড়ি হিসেবে ঘোষণা দিতেই পারি।

এবার ফেরার পালা। গাড়িটির ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরাটি দারুণ যথাযথ। শুধু ক্যামেরার ডিসপ্লেতে দেখে গাড়িটি সহজেই পার্ক করা যায়। গাড়িটি আকৃতিতে বড় হলেও মাত্র ৫ দশমিক ৫ মিটার জায়গার মধ্যে এটি ঘোরানো যায়। টার্নিং রেডিয়াস কম থাকার কারণে প্রথম লেন থেকে দ্বিতীয় লেনের মধ্যে ইউটার্ন নেওয়া যায়। আধুনিক ফিচারের মধ্যে গাড়িটিতে অ্যাডভান্সড ড্রাইভার অ্যাসিস্ট্যান্স সিস্টেম বা এডাস রয়েছে, যা চালকের জন্য আলাদা নিরাপত্তা দেয়। গাড়িটির মোটর ও ব্যাটারির নিরাপত্তায় আইপি ৬৭ প্রতিরোধক দেওয়া হয়েছে; যা কোমরপানিতে আধঘণ্টার বেশি ভিজলেও কোনো সমস্যা হবে না। রিমোট সিস্টেমের পাশাপাশি গাড়িটিতে প্রবেশের জন্য এনএফসি কার্ড রয়েছে; যা ওয়ালেটে রেখে সহজেই গাড়িটি চালু ও বন্ধ করা যাবে। বিওয়াইডির বিলাসবহুল গাড়িগুলোতে যে ব্লেড ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, মূল্যসাশ্রয়ী এই গাড়িতেও সেই ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। ভয়েস কমান্ড ও ফিঙ্গার জেশ্চারের মাধ্যমে গাড়িটির ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেমকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিওয়াইডি সিল ৫–এর ফুয়েল ধারণ ক্ষমতা ৪৫ লিটার। যৌথ শক্তিতে গাড়িটির প্রতি কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে খরচ হয় সাড়ে তিন টাকা। বৈদ্যুতিক ও পরিপূর্ণ জ্বালানি ভর্তি করে গাড়িটি এক হাজার কিলোমিটার পথ পর্যন্ত পাড়ি দিতে পারে। চাকা থেকে গাড়িটি কতটুকু পূর্ণশক্তি নেবে, তা আলাদা করে নির্ধারণ করা যায়। গাড়িটি সামনের চাকার শক্তিতে পরিচালিত হয়। হাইব্রিড মোডে গাড়িটি ১০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে ৩.৯ লিটার জ্বালানি খরচ করে।

একটি গাড়িতে সব অপশন একসঙ্গে মিলবে না। সেই হিসাবে এই গাড়িতে সানরুফ নেই। নেই তারবিহীন মুঠোফোন চার্জ দেওয়ার সুবিধা। ব্লাইন্ড স্পট মনিটর সিস্টেমও থাকছে না এতে। এ ছাড়া ফাস্ট চার্জিং দেওয়ার জন্য ডিসি চার্জার ব্যবহারের অপশনও থাকছে না।

বিওয়াইডি সিল সম্পর্কে গ্রাহক অভিজ্ঞতা–বিশেষজ্ঞ (ক্লায়েন্ট এক্সপেরিয়েন্স স্পেশিয়ালিস্ট) মো. রিজওয়ান রহমান বলেন, বাংলাদেশে প্রথম অফিশিয়াল ওয়ারেন্টিসহ প্লাগ ইন হাইব্রিড ক্যাটাগরিতে সেডান গাড়ি নিয়ে আসতে যাচ্ছে বিওয়াইডি। জ্বালানিসংকটের এ সময়ে নিত্যদিনের যাতায়াতের জন্য এই গাড়ি তুলনাহীন। ব্র্যান্ড নিউ হওয়ার কারণে গাড়িটিতে ৬ বছর বা  ১ লাখ ৫০ হাজার কিলোমিটার এবং ব্যাটারির ক্ষেত্রে ৮ বছর বা ১ লাখ ৬০ হাজার কিলোমিটার ও মোটর এবং মোটর কন্ট্রোলারে ৮ বছর বা ১ লাখ ৫০ হাজার কিলোমিটারের (যেটা আগে আসে) বিক্রয়োত্তর সেবা থাকবে। একজন গ্রাহক নিশ্চিন্তে গাড়িটি আট বছর পর্যন্ত বিক্রয়োত্তর সেবার সুবিধায় গাড়িটা চালাতে পারবেন।

বিওয়াইডি সিল ৫ সাদা, কালো ও ধূসর রঙে দেশের বাজারে পাওয়া যাবে। বর্তমানে গাড়িটির জন্য অগ্রিম ফরমায়েশ দেওয়া যাচ্ছে। গাড়িটির মূল্য ৪০ লাখ টাকার নিচে হবে বলেই জানিয়েছেন বিওয়াইডি কর্তৃপক্ষ।