
সেমিকন্ডাক্টর খাতের বিভিন্ন দিক নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত ‘বিএসআইএ সাউথ কোরিয়া রোড শো’তে দেশটির সেন্টার অব রিসার্চ এক্সেলেন্স ইন সেমিকন্ডাক্টর টেকনোলজি (ক্রেস্ট) ও কেএআইএসটি গ্লোবাল কমার্শিয়ালাইজেশন সেন্টারের (জিসিসি) সঙ্গে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ)। সেমিকন্ডাক্টর গবেষণা, প্রযুক্তি বাণিজ্যিকীকরণ, অ্যাডভান্সড প্যাকেজিং, এআইনির্ভর সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি, মেধা উন্নয়ন ও শিল্প–একাডেমিয়া সংযোগকে শক্তিশালী করতে গতকাল বুধবার এই চুক্তি করা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিএসআইএ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রোড শোর অংশ হিসেবে বিশ্বের অন্যতম বড় সেমিকন্ডাক্টর বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান এসকে হাইনিক্সের অত্যাধুনিক সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিং প্রযুক্তি পরিদর্শন করেছে বিএসআইএ প্রতিনিধিদল। এ সময় এআইনির্ভর মেমোরি প্যাকেজিং, হেটারোজিনিয়াস ইন্টিগ্রেশন ও উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেওয়ার পাশাপাশি এসকে হাইনিক্সের প্যাকেজিং ও টেস্টিং বিভাগের প্রেসিডেন্ট চার্লস আন ও প্যাকেজিং টেকনোলজি বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কৌশলগত আলোচনা করেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।
পরিদর্শনের সময় পারডু ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মুহাম্মদ মোস্তফা হোসেন বাংলাদেশের উদীয়মান সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম ও ‘সিলিকন রিভার’ ভিশন তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল মূলত উদ্ভাবনকেন্দ্রিক, যেখানে অ্যাপ্লিকেশন, পণ্য, এআইনির্ভর সিস্টেম ও অ্যাডভান্সড ইঞ্জিনিয়ারিং সক্ষমতার মাধ্যমে বৈশ্বিক মূল্য সৃষ্টি করার লক্ষ্য রয়েছে।
বিএসআইএর সভাপতি এম এ জব্বার গবেষণা, বাণিজ্যিকীকরণ, মেধা উন্নয়ন, শিল্প অংশগ্রহণ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেমে রূপান্তরের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
প্রসঙ্গত, দক্ষিণ কোরিয়ায় ‘বিএসআইএ সাউথ কোরিয়া রোড শো’–এর আয়োজক ছিল বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ)। রোড শোয় সংগঠনটির সদস্য ডায়নামিক সলিউশন ইনোভেটরস (ডিএসআই), আইটেস্ট বাংলাদেশ লিমিটেড, নিউরাল সেমিকন্ডাক্টর লিমিটেড, প্রাইম সিলিকন টেকনোলজি লিমিটেড, সিলিকনোভা লিমিটেড ও উল্কাসেমি প্রাইভেট লিমিটেড অংশ নেয়।