ফেসবুকে নির্বাচন নিয়ে এমন বিজ্ঞপ্তি দেখা যাচ্ছে
ফেসবুকে নির্বাচন নিয়ে এমন বিজ্ঞপ্তি দেখা যাচ্ছে

ফেসবুক ওয়ালে নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি

আজ ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন। ভোটের দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও ভোটদানে উৎসাহিত করার জন্য বিজ্ঞপ্তি দেখা যাচ্ছে।

সকাল থেকেই অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফেসবুক খুললেই ব্যবহারকারীরা একটি বিশেষ নোটিফিকেশন বা ব্যানার দেখতে পাচ্ছেন। যেখানে লেখা থাকছে, ‘আজ বাংলাদেশে নির্বাচন! আজ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বাংলাদেশে হওয়া জাতীয় নির্বাচনে ভোটদান সম্পর্কে সরকারি তথ্য পান। অন্যদেরকে ভোট দিতে অনুপ্রাণিত করার জন্য শেয়ার করুন।’

নাগরিক দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়ার এই আধুনিক পদ্ধতি ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ফেসবুকের এই বিশেষ ফিচারে কেবল ভোট দেওয়ার আহ্বানই জানানো হচ্ছে না, বরং কতজন মানুষ নির্বাচনী তথ্য শেয়ার করে অন্যদের অনুপ্রাণিত করছেন, তার একটি লাইভ আপডেটও দেওয়া হচ্ছে। আজ বেলা ১টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১১ লাখের মতো মানুষ ইতিমধ্যে নির্বাচনী তথ্য শেয়ার করেছেন।

প্রযুক্তির এই ব্যবহার তরুণ ভোটারদের মধ্যে বাড়তি উদ্দীপনা তৈরি করেছে। মিরপুরের তরুণ ভোটার সৈয়দ মুশফিক আহমেদ বলেন, ফেসবুকে যখন নিজের নাম দিয়ে ভোট দেওয়ার রিমাইন্ডার দেখলাম, তখন নাগরিক দায়িত্বের কথাটি আরও জোরালোভাবে মনে পড়ল। আমি সঙ্গে সঙ্গেই তথ্যটি শেয়ার করেছি, যেন আমার বন্ধুরা ও পরিবারের সদস্যরাও অনুপ্রাণিত হয়।

ফেসবুকের এই বিশেষ ব্যানারে ক্লিক করলেই সরাসরি ওপেন হচ্ছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (https://ecs.gov.bd/)। এখান থেকে ভোটাররা খুব সহজেই বিভিন্ন তথ্য জানতে পারছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের প্রচারণা ভোটার উপস্থিতি বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক বুশরা হুমায়রা বলেন, বিশেষ করে যাঁরা প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন, তাঁদের জন্য অনলাইন থেকে সরাসরি নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়ার সুযোগটি অনেক সহজ হয়েছে। ফেসবুকের মাধ্যমে তথ্য শেয়ার করার ফলে এটি একটি চেইন রিঅ্যাকশনের মতো কাজ করছে, যা পুরো দেশের নির্বাচনী আবহকে ডিজিটালভাবে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে। ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে ভোটারদের সচেতন করার এই প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।